ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দ্বন্দ্বের ‘ফ্লাশপয়েন্ট’ দক্ষিণ চীন সাগর

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দক্ষিণ চীন সাগর সমুদ্র এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সিল্ক রোডের সামুদ্রিক পথ, চীনের বৈশ্বিক উন্নয়ন প্রকল্প ছাড়াও হাইনান দ্বীপের চীনের পারমাণবিক প্রতিরক্ষার সামুদ্রিক ঘাঁটিও এই সাগর এলাকায় অবস্থিত।

চীন ২০১২ সাল থেকে দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক কাঠামো উন্নত করেছে। প্যারাসেলের দ্বীপগুলোতে ছোট ছোট জেলে গ্রামগুলোতে আধুনিক আবাসন তৈরি করে দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক স্কুল, ব্যাংক, হাসপাতাল এবং মোবাইল যোগাযোগের ব্যবস্থা বসিয়েছে। মূল ভূখণ্ড থেকে পর্যটকরা নিয়মিত প্রমোদতরীতে দ্বীপগুলো ভ্রমণে যায়।

উন্নয়নের দ্বিতীয় ধাপে স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ অধিগ্রহণের কাজও চীন এগিয়েছে। এই স্প্র্যাটলির ছোট ছোট প্রবালদ্বীপে গত ছয় বছরে চীন নৌ প্রকৌশল ও সামরিক স্থাপনা গড়ে তুলেছে, যার মধ্যে রয়েছে বিমান অবতরণ ক্ষেত্র, নৌবাহিনীর রসদের মজুত ও বিমান ঘাঁটি, গোলবারুদের বাংকার, রেডার ক্ষেত্র এবং ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র উেক্ষপক সরঞ্জাম।

অন্যদিকে, প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ এই এলাকায় নোঙর করছে। যে কারণে প্রায়ই উত্তেজনা বাড়ছে। সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে চীনের এই নতুন দ্বীপগুলোকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র রাখে। কিন্তু তার অর্থ হবে চীনের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো, যেটা চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র কারোর জন্যই বাঞ্ছনীয় হবে না।

সম্প্রতি দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের জলসীমায় অবৈধভাবে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করে। পরে ধাওয়া করে সেটিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি এর মধ্য দিয়ে চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন বলছে, আন্তর্জাতিক ঐ সমুদ্র পথের স্বাধীনতা রক্ষায় তারা সব সময় সচেষ্ট থাকবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারে পরিবর্তন হলেও দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে নীতির পরিবর্তন হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দ্বন্দ্বের ‘ফ্লাশপয়েন্ট’ দক্ষিণ চীন সাগর

আপডেট সময় ০১:০২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মে ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দক্ষিণ চীন সাগর সমুদ্র এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সিল্ক রোডের সামুদ্রিক পথ, চীনের বৈশ্বিক উন্নয়ন প্রকল্প ছাড়াও হাইনান দ্বীপের চীনের পারমাণবিক প্রতিরক্ষার সামুদ্রিক ঘাঁটিও এই সাগর এলাকায় অবস্থিত।

চীন ২০১২ সাল থেকে দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপগুলোর প্রশাসনিক কাঠামো উন্নত করেছে। প্যারাসেলের দ্বীপগুলোতে ছোট ছোট জেলে গ্রামগুলোতে আধুনিক আবাসন তৈরি করে দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক স্কুল, ব্যাংক, হাসপাতাল এবং মোবাইল যোগাযোগের ব্যবস্থা বসিয়েছে। মূল ভূখণ্ড থেকে পর্যটকরা নিয়মিত প্রমোদতরীতে দ্বীপগুলো ভ্রমণে যায়।

উন্নয়নের দ্বিতীয় ধাপে স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ অধিগ্রহণের কাজও চীন এগিয়েছে। এই স্প্র্যাটলির ছোট ছোট প্রবালদ্বীপে গত ছয় বছরে চীন নৌ প্রকৌশল ও সামরিক স্থাপনা গড়ে তুলেছে, যার মধ্যে রয়েছে বিমান অবতরণ ক্ষেত্র, নৌবাহিনীর রসদের মজুত ও বিমান ঘাঁটি, গোলবারুদের বাংকার, রেডার ক্ষেত্র এবং ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র উেক্ষপক সরঞ্জাম।

অন্যদিকে, প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ এই এলাকায় নোঙর করছে। যে কারণে প্রায়ই উত্তেজনা বাড়ছে। সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে চীনের এই নতুন দ্বীপগুলোকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র রাখে। কিন্তু তার অর্থ হবে চীনের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানো, যেটা চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র কারোর জন্যই বাঞ্ছনীয় হবে না।

সম্প্রতি দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের জলসীমায় অবৈধভাবে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করে। পরে ধাওয়া করে সেটিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি এর মধ্য দিয়ে চীনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন বলছে, আন্তর্জাতিক ঐ সমুদ্র পথের স্বাধীনতা রক্ষায় তারা সব সময় সচেষ্ট থাকবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারে পরিবর্তন হলেও দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে নীতির পরিবর্তন হয়নি।