ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি-সিরিয়ার ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি ও ৪০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা

ইয়াবার সঙ্গে মিলল দুই বস্তা টাকা

আপডেট সময় ০৭:৫২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ব্রিজের কাছাকাছি একটি ফ্রিশিং ট্রলার থেকে সাত বস্তায় ১৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। আর মাদক কারবারির বাড়িতে মিলেছে দুই বস্তা টাকা। তবে টাকার পরিমাণ জানা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে এক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় আটক করা হয় মাদক পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও।

সম্প্রতি সময়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবার বৃহৎ চালান আটকের ঘটনা এটি।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ার নজরুলের ছেলে মাদক কারবারি মোহাম্মদ ফারুক ও তার অন্যতম সহযোগী বাবু।

কক্সবাজারেরর পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ডিবি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি ফিশিং ট্রলার থেকে ইয়াবা ভর্তি সাতটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বস্তায় ২৫ থেকে ৩০ কাট ইয়াবা পাওয়া গেছে। যার পরিমাণ ১৪ লাখ পিস।

তিনি জানান, পরে কক্সবাজার শহরের উত্তর নুনিয়ারছড়ায় মোহাম্মদ ফারুকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। ওই বাড়ি থেকে দুই বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে- আটককৃতরা মিয়ানমার থেকে বিশাল একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই মরণ নেশা ইয়াবা এদেশে নিয়ে আসে। আশা করা যাচ্ছে আটককৃতদের দিয়েই পুলিশ এই সিন্ডিকেটের সর্বশেষ স্থানে পৌঁছাবে। তাছাড়া এই মাদক কারবারিদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পারবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত থেকে গোপন সংবাদে খবর পেয়ে ইয়াবা পাচারকারী চক্রটিকে আটকের জন্য অভিযানে নামে পুলিশ। জেলা পুলিশের এসপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী নদীর তীর থেকে এসপির নেতৃত্বে থাকা টিমটি এই বিশাল ইয়াবার চালান আটক করতে সফল হয়। এই সিন্ডিকেটের ২ সদস্য আটক হলেও বাকিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।