ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নতুন প্রজন্মের জন্য ‘সবুজ ভবিষ্যৎ’ গড়তে ঐক্যের আহ্বান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুবজতর ভবিষ্যতের জন্য পি৪জি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি খাদ্য-পানি-জ্বালানিসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে আরও বেশি বিনিয়োগকারী, নীতি নির্ধারক ও সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করাসহ পি৪জি-কে (পার্টনারিং ফর গ্রিন গ্রোথ অ্যান্ড দ্য গ্লোবাল গোলস ২০৩০) তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন।

রোববার (৩০ মে) বিকেলে পি৪জির সিউজ সম্মেলনে আগে ধারণ করা এক ভিডিওবার্তায় দেওয়া বক্তব্যে এ পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

‘ইনক্লুসিভ গ্রিন রিকভারি টুওয়ার্ডস কার্বন নিউট্রালিটি’ প্রতিপাদ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পি৪জির দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলন।

তিনটি পরামর্শের মধ্যে প্রথমটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পি৪জির পাঁচটি মূল ক্ষেত্র- খাদ্য, পানি, জ্বালানি, শহর ও সার্কুলার অর্থনীতিতে আরও বেশি ফিন্যান্সিয়র, বিনিয়োগকারী, নীতিনির্ধারক ও সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে এর কর্মভিত্তিক পদ্ধতির বিষয়ে আরও বেশি প্রচারণা চালানো এবং সেরা অনুশীলনগুলো বিনিময় করা প্রয়োজন।

সবৃজ প্রবৃদ্ধি ও ২০৩০ বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় পরামর্শটি হলো- এ লক্ষ্য অর্জনে সমাজের সামগ্রিক পদ্ধতির পাশাপাশি একটি বৈশ্বিক মনোভাব প্রয়োজন।

তৃতীয় পরামর্শে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুবজতর ভবিষ্যতের জন্য পি৪জি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার দরকার।

জলবায়ুর পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্থানীয়ভাবে অভিযোজন কার্যক্রম বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পানি বাংলাদেশের অত্যন্ত মূল্যমান সম্পদ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পানির যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণে আমরা একশ বছর মেয়াদি টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘ডেল্টা প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করছি।

বাংলাদেশ প্রথম স্বল্পোন্নত দেশ যারা নিজস্ব সম্পদ দিয়ে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন ও প্রশমন ব্যবস্থায় আমরা প্রতি বছর ৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করছি।

পি৪জির সদস্য দেশ বাংলাদেশ ‘স্বল্প কার্বন উন্নয়ন পন্থা’ অনুসরণ করছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ন্যাশনাল সোলার এনার্জি অ্যাকশন প্ল্যান ২০২১-৪১ অনুমান করছে ২০৪১ সালে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ৪০ গিগা ওয়াটে দাঁড়াবে।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই ডেভেলপমেন্ট লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ২০১৭ সালে পি৪জি বৈশ্বিক উদ্যোগটি শুরু হয়।

পি৪জি নেটওয়ার্কে বাংলাদেশ, চিলি, কলম্বিয়া, ডেনমার্ক, ইথিওপিয়া, ইন্দোশিয়া, কেনিয়া, রিপাবলিক অব কোরিয়া, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভিয়েতনাম- এই ১২টি দেশ আছে। এছাড়া ডব্লিউআরআই, ডব্লিউএএফ, আইএফসি, জিজিজিআই ও সি৪০ সংগঠন এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নতুন প্রজন্মের জন্য ‘সবুজ ভবিষ্যৎ’ গড়তে ঐক্যের আহ্বান

আপডেট সময় ০৫:২৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুবজতর ভবিষ্যতের জন্য পি৪জি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি খাদ্য-পানি-জ্বালানিসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে আরও বেশি বিনিয়োগকারী, নীতি নির্ধারক ও সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করাসহ পি৪জি-কে (পার্টনারিং ফর গ্রিন গ্রোথ অ্যান্ড দ্য গ্লোবাল গোলস ২০৩০) তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন।

রোববার (৩০ মে) বিকেলে পি৪জির সিউজ সম্মেলনে আগে ধারণ করা এক ভিডিওবার্তায় দেওয়া বক্তব্যে এ পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

‘ইনক্লুসিভ গ্রিন রিকভারি টুওয়ার্ডস কার্বন নিউট্রালিটি’ প্রতিপাদ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পি৪জির দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলন।

তিনটি পরামর্শের মধ্যে প্রথমটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পি৪জির পাঁচটি মূল ক্ষেত্র- খাদ্য, পানি, জ্বালানি, শহর ও সার্কুলার অর্থনীতিতে আরও বেশি ফিন্যান্সিয়র, বিনিয়োগকারী, নীতিনির্ধারক ও সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে এর কর্মভিত্তিক পদ্ধতির বিষয়ে আরও বেশি প্রচারণা চালানো এবং সেরা অনুশীলনগুলো বিনিময় করা প্রয়োজন।

সবৃজ প্রবৃদ্ধি ও ২০৩০ বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শেখ হাসিনার দ্বিতীয় পরামর্শটি হলো- এ লক্ষ্য অর্জনে সমাজের সামগ্রিক পদ্ধতির পাশাপাশি একটি বৈশ্বিক মনোভাব প্রয়োজন।

তৃতীয় পরামর্শে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুবজতর ভবিষ্যতের জন্য পি৪জি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার দরকার।

জলবায়ুর পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্থানীয়ভাবে অভিযোজন কার্যক্রম বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পানি বাংলাদেশের অত্যন্ত মূল্যমান সম্পদ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পানির যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণে আমরা একশ বছর মেয়াদি টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘ডেল্টা প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করছি।

বাংলাদেশ প্রথম স্বল্পোন্নত দেশ যারা নিজস্ব সম্পদ দিয়ে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন ও প্রশমন ব্যবস্থায় আমরা প্রতি বছর ৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করছি।

পি৪জির সদস্য দেশ বাংলাদেশ ‘স্বল্প কার্বন উন্নয়ন পন্থা’ অনুসরণ করছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের ন্যাশনাল সোলার এনার্জি অ্যাকশন প্ল্যান ২০২১-৪১ অনুমান করছে ২০৪১ সালে আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ৪০ গিগা ওয়াটে দাঁড়াবে।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই ডেভেলপমেন্ট লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ২০১৭ সালে পি৪জি বৈশ্বিক উদ্যোগটি শুরু হয়।

পি৪জি নেটওয়ার্কে বাংলাদেশ, চিলি, কলম্বিয়া, ডেনমার্ক, ইথিওপিয়া, ইন্দোশিয়া, কেনিয়া, রিপাবলিক অব কোরিয়া, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভিয়েতনাম- এই ১২টি দেশ আছে। এছাড়া ডব্লিউআরআই, ডব্লিউএএফ, আইএফসি, জিজিজিআই ও সি৪০ সংগঠন এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে আছে।