ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেন সৌরভ গাঙ্গুলী

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

পাঁচদিন হাসপাতালে থাকার পর রোববার (৩১ জানুয়ারি) ছুটি পেলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। এদিন ঠিক সকাল ১১টা নাগাদ সৌরভকে ডিসচার্জ করে অ্যাপোলো হাসপাতাল।

বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় গতবারের মতো সাংবাদিক এবং তার অগনিত ভক্তের উদ্দেশ্যে কিছুই বলেননি দাদা। সোজা গাড়িতে উঠে পড়েন।

এরপর চিকিৎসকদের প্রধান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আফতাব খান জানান, সৌরভ গাঙ্গুলী সুস্থ আছেন। তার হার্ট আর পাঁচজনের থেকে অনেক মজবুত। এখন নরমাল জীবনযাপন করতে পারবেন। চাইলে আজ থেকেই তার অফিসিয়াল কাজকর্ম করতে পারেন।

তবে গতবারের মতো এদিন হাসপাতাল থেকে তার বেহালার বাড়িতে ফিরতে সঙ্গে কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী যাননি। প্রসঙ্গত উডল্যান্ড থেকে ছুটি পাওয়ার পর ১ জন চিকিৎসক ও ৪ স্বাস্থ্যকর্মী হাসপাতাল থেকে গিয়েছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) এনজিওপ্ল্যাস্টি করে সৌরভের হৃদযন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বাকি দুই ধমনীতে রিং বসানো হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ভারতের দুই শীর্ষস্থানীয় কার্ডিওলজিস্ট দেবী শেঠি এবং অশ্বিনী মেহতা।

এছাড়া সঙ্গে ছিলেন আফতাব খান, সপ্তর্ষি বসু এবং সরোজ মন্ডল। এই তিন চিকিৎসক দক্ষিণ কলকাতার উডল্যান্ড হাসপাতালে গত ২ জানুয়ারি সৌরভের হৃদ ধমনীতে প্রথম রিং বসিয়েছিলেন।

ফলে ২১ দিনের ব্যবধানে তিন ধমনীতে তিনটি রিং সফলভাবে বসানো হয়েছিল ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক ও বিসিসিআই (ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড) প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলীর বুকে।

গত ২ জানুয়ারি সৌরভ গাঙ্গুলী নিজের বাড়িতেই ট্রেডমিল করার সময় সাময়িক ব্যাল্ক আউট হয়ে যান। ওইদিনই বুকে ব্যথা নিয়ে উডল্যান্ডসে ভর্তি হয়েছিলেন দাদা। পাঁচদিন হাসপাতালে থাকার পর ৭ জানুয়ারি ডিসচার্জ করে দেওয়া হয় তাকে।

এরপর ২০ দিনের ব্যবধানে বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে কলকাতার ইএম বাইপাস লাগোয় অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দাদাকে। ওইদিন রাতেই ইকো-কার্ডিওগ্রাম ও ইসিজি করা হয়। সেই রিপোর্টেও কিছু অসঙ্গতি‌ দেখা দেওয়ায় দেবী শেঠি, অশ্বিন মেহাতার তত্বাবধানে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা নাগাদ এনজিওগ্রাফি করা হয় এবং বিকেল পাঁচটা নাগাদ এনজিওপ্ল্যাস্টি করে বাকি দুই রিং বসানো হয় বুকে।

সফল ভাবে ওইদিন অস্ত্রপ্রচার হওয়ার পর রাতে ভালো ঘুম হয় বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপরই ধীরে ধীরে সুস্থবোধ করায় রোববার হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ করা হয় বাংলার মহারাজা সৌরভ গাঙ্গুলীকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেন সৌরভ গাঙ্গুলী

আপডেট সময় ০৮:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

পাঁচদিন হাসপাতালে থাকার পর রোববার (৩১ জানুয়ারি) ছুটি পেলেন সৌরভ গাঙ্গুলী। এদিন ঠিক সকাল ১১টা নাগাদ সৌরভকে ডিসচার্জ করে অ্যাপোলো হাসপাতাল।

বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় গতবারের মতো সাংবাদিক এবং তার অগনিত ভক্তের উদ্দেশ্যে কিছুই বলেননি দাদা। সোজা গাড়িতে উঠে পড়েন।

এরপর চিকিৎসকদের প্রধান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আফতাব খান জানান, সৌরভ গাঙ্গুলী সুস্থ আছেন। তার হার্ট আর পাঁচজনের থেকে অনেক মজবুত। এখন নরমাল জীবনযাপন করতে পারবেন। চাইলে আজ থেকেই তার অফিসিয়াল কাজকর্ম করতে পারেন।

তবে গতবারের মতো এদিন হাসপাতাল থেকে তার বেহালার বাড়িতে ফিরতে সঙ্গে কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী যাননি। প্রসঙ্গত উডল্যান্ড থেকে ছুটি পাওয়ার পর ১ জন চিকিৎসক ও ৪ স্বাস্থ্যকর্মী হাসপাতাল থেকে গিয়েছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) এনজিওপ্ল্যাস্টি করে সৌরভের হৃদযন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বাকি দুই ধমনীতে রিং বসানো হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ভারতের দুই শীর্ষস্থানীয় কার্ডিওলজিস্ট দেবী শেঠি এবং অশ্বিনী মেহতা।

এছাড়া সঙ্গে ছিলেন আফতাব খান, সপ্তর্ষি বসু এবং সরোজ মন্ডল। এই তিন চিকিৎসক দক্ষিণ কলকাতার উডল্যান্ড হাসপাতালে গত ২ জানুয়ারি সৌরভের হৃদ ধমনীতে প্রথম রিং বসিয়েছিলেন।

ফলে ২১ দিনের ব্যবধানে তিন ধমনীতে তিনটি রিং সফলভাবে বসানো হয়েছিল ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক ও বিসিসিআই (ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড) প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলীর বুকে।

গত ২ জানুয়ারি সৌরভ গাঙ্গুলী নিজের বাড়িতেই ট্রেডমিল করার সময় সাময়িক ব্যাল্ক আউট হয়ে যান। ওইদিনই বুকে ব্যথা নিয়ে উডল্যান্ডসে ভর্তি হয়েছিলেন দাদা। পাঁচদিন হাসপাতালে থাকার পর ৭ জানুয়ারি ডিসচার্জ করে দেওয়া হয় তাকে।

এরপর ২০ দিনের ব্যবধানে বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে কলকাতার ইএম বাইপাস লাগোয় অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় দাদাকে। ওইদিন রাতেই ইকো-কার্ডিওগ্রাম ও ইসিজি করা হয়। সেই রিপোর্টেও কিছু অসঙ্গতি‌ দেখা দেওয়ায় দেবী শেঠি, অশ্বিন মেহাতার তত্বাবধানে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা নাগাদ এনজিওগ্রাফি করা হয় এবং বিকেল পাঁচটা নাগাদ এনজিওপ্ল্যাস্টি করে বাকি দুই রিং বসানো হয় বুকে।

সফল ভাবে ওইদিন অস্ত্রপ্রচার হওয়ার পর রাতে ভালো ঘুম হয় বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপরই ধীরে ধীরে সুস্থবোধ করায় রোববার হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ করা হয় বাংলার মহারাজা সৌরভ গাঙ্গুলীকে।