ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল ইরানে বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি জানাল শিক্ষা বোর্ড

স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে নিজেই হাসপাতালে নিয়ে আসলেন নববধূ!

প্রতীকী ছবি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর গোপনাঙ্গে ব্লেড চালিয়ে দিয়েছেন এক নববধূ। পরে তিনি নিজেই তার স্বামীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে স্বামীকে হাসপাতালে ফেলেই তিনি পালিয়েছেন।

আহত ব্যক্তির নাম পলান সরকার (৩২)। তিনি নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের ফয়েন উদ্দিনের মেয়ে খদেজা খাতুনের (২৭) সঙ্গে কয়েক মাস আগে তার বিয়ে হয়। শুক্রবার সকালে বাবার বাড়িতেই এ কাণ্ড করেছেন খদেজা।

পলান সরকারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মৌসুমী ইসলাম বলেন, সকালে গুরুতর অবস্থায় পলান সরকারকে হাসপাতালে আনা হয়। তার গোপনাঙ্গ পুরোপুরি কাটেনি, কিন্তু খুব বাজেভাবে কেটেছে। প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল।

প্রথমে আহত ব্যক্তি স্বীকার করছিলেন না যে, তার স্ত্রী এই কাজ করেছেন। পরে তিনি স্বীকার করেন যে ব্লেড দিয়ে তার স্ত্রী কেটে দিয়েছেন। এরপর থেকে আমি আর তার স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে পাইনি।

আহত ব্যক্তি জানান, বিয়ের পর স্ত্রী বাবার বাড়িতেই থাকেন। মাঝে-মধ্যেই পলান সরকার তার স্ত্রীকে দেখতে শ্বশুর বাড়িতে আসতেন। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে শুক্রবার ভোরে দু’জনের ঝগড়া শুরু হয়। পরে তার স্বামী আবারও ঘুমোতে যান।

এই সুযোগে স্ত্রী খদেজা তার স্বামীর গোপনাঙ্গে ব্লেড চালিয়ে দেন। পরে রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরবর্তীতে সেখানকার অবস্থা বেগতিক দেখে বারান্দায় ফেলেই পালিয়ে যান।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, খবরটি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ববস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান

স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে নিজেই হাসপাতালে নিয়ে আসলেন নববধূ!

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর গোপনাঙ্গে ব্লেড চালিয়ে দিয়েছেন এক নববধূ। পরে তিনি নিজেই তার স্বামীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থা বেগতিক দেখে স্বামীকে হাসপাতালে ফেলেই তিনি পালিয়েছেন।

আহত ব্যক্তির নাম পলান সরকার (৩২)। তিনি নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের ফয়েন উদ্দিনের মেয়ে খদেজা খাতুনের (২৭) সঙ্গে কয়েক মাস আগে তার বিয়ে হয়। শুক্রবার সকালে বাবার বাড়িতেই এ কাণ্ড করেছেন খদেজা।

পলান সরকারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মৌসুমী ইসলাম বলেন, সকালে গুরুতর অবস্থায় পলান সরকারকে হাসপাতালে আনা হয়। তার গোপনাঙ্গ পুরোপুরি কাটেনি, কিন্তু খুব বাজেভাবে কেটেছে। প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল।

প্রথমে আহত ব্যক্তি স্বীকার করছিলেন না যে, তার স্ত্রী এই কাজ করেছেন। পরে তিনি স্বীকার করেন যে ব্লেড দিয়ে তার স্ত্রী কেটে দিয়েছেন। এরপর থেকে আমি আর তার স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে পাইনি।

আহত ব্যক্তি জানান, বিয়ের পর স্ত্রী বাবার বাড়িতেই থাকেন। মাঝে-মধ্যেই পলান সরকার তার স্ত্রীকে দেখতে শ্বশুর বাড়িতে আসতেন। কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে শুক্রবার ভোরে দু’জনের ঝগড়া শুরু হয়। পরে তার স্বামী আবারও ঘুমোতে যান।

এই সুযোগে স্ত্রী খদেজা তার স্বামীর গোপনাঙ্গে ব্লেড চালিয়ে দেন। পরে রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরবর্তীতে সেখানকার অবস্থা বেগতিক দেখে বারান্দায় ফেলেই পালিয়ে যান।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, খবরটি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ববস্থা নেওয়া হবে।