ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভয় পায় বলেই জনগণকে ভোট দিতে দেয় না: নজরুল ইসলাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, সরকারের জনপ্রিয়তা নেই বলে তারা ভোটার, রাজনৈতিক দল ও জনগণকে ভয় পায়। তারা জানে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তারা মোটেও জিততে পারবে না।

এটা আমাদের কথা না। তাদের নেতারাই বলতেছেন। পালানোর জায়গা পাবে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। এটাই বাস্তবতা। এজন্যই তারা জনগণকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেয় না।

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ২০ দলীয় জোটের শরিক জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমী ও মুসলিম লীগের সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খানের স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা অনেক আশা নিয়ে ত্যাগ স্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এ বছর আমরা সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। অথচ মুক্তিযুদ্ধের যে সুবর্ণ ফসল গণতন্ত্র সেই গণতন্ত্র আজ নেই। কারণ গণতন্ত্রের বাহন হলো নির্বাচন। নির্বাচন যদি সঠিক না হয়, তাহলে গণতন্ত্র থাকে না।

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি একবার হলো প্রার্থীহীন নির্বাচন। যেখানে তিনশর মধ্যে ১৫৩টি আসনে কোনো প্রার্থী ছিল না। আর একবার হলো আগের রাতে নির্বাচন। কেন এটা হলো। কেন একটা রাজনৈতিক দল জেতার জন্য কোনো বিশেষ বাহিনীর ওপর নির্ভর করে? কিংবা অন্যদের প্রার্থী হতে দেয় না। কিংবা ভোটার যাতে ভোট দিতে কেন্দ্রে যেতে না পারে তার চেষ্টা করে। কারণ তারা জানে জনগণ ভোট দিলে তারা মোটেই জিততে পারবে না।

নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, জাগপা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, ন্যাপ ভাসানীর সভাপতি অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমেদ আব্দুল কাদের প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভয় পায় বলেই জনগণকে ভোট দিতে দেয় না: নজরুল ইসলাম

আপডেট সময় ০৮:১৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, সরকারের জনপ্রিয়তা নেই বলে তারা ভোটার, রাজনৈতিক দল ও জনগণকে ভয় পায়। তারা জানে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তারা মোটেও জিততে পারবে না।

এটা আমাদের কথা না। তাদের নেতারাই বলতেছেন। পালানোর জায়গা পাবে না, ইত্যাদি ইত্যাদি। এটাই বাস্তবতা। এজন্যই তারা জনগণকে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেয় না।

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ২০ দলীয় জোটের শরিক জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমী ও মুসলিম লীগের সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খানের স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা অনেক আশা নিয়ে ত্যাগ স্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। এ বছর আমরা সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। অথচ মুক্তিযুদ্ধের যে সুবর্ণ ফসল গণতন্ত্র সেই গণতন্ত্র আজ নেই। কারণ গণতন্ত্রের বাহন হলো নির্বাচন। নির্বাচন যদি সঠিক না হয়, তাহলে গণতন্ত্র থাকে না।

তিনি বলেন, আমরা সবাই জানি একবার হলো প্রার্থীহীন নির্বাচন। যেখানে তিনশর মধ্যে ১৫৩টি আসনে কোনো প্রার্থী ছিল না। আর একবার হলো আগের রাতে নির্বাচন। কেন এটা হলো। কেন একটা রাজনৈতিক দল জেতার জন্য কোনো বিশেষ বাহিনীর ওপর নির্ভর করে? কিংবা অন্যদের প্রার্থী হতে দেয় না। কিংবা ভোটার যাতে ভোট দিতে কেন্দ্রে যেতে না পারে তার চেষ্টা করে। কারণ তারা জানে জনগণ ভোট দিলে তারা মোটেই জিততে পারবে না।

নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, জাগপা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান, এনপিপির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, ন্যাপ ভাসানীর সভাপতি অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমেদ আব্দুল কাদের প্রমুখ।