ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা পাবনায় বাস-অ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রোহিঙ্গা সংকট এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান হত্যা-নির্যাতনের কারণে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট এ মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, যা খুব সতর্কতার সঙ্গে মোকাবেলা করছে সরকার। শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা বলেছেন বলে জানান মন্ত্রী। গত ২৫ আগস্ট ভোররাতে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সীমান্ত পুলিশের সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যদের সংঘর্ষ হয়।

এর জের ধরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। ফলে ব্যাপকসংখ্যক রোহিঙ্গা হত্যা-ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়। জাতিসংঘ বলছে, এ অভিযানকালে তিন হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে এবং প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় চার লাখ মানুষ।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী অভিযোগ করেছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পুরুষদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে, নারীদের ধর্ষণ করছে আর মুসলিম-অধ্যুষিত গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দিচ্ছে। গত মঙ্গলবার কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের দেখতে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাত-আট লাখ যতই হোক আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার মানসিকতা আমাদের আছে। থাকা-খাওয়াসহ সব ধরনের সহযোগিতার ব্যবস্থা করবে সরকার।

এ সময় মিয়ানমারের নাগরিকদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্য দেশের নাগরিকদের দীর্ঘদিন আশ্রয় দিতে পারব না। চূড়ান্তভাবে মিয়ানমারকে তাদের ফিরিয়ে নিতে হবে। এজন্য জাতিসংঘ ও বিশ্ব নেতাদের সহযোগিতা চাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

রোহিঙ্গা সংকট এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: কাদের

আপডেট সময় ০২:৩২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান হত্যা-নির্যাতনের কারণে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট এ মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, যা খুব সতর্কতার সঙ্গে মোকাবেলা করছে সরকার। শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা বলেছেন বলে জানান মন্ত্রী। গত ২৫ আগস্ট ভোররাতে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সীমান্ত পুলিশের সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যদের সংঘর্ষ হয়।

এর জের ধরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। ফলে ব্যাপকসংখ্যক রোহিঙ্গা হত্যা-ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়। জাতিসংঘ বলছে, এ অভিযানকালে তিন হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে এবং প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় চার লাখ মানুষ।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী অভিযোগ করেছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পুরুষদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে, নারীদের ধর্ষণ করছে আর মুসলিম-অধ্যুষিত গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দিচ্ছে। গত মঙ্গলবার কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের দেখতে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সাত-আট লাখ যতই হোক আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার মানসিকতা আমাদের আছে। থাকা-খাওয়াসহ সব ধরনের সহযোগিতার ব্যবস্থা করবে সরকার।

এ সময় মিয়ানমারের নাগরিকদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্য দেশের নাগরিকদের দীর্ঘদিন আশ্রয় দিতে পারব না। চূড়ান্তভাবে মিয়ানমারকে তাদের ফিরিয়ে নিতে হবে। এজন্য জাতিসংঘ ও বিশ্ব নেতাদের সহযোগিতা চাই।