ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা লুনা শামসুদ্দোহা না ফেরার দেশে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

না ফেরার দেশে চলে গেলেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা আর নেই।

বুধবার সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

বৃহস্পতিবার সকালে তার লাশ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পারিবারিক সূত্র তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোনো ব্যাংকের প্রথম নারী চেয়ারম্যান ছিলেন লুনা শামসুদ্দোহা। ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। এর আগে ২০১৬ সালের জুনে জনতা ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তার আগে ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন লুনা শামসুদ্দোহা।

লুনা সফটওয়্যার ফার্ম দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান হিসেবে অধিক পরিচিত ছিলেন। তার প্রতিষ্ঠান সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ই-গভর্নেন্স প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে ই-জিপি সিস্টেম অন্যতম। ২০০৭-২০০৮ সালে তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির (বিডব্লিউআইটি) ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশি নারী’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

২০১৩ সালে প্রযুক্তি খাতে নারীদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ও নারীর ক্ষমতায়নে গ্লোবাল উইমেন ইনভেন্টরস অ্যান্ড ইনোভেটরস নেটওয়ার্ক সম্মাননা লাভ করেন লুনা। দেশের অর্থনীতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড-২০১৭। এ ছাড়া একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে স্থানীয় সফটওয়্যার শিল্পে নিজের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে লুনা শামসুদ্দোহা অনন্যা টপ টেন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

এদিকে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, লুনা শামসুদ্দোহা দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে গেছেন।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তিনি একেবারে প্রথম থেকে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। সরকারের ই-জিপি সিস্টেমসহ অন্যান্য প্রকল্পে লুনা শামসুদ্দোহার গুরুত্বপূর্ণ অবদান অস্বীকার্য। শোকবার্তায় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী লুনা শামসুদ্দোহার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা লুনা শামসুদ্দোহা না ফেরার দেশে

আপডেট সময় ০৬:৫২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

না ফেরার দেশে চলে গেলেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা আর নেই।

বুধবার সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

বৃহস্পতিবার সকালে তার লাশ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পারিবারিক সূত্র তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোনো ব্যাংকের প্রথম নারী চেয়ারম্যান ছিলেন লুনা শামসুদ্দোহা। ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। এর আগে ২০১৬ সালের জুনে জনতা ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তার আগে ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন লুনা শামসুদ্দোহা।

লুনা সফটওয়্যার ফার্ম দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান হিসেবে অধিক পরিচিত ছিলেন। তার প্রতিষ্ঠান সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ই-গভর্নেন্স প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে ই-জিপি সিস্টেম অন্যতম। ২০০৭-২০০৮ সালে তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির (বিডব্লিউআইটি) ‘প্রযুক্তিতে বাংলাদেশি নারী’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

২০১৩ সালে প্রযুক্তি খাতে নারীদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ও নারীর ক্ষমতায়নে গ্লোবাল উইমেন ইনভেন্টরস অ্যান্ড ইনোভেটরস নেটওয়ার্ক সম্মাননা লাভ করেন লুনা। দেশের অর্থনীতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড-২০১৭। এ ছাড়া একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে স্থানীয় সফটওয়্যার শিল্পে নিজের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে লুনা শামসুদ্দোহা অনন্যা টপ টেন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

এদিকে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, লুনা শামসুদ্দোহা দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে গেছেন।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তিনি একেবারে প্রথম থেকে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। সরকারের ই-জিপি সিস্টেমসহ অন্যান্য প্রকল্পে লুনা শামসুদ্দোহার গুরুত্বপূর্ণ অবদান অস্বীকার্য। শোকবার্তায় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী লুনা শামসুদ্দোহার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।