ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের হুমকি ম্যাঁক্রোর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। দেশটিতে দ্বিতীয়বার সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং রুয়ান্ডা সফরকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গত সপ্তাহের সোমবার মালির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার রদবদল হয়। ওইদিনই দেশটির প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আটক করে সেনাবাহিনী। মাত্র ৯ মাসের মাথায় দ্বিতীয়বার দেশটিতে এমন ঘটনা ঘটে।

মালিতে চরমপন্থি ইসলামের দিকে ঝোঁকের প্রবণতা রয়েছে উল্লেখ ম্যাঁক্রো বলেন, মালি ইসলামি মৌলবাদের দিকে গেলে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। তিনি বলেন, সত্যিই যদি ওদিকে যায়, আমি সৈন্য প্রত্যাহার করে নেব।

২০১৪ সালে ফরাসী সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী দলগুলোর বিরুদ্ধে অপারেশন বরখানে নামে বিদ্রোহী দমন অভিযান শুরু হয়। সেখানে ফ্রান্সের ৫১শ সেনা রয়েছে। এই অঞ্চলে ফ্রান্স সেনাদের মিশনের সদর দপ্তর চাদে। ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কোইস হল্যান্ড ২০১৩ সালে বিদ্রোহীদের দমনে মালিতে হস্তক্ষেপ করেন। ওই বিদ্রোহীরা পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির অংশ বিশেষ শাসন করতেন।

অভ্যুত্থানের পর মালির সাংবিধানিক আদালত সামরিক অভ্যুত্থানকারী নেতা কর্নেল গোইতাকে অন্তর্বতী প্রেসিডেন্ট হিসেব ঘোষণা দেন। এর আগে ২০২০ সালের আগস্টে মালিতে প্রথম বারের মতো সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বৌবাকার কিয়েতা। সে সময়ও অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল গোইতা।

সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রেসিডেন্ট বাহ এনদাও এবং প্রধানমন্ত্রী মোকতার উয়ানে ১৮ মাস মেয়াদী অন্তর্বর্তী সরকারের পরিচালনা করছিলেন। একইসঙ্গে দেশে আবারও বেসামরিক শাসন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু অভ্যত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে বলে বিশ্লেষকরা মতামত দিয়েছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ফ্রান্স এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মালিতে নয় মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় সামরিক অভ্যত্থানের নিন্দা জানান। ফ্রেঞ্চ প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রো বলেন, তিনি নাদাওকে জানিয়েছেন, চরমপন্থি ইসলামের দিকে ঝুঁকলে সাবেক উপনিবেশ ফ্রান্স মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবেন। ফ্রান্সের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদিকে চরমপন্থি ইসলাম, থাকবে অন্যদিকে আমাদের সৈন্যও থাকবে; সেটা কখনও হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের হুমকি ম্যাঁক্রোর

আপডেট সময় ০৯:১০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মে ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। দেশটিতে দ্বিতীয়বার সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং রুয়ান্ডা সফরকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গত সপ্তাহের সোমবার মালির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার রদবদল হয়। ওইদিনই দেশটির প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আটক করে সেনাবাহিনী। মাত্র ৯ মাসের মাথায় দ্বিতীয়বার দেশটিতে এমন ঘটনা ঘটে।

মালিতে চরমপন্থি ইসলামের দিকে ঝোঁকের প্রবণতা রয়েছে উল্লেখ ম্যাঁক্রো বলেন, মালি ইসলামি মৌলবাদের দিকে গেলে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। তিনি বলেন, সত্যিই যদি ওদিকে যায়, আমি সৈন্য প্রত্যাহার করে নেব।

২০১৪ সালে ফরাসী সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে ইসলামপন্থী দলগুলোর বিরুদ্ধে অপারেশন বরখানে নামে বিদ্রোহী দমন অভিযান শুরু হয়। সেখানে ফ্রান্সের ৫১শ সেনা রয়েছে। এই অঞ্চলে ফ্রান্স সেনাদের মিশনের সদর দপ্তর চাদে। ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কোইস হল্যান্ড ২০১৩ সালে বিদ্রোহীদের দমনে মালিতে হস্তক্ষেপ করেন। ওই বিদ্রোহীরা পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির অংশ বিশেষ শাসন করতেন।

অভ্যুত্থানের পর মালির সাংবিধানিক আদালত সামরিক অভ্যুত্থানকারী নেতা কর্নেল গোইতাকে অন্তর্বতী প্রেসিডেন্ট হিসেব ঘোষণা দেন। এর আগে ২০২০ সালের আগস্টে মালিতে প্রথম বারের মতো সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বৌবাকার কিয়েতা। সে সময়ও অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল গোইতা।

সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রেসিডেন্ট বাহ এনদাও এবং প্রধানমন্ত্রী মোকতার উয়ানে ১৮ মাস মেয়াদী অন্তর্বর্তী সরকারের পরিচালনা করছিলেন। একইসঙ্গে দেশে আবারও বেসামরিক শাসন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। কিন্তু অভ্যত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে বলে বিশ্লেষকরা মতামত দিয়েছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ফ্রান্স এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মালিতে নয় মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় সামরিক অভ্যত্থানের নিন্দা জানান। ফ্রেঞ্চ প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রো বলেন, তিনি নাদাওকে জানিয়েছেন, চরমপন্থি ইসলামের দিকে ঝুঁকলে সাবেক উপনিবেশ ফ্রান্স মালি থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবেন। ফ্রান্সের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, একদিকে চরমপন্থি ইসলাম, থাকবে অন্যদিকে আমাদের সৈন্যও থাকবে; সেটা কখনও হবে না।