ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের হুমকি ম্যাঁক্রোর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। দেশটিতে দ্বিতীয়বার সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং রুয়ান্ডা সফরকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গত সপ্তাহের সোমবার মালির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার রদবদল হয়। ওইদিনই দেশটির প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আটক করে সেনাবাহিনী। মাত্র ৯ মাসের মাথায় দ্বিতীয়বার দেশটিতে এমন ঘটনা ঘটে।

মালিতে চরমপন্থি ইসলামের দিকে ঝোঁকের প্রবণতা রয়েছে উল্লেখ ম্যাঁক্রো বলেন, মালি ইসলামি মৌলবাদের দিকে গেলে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। তিনি বলেন, সত্যিই যদি ওদিকে যায়, আমি সৈন্য প্রত্যাহার করে নেব।

২০১৪ সালে ফরাসী সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী দলগুলোর বিরুদ্ধে অপারেশন বরখানে নামে বিদ্রোহী দমন অভিযান শুরু হয়। সেখানে ফ্রান্সের ৫১শ সেনা রয়েছে। এই অঞ্চলে ফ্রান্স সেনাদের মিশনের সদর দপ্তর চাদে। ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কোইস হল্যান্ড ২০১৩ সালে বিদ্রোহীদের দমনে মালিতে হস্তক্ষেপ করেন। ওই বিদ্রোহীরা পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির অংশ বিশেষ শাসন করতেন।

অভ্যুত্থানের পর মালির সাংবিধানিক আদালত সামরিক অভ্যুত্থানকারী নেতা কর্নেল গোইতাকে অন্তর্বতী প্রেসিডেন্ট হিসেব ঘোষণা দেন। এর আগে ২০২০ সালের আগস্টে মালিতে প্রথম বারের মতো সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বৌবাকার কিয়েতা। সে সময়ও অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল গোইতা।

সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রেসিডেন্ট বাহ এনদাও এবং প্রধানমন্ত্রী মোকতার উয়ানে ১৮ মাস মেয়াদী অন্তর্বর্তী সরকারের পরিচালনা করছিলেন। একইসঙ্গে দেশে আবারও বেসামরিক শাসন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু অভ্যত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে বলে বিশ্লেষকরা মতামত দিয়েছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ফ্রান্স এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মালিতে নয় মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় সামরিক অভ্যত্থানের নিন্দা জানান। ফ্রেঞ্চ প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রো বলেন, তিনি নাদাওকে জানিয়েছেন, চরমপন্থি ইসলামের দিকে ঝুঁকলে সাবেক উপনিবেশ ফ্রান্স মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবেন। ফ্রান্সের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদিকে চরমপন্থি ইসলাম, থাকবে অন্যদিকে আমাদের সৈন্যও থাকবে; সেটা কখনও হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের হুমকি ম্যাঁক্রোর

আপডেট সময় ০৯:১০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মে ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। দেশটিতে দ্বিতীয়বার সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং রুয়ান্ডা সফরকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গত সপ্তাহের সোমবার মালির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার রদবদল হয়। ওইদিনই দেশটির প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আটক করে সেনাবাহিনী। মাত্র ৯ মাসের মাথায় দ্বিতীয়বার দেশটিতে এমন ঘটনা ঘটে।

মালিতে চরমপন্থি ইসলামের দিকে ঝোঁকের প্রবণতা রয়েছে উল্লেখ ম্যাঁক্রো বলেন, মালি ইসলামি মৌলবাদের দিকে গেলে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। তিনি বলেন, সত্যিই যদি ওদিকে যায়, আমি সৈন্য প্রত্যাহার করে নেব।

২০১৪ সালে ফরাসী সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী দলগুলোর বিরুদ্ধে অপারেশন বরখানে নামে বিদ্রোহী দমন অভিযান শুরু হয়। সেখানে ফ্রান্সের ৫১শ সেনা রয়েছে। এই অঞ্চলে ফ্রান্স সেনাদের মিশনের সদর দপ্তর চাদে। ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কোইস হল্যান্ড ২০১৩ সালে বিদ্রোহীদের দমনে মালিতে হস্তক্ষেপ করেন। ওই বিদ্রোহীরা পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির অংশ বিশেষ শাসন করতেন।

অভ্যুত্থানের পর মালির সাংবিধানিক আদালত সামরিক অভ্যুত্থানকারী নেতা কর্নেল গোইতাকে অন্তর্বতী প্রেসিডেন্ট হিসেব ঘোষণা দেন। এর আগে ২০২০ সালের আগস্টে মালিতে প্রথম বারের মতো সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বৌবাকার কিয়েতা। সে সময়ও অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল গোইতা।

সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রেসিডেন্ট বাহ এনদাও এবং প্রধানমন্ত্রী মোকতার উয়ানে ১৮ মাস মেয়াদী অন্তর্বর্তী সরকারের পরিচালনা করছিলেন। একইসঙ্গে দেশে আবারও বেসামরিক শাসন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু অভ্যত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে বলে বিশ্লেষকরা মতামত দিয়েছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ফ্রান্স এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মালিতে নয় মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় সামরিক অভ্যত্থানের নিন্দা জানান। ফ্রেঞ্চ প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রো বলেন, তিনি নাদাওকে জানিয়েছেন, চরমপন্থি ইসলামের দিকে ঝুঁকলে সাবেক উপনিবেশ ফ্রান্স মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবেন। ফ্রান্সের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদিকে চরমপন্থি ইসলাম, থাকবে অন্যদিকে আমাদের সৈন্যও থাকবে; সেটা কখনও হবে না।