ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতি ১৭ বছর পর জুতা পরলেন বিএনপি ভক্ত সুরুজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ইফতার-সেহরির ব্যবস্থা করলেন জাইমা রহমান ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছাড়া আ.লীগ কার্যালয় খোলার সাহস পেত না: নাহিদ ইসলাম রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে ফুটবলার ওজিলের গাড়িবহর বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত সংস্কারের তাগিদ বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর সফল রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন: মির্জা ফখরুল আমরা শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করব না : ববি হাজ্জাজ সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে তবেই চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় বিএনপিকর্মীর মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ

ঢাকার জনঘনত্ব নির্ধারণে পরিকল্পনা করছে সরকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে আয়তনের আলোকে জনঘনত্ব নির্ধারণে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টোরোডে তার সরকারি বাসভবনে ‘মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের দুই বছর পূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) তত্ত্বাবধানে ২০ বছর মেয়াদী ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রণয়ন করা হচ্ছে। সম্প্রতি আমাকে এ মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব পাওয়ার পর আমি পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আমার কাছেও এটাই মনে হয়েছে যে, ভবনের উচ্চতা বাড়িয়ে জনসংখ্যা বাড়ালে শহরকে বাসযোগ্য রাখা সম্ভব হবে না। এজন্য বিজ্ঞান সম্মতভাবে এ শহরের আয়তন, সড়ক ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে জনঘনত্ব নির্ধারণ করতে হবে। সে লক্ষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ড্যাপ প্রণয়ন করা হচ্ছে। এটা বাস্তবায়নে সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শহর অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। প্রয়োজনের তুলনায় সড়ক অবকাঠামো নেই। আর ভবনের উচ্চতা বাড়ালে সড়ক অবকাঠামো সুবিধা দেয়া সম্ভব হবে না। তখন শহরের যানজট বাড়বে। সে কারণে যতটুকুন উচ্চতা হলে এ শহর বাস উপযোগী থাকবে, সে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, রাজউক পূর্বাচল শহর গড়ে তুলছে ১০ লাখ মানুষের বসবাসের চিন্তা করে। কিন্তু যেভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে তাতে ধারণা করা যায় যে, সেখানে অন্তত ৫০ লাখ মানুষ বসবাস করবে। আর এটা হলে চার লেনের সড়ক হলেও তাতে যানজট নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। এজন্য এসব বিষয় নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলে ধাপে ধাপে এ শহরকে বাসযোগ্য করা সম্ভব হবে। সে লক্ষ্যে আমি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

ঢাকার খাল পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, খাল দখলুমক্ত করা বা রাখার কাজটি অত্যন্ত কঠিন। এটা জনপ্রতিনিধিত্বশীল সংস্থা ছাড়া অন্য কাউকে দিয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সেই বিবেচনা করে আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর ঢাকার দুই মেয়রকে খালের দায়িত্ব নেয়ার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু, তৎকালীন দক্ষিণ সিটি মেয়র এ দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এজন্য সেসময় এটা করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বর্তমান দুই মেয়র দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাদেরকে বিষয়টি বুঝালে তারা দায়িত গ্রহণে আগ্রহী হওয়ায় যুগান্তকারী এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশনকে খালের দায়িত্ব দিয়েই আমার বা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শেষ করেনি। আমরা পরিকল্পনা করছি। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে খাল পুনরুদ্ধার ও টেকসই দখলমুক্ত রাখতে নানা চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। দুই সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ বিষয়ে শিগগিরই একটা সভা করবো। সেখানে দুই সিটি করপোরেশনকে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেয়া হবে। আর এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থা অর্থায়ন করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা নিজস্ব এবং দাতা সংস্থার অর্থায়নে খালগুলো পুনরুদ্ধারে প্রকল্প গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করবো।

গ্রামীণ অবকাঠামো সম্পর্কে তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গ্রামীণ সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের ব্যাপারে একটি গাইডলাইন করা হয়েছে। যে গাইনলাইনের আলোকে দেশের সকল এলাকার সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। যেমন-গ্রামীণ সড়কের প্রশ্বস্তা ১০ ফুট, ইউনিয়ন সড়কের প্রশ্বস্তা ১২ ফুট, উপজেলা পরিষদ সড়কের প্রশ্বস্ততা হবে ১৬ থেকে ২০ ফুট। এ গাইডলাইনে স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করে দেয়া হচ্ছে। সেটা অনুসরণ করলে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। শিগগিরই এটা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

পৌরসভার বেতন-ভাতা বকেয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর জানতে পারলাম অনেক পৌরসভা তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করছে না। যদিও আইন অনুযায়ী পৌরসভাগুলো নিজস্ব আয়ে চলার কথা। তখন গোড়ার গলদ বোঝার চেষ্টা করলাম। যেসব পৌরসভায় বেতন-ভাতা বকেয়া পড়ছে সেসব পৌরসভার জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধ করে দেই।

সেবা পেতে হলে ট্যাক্স দিতে হবে-জনগণকে বিষয়টি বোঝানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জনগণ স্বেচ্ছায় ট্যাক্স দেবে। এ উদ্যোগে আমরা অনেক সফলতা পেয়েছি। অনেক পৌরসভা আর্থিক সক্ষমতা বেড়েছে। এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। এরপরও সরকারের পক্ষ থেকে সমস্যাগ্রস্ত পৌরসভাগুলোকে সহায়তা দেয়া হবে। তবে আমরা পৌরসভার সক্ষমতা বাড়াতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।

ইউনিয়ন পরিষদ প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ কাঠামোকে শক্তিশালী করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

দুই মেয়রের কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, আমার নীতি হল সবাইকে নিয়ে কাজ করা। সেজন্য আমরা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যেকোন বিষয়ে আলোচনার জন্য সুযোগ রেখেছি। এ কারণে আমার কিছু সময় বেশি খরচ হলেও কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনা সহজতর হচ্ছে। এছাড়া সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ওয়াসা, এলজিইডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের যেকোনো প্রয়োজনে সহজেই আমরা সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ সকল ফাইলপত্র আমি দেখছি এবং বুঝে স্বাক্ষর করছি। এতে কাজের চাপ বাড়লেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি, অংশীদারিত্ব জোরদারে প্রতিশ্রুতি

ঢাকার জনঘনত্ব নির্ধারণে পরিকল্পনা করছে সরকার

আপডেট সময় ০৪:৫৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে আয়তনের আলোকে জনঘনত্ব নির্ধারণে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টোরোডে তার সরকারি বাসভবনে ‘মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের দুই বছর পূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) তত্ত্বাবধানে ২০ বছর মেয়াদী ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রণয়ন করা হচ্ছে। সম্প্রতি আমাকে এ মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব পাওয়ার পর আমি পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আমার কাছেও এটাই মনে হয়েছে যে, ভবনের উচ্চতা বাড়িয়ে জনসংখ্যা বাড়ালে শহরকে বাসযোগ্য রাখা সম্ভব হবে না। এজন্য বিজ্ঞান সম্মতভাবে এ শহরের আয়তন, সড়ক ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে জনঘনত্ব নির্ধারণ করতে হবে। সে লক্ষে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ড্যাপ প্রণয়ন করা হচ্ছে। এটা বাস্তবায়নে সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা শহর অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। প্রয়োজনের তুলনায় সড়ক অবকাঠামো নেই। আর ভবনের উচ্চতা বাড়ালে সড়ক অবকাঠামো সুবিধা দেয়া সম্ভব হবে না। তখন শহরের যানজট বাড়বে। সে কারণে যতটুকুন উচ্চতা হলে এ শহর বাস উপযোগী থাকবে, সে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, রাজউক পূর্বাচল শহর গড়ে তুলছে ১০ লাখ মানুষের বসবাসের চিন্তা করে। কিন্তু যেভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে তাতে ধারণা করা যায় যে, সেখানে অন্তত ৫০ লাখ মানুষ বসবাস করবে। আর এটা হলে চার লেনের সড়ক হলেও তাতে যানজট নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। এজন্য এসব বিষয় নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলে ধাপে ধাপে এ শহরকে বাসযোগ্য করা সম্ভব হবে। সে লক্ষ্যে আমি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

ঢাকার খাল পুনরুদ্ধার প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, খাল দখলুমক্ত করা বা রাখার কাজটি অত্যন্ত কঠিন। এটা জনপ্রতিনিধিত্বশীল সংস্থা ছাড়া অন্য কাউকে দিয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সেই বিবেচনা করে আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর ঢাকার দুই মেয়রকে খালের দায়িত্ব নেয়ার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু, তৎকালীন দক্ষিণ সিটি মেয়র এ দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এজন্য সেসময় এটা করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বর্তমান দুই মেয়র দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাদেরকে বিষয়টি বুঝালে তারা দায়িত গ্রহণে আগ্রহী হওয়ায় যুগান্তকারী এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশনকে খালের দায়িত্ব দিয়েই আমার বা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শেষ করেনি। আমরা পরিকল্পনা করছি। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে খাল পুনরুদ্ধার ও টেকসই দখলমুক্ত রাখতে নানা চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। দুই সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ বিষয়ে শিগগিরই একটা সভা করবো। সেখানে দুই সিটি করপোরেশনকে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেয়া হবে। আর এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থা অর্থায়ন করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা নিজস্ব এবং দাতা সংস্থার অর্থায়নে খালগুলো পুনরুদ্ধারে প্রকল্প গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করবো।

গ্রামীণ অবকাঠামো সম্পর্কে তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গ্রামীণ সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের ব্যাপারে একটি গাইডলাইন করা হয়েছে। যে গাইনলাইনের আলোকে দেশের সকল এলাকার সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। যেমন-গ্রামীণ সড়কের প্রশ্বস্তা ১০ ফুট, ইউনিয়ন সড়কের প্রশ্বস্তা ১২ ফুট, উপজেলা পরিষদ সড়কের প্রশ্বস্ততা হবে ১৬ থেকে ২০ ফুট। এ গাইডলাইনে স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করে দেয়া হচ্ছে। সেটা অনুসরণ করলে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। শিগগিরই এটা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

পৌরসভার বেতন-ভাতা বকেয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর জানতে পারলাম অনেক পৌরসভা তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করছে না। যদিও আইন অনুযায়ী পৌরসভাগুলো নিজস্ব আয়ে চলার কথা। তখন গোড়ার গলদ বোঝার চেষ্টা করলাম। যেসব পৌরসভায় বেতন-ভাতা বকেয়া পড়ছে সেসব পৌরসভার জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বন্ধ করে দেই।

সেবা পেতে হলে ট্যাক্স দিতে হবে-জনগণকে বিষয়টি বোঝানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জনগণ স্বেচ্ছায় ট্যাক্স দেবে। এ উদ্যোগে আমরা অনেক সফলতা পেয়েছি। অনেক পৌরসভা আর্থিক সক্ষমতা বেড়েছে। এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। এরপরও সরকারের পক্ষ থেকে সমস্যাগ্রস্ত পৌরসভাগুলোকে সহায়তা দেয়া হবে। তবে আমরা পৌরসভার সক্ষমতা বাড়াতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।

ইউনিয়ন পরিষদ প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ কাঠামোকে শক্তিশালী করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

দুই মেয়রের কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, আমার নীতি হল সবাইকে নিয়ে কাজ করা। সেজন্য আমরা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যেকোন বিষয়ে আলোচনার জন্য সুযোগ রেখেছি। এ কারণে আমার কিছু সময় বেশি খরচ হলেও কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনা সহজতর হচ্ছে। এছাড়া সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ওয়াসা, এলজিইডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের যেকোনো প্রয়োজনে সহজেই আমরা সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ সকল ফাইলপত্র আমি দেখছি এবং বুঝে স্বাক্ষর করছি। এতে কাজের চাপ বাড়লেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।