ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবশেষে ৭০ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরায়েল অসৎ কাজ থেকে বিরত থেকেছি, তাই আমার বুকের জোড় বেশি: মির্জা ফখরুল নির্বাচন ও গণভোটে কঠোর নিরাপত্তায়, সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে আর্থিক সংকটে পঙ্গু হতে চলেছে জাতিসংঘ, সতর্কবার্তা গুতেরেসের নওগাঁয় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল ৫ জনের ১৭ বছ‌রের গুম-খুন-কান্না, রিমান্ড অত‌্যাচার সহ্য ক‌রে‌ছি: পার্থ একটি দল টাকা দিয়ে ভোট কিনছে : সেলিমা রহমান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই: আবু সাঈদের বাবা ‘ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন’:মির্জা আব্বাস সরকারি কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না: ইসি সানাউল্লাহ

সমালোচনা যেন অন্ধের মতো না হয়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সমালোচনা থাকবে, সমালোচনা থাকতে হবে। কিন্তু সমালোচনা যেন অন্ধের মতো না হয়।

তিনি বলেন, যে অগ্রগতি হয়েছে সেটার প্রসংশা থাকতে হবে। একই সাথে গঠনমূলক সমালোচনা থাকতে হবে, তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সচিত্র বঙ্গবন্ধু’ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন ও বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের মহাপরিচালক স ম গোলাম কিবরিয়া বক্তব্য রাখেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি আমাদের উন্নয়ন অগগ্রযাত্রা বিএনপিসহ তার মিত্ররা দেখতে পায় না। একই সাথে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি, যারা অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা করেন তারাও এই উন্নয়ন অগ্রগতি দেখেন না। সরকার দায়িত্বে যেহেতু আছে সমালোচনা হবে, সমালোচনা থাকবে, সমালোচনা থাকতে হবে। কিন্তু সমালোচনা যেন অন্ধের মতো না হয়।

সরকারের এক যুগ পূর্তিতে বড় সফলতা ও বড় ব্যর্থতা কী, এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, একযুগ পূর্তিতে সরকারের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে— দেশের যেমন উন্নয়ন অগ্রগতি হয়েছে তেমনি প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। দারিদ্র্য কমেছে। বাংলাদেশে এখন ছেঁড়া কাপড় পরা মানুষ দেখা যায় না। বাংলাদেশে এখন খালি পায়ে মানুষ দেখা যায় না। বাংলাদেশে এখন কবিতায় কুঁড়েঘর আছে, আকাশ থেকে সহজে কুঁড়েঘর দেখা যায় না। এই পরিবর্তন ১২ বছরে শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১২ বছর আগে আমরা বলতাম ক্ষুধা এবং দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব। আমরা ক্ষুধাকে ইতোমধ্যেই জয় করতে সক্ষম হয়েছি। এখন আমাকে একটু বাসি ভাত দেন, সন্ধ্যার পরে শহরের অলিগলিতে কিংবা ভরদুপুরে গ্রাম-গ্রামান্তরে সেই ডাক শোনা যায় না। বাসি ভাতের সমস্যার সমাধান বঙ্গবন্ধুকন্যা গত ১২ বছরে করতে সক্ষম হয়েছেন।

বাংলাদেশ প্রায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ বছর মুনাফালোভীরা যাতে ‘প্রাইস হাই’ করতে না পারে সেজন্য চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চাল উৎপাদনে ঘাটতির জন্য নয়, মুনাফালোভীরা যাতে জনগণকে জিম্মি করতে না পারে সেজন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আরো বড় অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশ ছিল স্বল্পোন্নত দেশ। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আমাদের ব্যর্থতা হচ্ছে— স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও একটি বড় রাজনৈতিক দল যারা স্বাধীনতা চায়নি তাদের দিয়ে রাজনীতি করে, তাদের নিয়ে রাজনীতি করে। এই স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বাংলাদেশ থেকে নির্মূল হয়নি— এটি আমাদের ব্যর্থতা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

সমালোচনা যেন অন্ধের মতো না হয়

আপডেট সময় ০৯:০১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সমালোচনা থাকবে, সমালোচনা থাকতে হবে। কিন্তু সমালোচনা যেন অন্ধের মতো না হয়।

তিনি বলেন, যে অগ্রগতি হয়েছে সেটার প্রসংশা থাকতে হবে। একই সাথে গঠনমূলক সমালোচনা থাকতে হবে, তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সচিত্র বঙ্গবন্ধু’ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন ও বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের মহাপরিচালক স ম গোলাম কিবরিয়া বক্তব্য রাখেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি আমাদের উন্নয়ন অগগ্রযাত্রা বিএনপিসহ তার মিত্ররা দেখতে পায় না। একই সাথে কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি, যারা অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা করেন তারাও এই উন্নয়ন অগ্রগতি দেখেন না। সরকার দায়িত্বে যেহেতু আছে সমালোচনা হবে, সমালোচনা থাকবে, সমালোচনা থাকতে হবে। কিন্তু সমালোচনা যেন অন্ধের মতো না হয়।

সরকারের এক যুগ পূর্তিতে বড় সফলতা ও বড় ব্যর্থতা কী, এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, একযুগ পূর্তিতে সরকারের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে— দেশের যেমন উন্নয়ন অগ্রগতি হয়েছে তেমনি প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। দারিদ্র্য কমেছে। বাংলাদেশে এখন ছেঁড়া কাপড় পরা মানুষ দেখা যায় না। বাংলাদেশে এখন খালি পায়ে মানুষ দেখা যায় না। বাংলাদেশে এখন কবিতায় কুঁড়েঘর আছে, আকাশ থেকে সহজে কুঁড়েঘর দেখা যায় না। এই পরিবর্তন ১২ বছরে শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ১২ বছর আগে আমরা বলতাম ক্ষুধা এবং দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব। আমরা ক্ষুধাকে ইতোমধ্যেই জয় করতে সক্ষম হয়েছি। এখন আমাকে একটু বাসি ভাত দেন, সন্ধ্যার পরে শহরের অলিগলিতে কিংবা ভরদুপুরে গ্রাম-গ্রামান্তরে সেই ডাক শোনা যায় না। বাসি ভাতের সমস্যার সমাধান বঙ্গবন্ধুকন্যা গত ১২ বছরে করতে সক্ষম হয়েছেন।

বাংলাদেশ প্রায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ বছর মুনাফালোভীরা যাতে ‘প্রাইস হাই’ করতে না পারে সেজন্য চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চাল উৎপাদনে ঘাটতির জন্য নয়, মুনাফালোভীরা যাতে জনগণকে জিম্মি করতে না পারে সেজন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আরো বড় অর্জন হচ্ছে বাংলাদেশ ছিল স্বল্পোন্নত দেশ। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আমাদের ব্যর্থতা হচ্ছে— স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও একটি বড় রাজনৈতিক দল যারা স্বাধীনতা চায়নি তাদের দিয়ে রাজনীতি করে, তাদের নিয়ে রাজনীতি করে। এই স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বাংলাদেশ থেকে নির্মূল হয়নি— এটি আমাদের ব্যর্থতা।