ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারতকে ৬০০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার, টিকা আসবে ফেব্রুয়ারিতে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার ভ্যাকসিন কিনতে অগ্রিম টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাবে রোববার ৬০০ কোটি টাকার বেশি টাকা জমা দেয়া হবে। এর বিপরীতে সেরাম ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ সরকারকে একটি ব্যাংক গ্যারান্টিপত্র দেবে। স্বাস্থ্য অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট টিকা দিতে আগাম হিসেবে এ অর্থ নেবে। বাকি টাকা টিকা সরবরাহ শুরু করার পর দেয়া হবে।

চুক্তির ধারা অনুযায়ী, সেরামকে আগামী জুনের মধ্যে টিকা দিতে হবে, না হলে বাংলাদেশ অগ্রিম এ টাকা ফেরত নেবে।

সব কিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ টিকা আনতে পারবে বলে আশা করছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

শনিবারই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন দিয়েছে ভারতের সরকার। সুতরাং ভারতের ওই টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে টিকা আনার ব্যাপারে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট ও বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কেনার জন্য। তারই ধারাবাহিকতায় এ কাজ হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, যে কোনো টিকার দুটি দিক রয়েছে। একটি টিকা দেশে আনা এবং দ্বিতীয় হলো ভোক্তাপর্যায়ে পৌঁছে দেয়া।

টিকা যাতে সরাসরি কেনা যায়, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদফতরকে অনুমোদন দিয়েছেন। টিকা আনার পর সংরক্ষণের জন্য কোল্ড চেইন মেইনটেন করতে হবে। সে জন্য বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

টিকা দেয়ার জন্য সারা দেশে ২৬ হাজার স্বাস্থ্য সহকারী এবং সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক কাজ করবেন। খুব শিগগির তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ভারতকে ৬০০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার, টিকা আসবে ফেব্রুয়ারিতে

আপডেট সময় ১২:৩৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার ভ্যাকসিন কিনতে অগ্রিম টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাবে রোববার ৬০০ কোটি টাকার বেশি টাকা জমা দেয়া হবে। এর বিপরীতে সেরাম ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ সরকারকে একটি ব্যাংক গ্যারান্টিপত্র দেবে। স্বাস্থ্য অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট টিকা দিতে আগাম হিসেবে এ অর্থ নেবে। বাকি টাকা টিকা সরবরাহ শুরু করার পর দেয়া হবে।

চুক্তির ধারা অনুযায়ী, সেরামকে আগামী জুনের মধ্যে টিকা দিতে হবে, না হলে বাংলাদেশ অগ্রিম এ টাকা ফেরত নেবে।

সব কিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ টিকা আনতে পারবে বলে আশা করছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

শনিবারই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন দিয়েছে ভারতের সরকার। সুতরাং ভারতের ওই টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে টিকা আনার ব্যাপারে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইন্সটিটিউট ও বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কেনার জন্য। তারই ধারাবাহিকতায় এ কাজ হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, যে কোনো টিকার দুটি দিক রয়েছে। একটি টিকা দেশে আনা এবং দ্বিতীয় হলো ভোক্তাপর্যায়ে পৌঁছে দেয়া।

টিকা যাতে সরাসরি কেনা যায়, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদফতরকে অনুমোদন দিয়েছেন। টিকা আনার পর সংরক্ষণের জন্য কোল্ড চেইন মেইনটেন করতে হবে। সে জন্য বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

টিকা দেয়ার জন্য সারা দেশে ২৬ হাজার স্বাস্থ্য সহকারী এবং সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক কাজ করবেন। খুব শিগগির তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু হবে।