ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

লোকদেখানো প্রতিবাদ, ট্রাম্পের পক্ষেই ভোট দিলেন ম্যাককনেল

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনার জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষারোপ করেছেন সিনেটে রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল।

তবে স্থানীয় সময় গত শনিবার সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসনের বিপক্ষেই ভোট দিয়েছেন তিনি। খবর সিএনএনের।

সাতজন রিপাবলিকান সিনেটর ট্রাম্পের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তারা হলেন- সিনেটর রিচার্ড বার, বিল কেসেডি, সুজান কলিন্স, লিসা মারকাউস্কি, মিট রমনি, বেন সাসেই ও প্যাট টোমি। সিনেটে অভিশংসন দণ্ড কার্যকর করার জন্য ১৭ জন রিপাবলিকান সিনেটরের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল।

প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের অভিশংসন প্রস্তাবের পক্ষে ১০ রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ভোট প্রদান করেছিলেন।

সিনেটে অভিশংসন আদালতে ৫৭-৪৩ ভোটে অভিশংসন থেকে বেঁচে যান ট্রাম্প। এর কিছু পরেই ম্যাককনেল ট্রাম্পের সমালোচনা করে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, ক্যাপিটল হিলে সহিংসতার ঘটনার আগে ট্রাম্পের আচরণ ছিল অসম্মানজনক ও কাণ্ডজ্ঞানহীন। ওই দিন সহিংসতা উসকে দেওয়ার ঘটনায় ট্রাম্প নৈতিকভাবে দায়ী।

দোষারোপ করলেও ক্ষমতার শেষ মেয়াদে ট্রাম্পের দ্রুত বিচারের জন্য সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন ম্যাককনেল।

সে সময় ম্যাককনেল বলেন, সাংবিধানিকভাবে ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করার উপায় নেই। জো বাইডেনের অভিষেকের আগে ট্রাম্পের বিচার অসম্ভব বলেও জানান ম্যাককনেল।
ম্যাককনেল বলেন, অভিশংসন কখনও যুক্তরাষ্ট্রের বিচার প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ফোরাম নয়। তবে ভবিষ্যতে ট্রাম্প ফৌজদারি অপরাধের বিচারের মুখে পড়তে পারেন।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসন দণ্ড থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। দণ্ড আরোপের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সিনেট সদস্যের ভোট দরকার ছিল। কিন্তু সেই ভোট পড়েনি। ফলে অভিশংসন আদালতের চূড়ান্ত ৫৭-৪৩ ভোটে বেঁচে যান ট্রাম্প।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

লোকদেখানো প্রতিবাদ, ট্রাম্পের পক্ষেই ভোট দিলেন ম্যাককনেল

আপডেট সময় ০৩:৩৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনার জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দোষারোপ করেছেন সিনেটে রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল।

তবে স্থানীয় সময় গত শনিবার সিনেটে ট্রাম্পের অভিশংসনের বিপক্ষেই ভোট দিয়েছেন তিনি। খবর সিএনএনের।

সাতজন রিপাবলিকান সিনেটর ট্রাম্পের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তারা হলেন- সিনেটর রিচার্ড বার, বিল কেসেডি, সুজান কলিন্স, লিসা মারকাউস্কি, মিট রমনি, বেন সাসেই ও প্যাট টোমি। সিনেটে অভিশংসন দণ্ড কার্যকর করার জন্য ১৭ জন রিপাবলিকান সিনেটরের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল।

প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের অভিশংসন প্রস্তাবের পক্ষে ১০ রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ভোট প্রদান করেছিলেন।

সিনেটে অভিশংসন আদালতে ৫৭-৪৩ ভোটে অভিশংসন থেকে বেঁচে যান ট্রাম্প। এর কিছু পরেই ম্যাককনেল ট্রাম্পের সমালোচনা করে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, ক্যাপিটল হিলে সহিংসতার ঘটনার আগে ট্রাম্পের আচরণ ছিল অসম্মানজনক ও কাণ্ডজ্ঞানহীন। ওই দিন সহিংসতা উসকে দেওয়ার ঘটনায় ট্রাম্প নৈতিকভাবে দায়ী।

দোষারোপ করলেও ক্ষমতার শেষ মেয়াদে ট্রাম্পের দ্রুত বিচারের জন্য সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন ম্যাককনেল।

সে সময় ম্যাককনেল বলেন, সাংবিধানিকভাবে ট্রাম্পকে দোষী সাব্যস্ত করার উপায় নেই। জো বাইডেনের অভিষেকের আগে ট্রাম্পের বিচার অসম্ভব বলেও জানান ম্যাককনেল।
ম্যাককনেল বলেন, অভিশংসন কখনও যুক্তরাষ্ট্রের বিচার প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ফোরাম নয়। তবে ভবিষ্যতে ট্রাম্প ফৌজদারি অপরাধের বিচারের মুখে পড়তে পারেন।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসন দণ্ড থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। দণ্ড আরোপের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সিনেট সদস্যের ভোট দরকার ছিল। কিন্তু সেই ভোট পড়েনি। ফলে অভিশংসন আদালতের চূড়ান্ত ৫৭-৪৩ ভোটে বেঁচে যান ট্রাম্প।