ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চট্টগ্রামকে হারিয়ে ফাইনালে খুলনা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে উঠল জেমকন খুলনা। সোমবার টুর্নামেন্টের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে ৪৭ রানে হারিয়েছে তারা। তবে, হারলেও ফাইনালে ওঠার সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি চট্টগ্রামের। আগামীকাল (মঙ্গলবার) ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বেক্সিমকো ঢাকার মুখোমুখি হবে তারা। ফাইনাল ম্যাচ হবে ১৮ ডিসেম্বর।

এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে খুলনার দেয়া ২১১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৪ ওভারে ১৬৩ রান করে অলআউট হয় চট্টগ্রাম। দলের পক্ষে ৩৫ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৫৩ রান করেন মোহাম্মদ মিথুন।

খুলনার বোলারদের মধ্যে মাশরাফি বিন মর্তুজা ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৫টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া হাসান মাহমুদ ২টি, সাকিব আল হাসান ১টি ও আরিফুল হক ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

বড় টার্গেট সামনে নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। মাশরাফির বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ হন সৌম্য। তবে, অপর ওপেনার লিটন শুরু থেকে মেরে খেলছিলেন। তিনিও মাশরাফির শিকার হন। চতুর্থ ওভারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি। ১৩ বলে ২৪ রান করেন লিটন।

পরে মিথুন এবং মাহমুদুলের ব্যাটে দারুণভাবে এগোতে থাকে চট্টগ্রাম। এই দুই ব্যাটসম্যান ৭৩ রানের পার্টনারশিপ করেন। এই জুটিও ভাঙেন মাশরাফি। ১২তম ওভারে ডিপ পয়েন্টে ইমরুলের হাতে ক্যাচ হন মাহমুদুল হাসান জয়।

তবে, লড়াই করে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক মিথুন। ৩০ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশত পূরণ করেন তিনি। কিন্তু এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৪তম ওভারে আরিফুলের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। ১৬তম ওভারে সাকিবের বলে লং-অফে ক্যাচ হন মোসাদ্দেক। পরে সৈকত আলী নেমে ৪ বলে ৫ রান করে হাসান মাহমুদের শিকার হন।

১৮তম ওভারে শামসুর রহমান ও মোস্তাফিজকে ফিরিয়ে মাশরাফি ৫ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব অর্জন করেন। দলীয় ১৫৮ রানে বোলার হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ হন নাহিদুল। শেষ ওভারে শেষ উইকেটটি নেন আরিফুল। রিয়াদের হাতে ক্যাচ হন শরিফুল।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২১০ রান সংগ্রহ করে খুলনা। ৫১ বলে ৫টি চার ও চারটি ছক্কার সাহায্যে ৮০ রান করেন ওপেনার জহুরুল ইসলাম। ৯ বলে ২ চার ও তিন ছক্কায় ৩০ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এছাড়া ১২ বলে ২৫ করেন ইমরুল কায়েস। ১৫ বলে ২৮ করেন সাকিব আল হাসান। ৯ বলে ১৫ করেন আরিফুল হক। চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান ২টি, মোসাদ্দেক হোসেন ১টি ও সঞ্জিত সাহা ১টি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

ফল: ৪৭ রানে জয়ী জেমকন খুলনা।

জেমকন খুলনা: ২১০/৭ (২০ ওভার)

(জহুরুল ৮০, জাকির ১৬, ইমরুল ২৫, সাকিব ২৮, মাহমুদউল্লাহ ৩০, আরিফুল ১৫, শুভাগত ০*, শামীম ১, মাশরাফি ৬*; নাহিদুল ০/২১, শরিফুল ০/৪৭, সঞ্জিত ১/৫০, মোস্তাফিজ ২/৩১, সৌম্য ০/৩১, মোসাদ্দেক ১/২৭)।

গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম: ১৬৩ (১৯.৪ ওভার)

(লিটন ২৪, সৌম্য ০, মাহমুদুল ৩১, মিথুন ৫৩, মোসাদ্দেক ১৭, শামসুর ১৮, সৈকত আলী ৫, নাহিদুল ৪, মোস্তাফিজ ০, সঞ্জিত ২*, শরিফুল ০; মাশরাফি ৫/৩৫, আল-আমিন হোসেন ০/৩২, সাকিব ১/৩২, হাসান মাহমুদ ২/৩৫, আরিফুল ২/২৬)।

ম্যাচসেরা: মাশরাফি বিন মর্তুজা (জেমকন খুলনা)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

চট্টগ্রামকে হারিয়ে ফাইনালে খুলনা

আপডেট সময় ১০:০৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে উঠল জেমকন খুলনা। সোমবার টুর্নামেন্টের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে ৪৭ রানে হারিয়েছে তারা। তবে, হারলেও ফাইনালে ওঠার সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি চট্টগ্রামের। আগামীকাল (মঙ্গলবার) ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বেক্সিমকো ঢাকার মুখোমুখি হবে তারা। ফাইনাল ম্যাচ হবে ১৮ ডিসেম্বর।

এদিন মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে খুলনার দেয়া ২১১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৪ ওভারে ১৬৩ রান করে অলআউট হয় চট্টগ্রাম। দলের পক্ষে ৩৫ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৫৩ রান করেন মোহাম্মদ মিথুন।

খুলনার বোলারদের মধ্যে মাশরাফি বিন মর্তুজা ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৫টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া হাসান মাহমুদ ২টি, সাকিব আল হাসান ১টি ও আরিফুল হক ২টি করে উইকেট শিকার করেন।

বড় টার্গেট সামনে নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। মাশরাফির বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ হন সৌম্য। তবে, অপর ওপেনার লিটন শুরু থেকে মেরে খেলছিলেন। তিনিও মাশরাফির শিকার হন। চতুর্থ ওভারে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি। ১৩ বলে ২৪ রান করেন লিটন।

পরে মিথুন এবং মাহমুদুলের ব্যাটে দারুণভাবে এগোতে থাকে চট্টগ্রাম। এই দুই ব্যাটসম্যান ৭৩ রানের পার্টনারশিপ করেন। এই জুটিও ভাঙেন মাশরাফি। ১২তম ওভারে ডিপ পয়েন্টে ইমরুলের হাতে ক্যাচ হন মাহমুদুল হাসান জয়।

তবে, লড়াই করে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক মিথুন। ৩০ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশত পূরণ করেন তিনি। কিন্তু এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৪তম ওভারে আরিফুলের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। ১৬তম ওভারে সাকিবের বলে লং-অফে ক্যাচ হন মোসাদ্দেক। পরে সৈকত আলী নেমে ৪ বলে ৫ রান করে হাসান মাহমুদের শিকার হন।

১৮তম ওভারে শামসুর রহমান ও মোস্তাফিজকে ফিরিয়ে মাশরাফি ৫ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব অর্জন করেন। দলীয় ১৫৮ রানে বোলার হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ হন নাহিদুল। শেষ ওভারে শেষ উইকেটটি নেন আরিফুল। রিয়াদের হাতে ক্যাচ হন শরিফুল।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২১০ রান সংগ্রহ করে খুলনা। ৫১ বলে ৫টি চার ও চারটি ছক্কার সাহায্যে ৮০ রান করেন ওপেনার জহুরুল ইসলাম। ৯ বলে ২ চার ও তিন ছক্কায় ৩০ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এছাড়া ১২ বলে ২৫ করেন ইমরুল কায়েস। ১৫ বলে ২৮ করেন সাকিব আল হাসান। ৯ বলে ১৫ করেন আরিফুল হক। চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান ২টি, মোসাদ্দেক হোসেন ১টি ও সঞ্জিত সাহা ১টি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :

ফল: ৪৭ রানে জয়ী জেমকন খুলনা।

জেমকন খুলনা: ২১০/৭ (২০ ওভার)

(জহুরুল ৮০, জাকির ১৬, ইমরুল ২৫, সাকিব ২৮, মাহমুদউল্লাহ ৩০, আরিফুল ১৫, শুভাগত ০*, শামীম ১, মাশরাফি ৬*; নাহিদুল ০/২১, শরিফুল ০/৪৭, সঞ্জিত ১/৫০, মোস্তাফিজ ২/৩১, সৌম্য ০/৩১, মোসাদ্দেক ১/২৭)।

গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম: ১৬৩ (১৯.৪ ওভার)

(লিটন ২৪, সৌম্য ০, মাহমুদুল ৩১, মিথুন ৫৩, মোসাদ্দেক ১৭, শামসুর ১৮, সৈকত আলী ৫, নাহিদুল ৪, মোস্তাফিজ ০, সঞ্জিত ২*, শরিফুল ০; মাশরাফি ৫/৩৫, আল-আমিন হোসেন ০/৩২, সাকিব ১/৩২, হাসান মাহমুদ ২/৩৫, আরিফুল ২/২৬)।

ম্যাচসেরা: মাশরাফি বিন মর্তুজা (জেমকন খুলনা)।