ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আপডেট সময় ০৭:৫২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।