ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ছোট ছোট নেতাদের টোপ দিচ্ছে সেনাবাহিনী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ‘বিভক্তি ও শাসন’ নীতি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী তাতমাদো। বিভিন্ন দল ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে বিভক্তির জাল ফেলে সেনাবিরোধী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হ্রাস করতে বিভিন্ন মানুষকে পক্ষে টানছে সেনারা। দিচ্ছে নানা সুবিধার টোপ।

সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতাদের হাত করে ক্ষমতায় জেঁকে বসার এ চেষ্টায় নেতাদের সাড়াকে ভালোভাবে নিচ্ছে না নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর সদস্য ও রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মী-সমর্থক। তারা একে বিশ্বাসঘাতকতা হিসাবে দেখছেন। আল-জাজিরা।

গত ১ ফেব্রুয়ারি জান্তা ক্ষমতা নেয়ার পর যেভাবে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছে, তা নজিরবিহীন। আগের প্রায় ৫০ বছরের সেনা শাসনের সময়ের চেয়ে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। এ কারণে রাজনৈতিক দল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রভাবশালী মানুষকে নিজেদের পক্ষে ভেড়াতে চাচ্ছে সেনারা। অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিল (এসএসি) গঠন করে জান্তা। এর প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং।

সেনাবিরোধী বিক্ষোভ দমাতে এসএসিতে প্রভাবশালীদের পদ দেয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে সেনাবাহিনী। অনেকে এতে যোগ দিচ্ছেন। আবার অনেকে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিচ্ছেন। ফিরিয়ে দেয়া সাধারণ মানুষের বাহবা পাচ্ছেন এবং যোগ দেয়া ব্যক্তিরা বিশ্বাসঘাতকতার তকমা পাচ্ছেন।

আইইয়ারওয়াদি কেন্দ্রীয় এলাকার কারেন ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর যুবক সাও মু দাও বলেন, এক সময় যে দলকে সমর্থন করতেন সেটিকে এখন বিশ্বাসঘাতক মনে করছেন তিনি। গত নভেম্বরের নির্বাচনের আগে কেইন পিপলস পার্টির প্রার্থী মাহন নেইং মুংয়ের জন্য ভোট চেয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে গেছেন। মুং তখন জয়ী হতে পারেননি। কিন্তু তিনি এখন সামরিক বাহিনীর এসএসিতে যোগ দিয়েছেন। সামরিক প্রশাসনে (এসএসি) তার যোগ দেওয়া আমি ও আমার বন্ধু মেনে নিতে পারিনি বলেও জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ছোট ছোট নেতাদের টোপ দিচ্ছে সেনাবাহিনী

আপডেট সময় ০১:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ‘বিভক্তি ও শাসন’ নীতি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী তাতমাদো। বিভিন্ন দল ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে বিভক্তির জাল ফেলে সেনাবিরোধী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হ্রাস করতে বিভিন্ন মানুষকে পক্ষে টানছে সেনারা। দিচ্ছে নানা সুবিধার টোপ।

সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতাদের হাত করে ক্ষমতায় জেঁকে বসার এ চেষ্টায় নেতাদের সাড়াকে ভালোভাবে নিচ্ছে না নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর সদস্য ও রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মী-সমর্থক। তারা একে বিশ্বাসঘাতকতা হিসাবে দেখছেন। আল-জাজিরা।

গত ১ ফেব্রুয়ারি জান্তা ক্ষমতা নেয়ার পর যেভাবে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ও অভ্যন্তরীণ চাপের মুখে পড়েছে, তা নজিরবিহীন। আগের প্রায় ৫০ বছরের সেনা শাসনের সময়ের চেয়ে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। এ কারণে রাজনৈতিক দল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রভাবশালী মানুষকে নিজেদের পক্ষে ভেড়াতে চাচ্ছে সেনারা। অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিল (এসএসি) গঠন করে জান্তা। এর প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং।

সেনাবিরোধী বিক্ষোভ দমাতে এসএসিতে প্রভাবশালীদের পদ দেয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে সেনাবাহিনী। অনেকে এতে যোগ দিচ্ছেন। আবার অনেকে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিচ্ছেন। ফিরিয়ে দেয়া সাধারণ মানুষের বাহবা পাচ্ছেন এবং যোগ দেয়া ব্যক্তিরা বিশ্বাসঘাতকতার তকমা পাচ্ছেন।

আইইয়ারওয়াদি কেন্দ্রীয় এলাকার কারেন ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর যুবক সাও মু দাও বলেন, এক সময় যে দলকে সমর্থন করতেন সেটিকে এখন বিশ্বাসঘাতক মনে করছেন তিনি। গত নভেম্বরের নির্বাচনের আগে কেইন পিপলস পার্টির প্রার্থী মাহন নেইং মুংয়ের জন্য ভোট চেয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে গেছেন। মুং তখন জয়ী হতে পারেননি। কিন্তু তিনি এখন সামরিক বাহিনীর এসএসিতে যোগ দিয়েছেন। সামরিক প্রশাসনে (এসএসি) তার যোগ দেওয়া আমি ও আমার বন্ধু মেনে নিতে পারিনি বলেও জানান তিনি।