ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

১০ হাজার টাকায় নবজাতককে বিক্রি করলেন মা জান্নাত!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অভাবের সংসার। শখ পূরণের তৌফিক নেই। তাই সন্তান প্রসবের পরপরই ১০ হাজার টাকা ও একটি থ্রি-পিসের বিনিময়ে বিক্রি করে দিল খোদ মা!

অবিশ্বাস্য এই ঘটনাটি ঘটে কক্সবাজারের চকরিয়ায়।

জানা যায়, উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট কাটাখালী এলাকার আব্দুল খালেকের স্ত্রী জান্নাত আরা বেগম ২৬ এপ্রিল সকালে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একটি ফুটফুটে সন্তান প্রসব করেন।

পরে মাত্র ১০ হাজার টাকা ও একটি থ্রি-পিসের বিনিময়ে শিশুসন্তানকে বিক্রি করে দেন।

ঘটনা জানাজানি হলে সবাই দোষারোপ করবে তাই ভিন্ন কাহিনী তৈরী করেন জান্নাত। সন্তান চুরি হয়ে গেছে বলে অভিনয় শুরু করেন তিনি।

শুক্রবার রাতে এ বিষয়ে চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগও করেন জান্নাত। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্ত করে আসল ঘটনা উদঘাটন করে।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সন্তান জন্মের পর ওই রাতেই ১০ হাজার টাকা ও একটি থ্রি-পিসের বিনিময়ে স্থানীয় শাহাব উদ্দিনের স্ত্রী মিনু আরার কাছে বেচে দেন মা জান্নাত আরা বেগম। পরে মিনু আরা আবার ওই শিশুকে খুটাখালীর এক ব্যক্তির কাছে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

পুলিশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডুলাহাজারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন।

তিনি জানান, শিশুটিকে চুরি করা হয়নি। ১০ হাজার টাকা ও একটি থ্রি-পিসের লোভে মিনু আরার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে মা জান্নাত আরা। পরে মিনু আরা শিশুটিকে ৬০ হাজার টাকায় অন্য একজনের কাছে বিক্রি করে দিতে চাইলে কথা কাটাকাটির জেরে মিনু আরার বিরুদ্ধে সন্তান চুরির অভিযোগ করেন জান্নাত আরা।

চকরিয়া থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, শিশুটিকে চুরি করা হয়েছে বলে থানায় অভিযোগ করেছেন মা জান্নাত। এ ঘটনা জানতে পেরে যারা কিনেছিল তারাই নবজাতককে ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে যায়। চেয়ারম্যান শনিবার বিকেলে শিশুটিকে মায়ের কাছে হস্তান্তর করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১০ হাজার টাকায় নবজাতককে বিক্রি করলেন মা জান্নাত!

আপডেট সময় ১১:১৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অভাবের সংসার। শখ পূরণের তৌফিক নেই। তাই সন্তান প্রসবের পরপরই ১০ হাজার টাকা ও একটি থ্রি-পিসের বিনিময়ে বিক্রি করে দিল খোদ মা!

অবিশ্বাস্য এই ঘটনাটি ঘটে কক্সবাজারের চকরিয়ায়।

জানা যায়, উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট কাটাখালী এলাকার আব্দুল খালেকের স্ত্রী জান্নাত আরা বেগম ২৬ এপ্রিল সকালে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একটি ফুটফুটে সন্তান প্রসব করেন।

পরে মাত্র ১০ হাজার টাকা ও একটি থ্রি-পিসের বিনিময়ে শিশুসন্তানকে বিক্রি করে দেন।

ঘটনা জানাজানি হলে সবাই দোষারোপ করবে তাই ভিন্ন কাহিনী তৈরী করেন জান্নাত। সন্তান চুরি হয়ে গেছে বলে অভিনয় শুরু করেন তিনি।

শুক্রবার রাতে এ বিষয়ে চকরিয়া থানায় একটি অভিযোগও করেন জান্নাত। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্ত করে আসল ঘটনা উদঘাটন করে।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সন্তান জন্মের পর ওই রাতেই ১০ হাজার টাকা ও একটি থ্রি-পিসের বিনিময়ে স্থানীয় শাহাব উদ্দিনের স্ত্রী মিনু আরার কাছে বেচে দেন মা জান্নাত আরা বেগম। পরে মিনু আরা আবার ওই শিশুকে খুটাখালীর এক ব্যক্তির কাছে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

পুলিশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডুলাহাজারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন।

তিনি জানান, শিশুটিকে চুরি করা হয়নি। ১০ হাজার টাকা ও একটি থ্রি-পিসের লোভে মিনু আরার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে মা জান্নাত আরা। পরে মিনু আরা শিশুটিকে ৬০ হাজার টাকায় অন্য একজনের কাছে বিক্রি করে দিতে চাইলে কথা কাটাকাটির জেরে মিনু আরার বিরুদ্ধে সন্তান চুরির অভিযোগ করেন জান্নাত আরা।

চকরিয়া থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, শিশুটিকে চুরি করা হয়েছে বলে থানায় অভিযোগ করেছেন মা জান্নাত। এ ঘটনা জানতে পেরে যারা কিনেছিল তারাই নবজাতককে ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে যায়। চেয়ারম্যান শনিবার বিকেলে শিশুটিকে মায়ের কাছে হস্তান্তর করে।