ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

ঝুড়িতে সীমান্ত পার যমজ নবজাতকের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গা গোষ্ঠীর বাংলাদেশে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে রোদ-বৃষ্টিতে পাহাড়, বন-জঙ্গলসহ বিভিন্ন দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তারা বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত ও এর আশপাশ এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছে।

শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই বাংলাদেশের আশ্রয় প্রার্থী। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ভারে করে বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে বহন করছে সন্তান, ছেলের কাঁধে চড়ে বাবার নিরাপদে ফেরা। এরই মধ্যে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচআর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যাতে দেখা যায়, মাত্র কয়েক দিনের দু’টি রোহিঙ্গা যমজ শিশু একটি ঝুড়িতে পাশাপাশি শুয়ে আছে। পাশে একজন তাদের ওপর থেকে কম্বল সরিয়ে মুখমণ্ডল দেখার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আসা এই দুই শিশুর ভিডিও ইন্টারনেটে প্রকাশ করে রোহিঙ্গাদের দুঃসহ মানবেতর জীবনের জন্য সহানুভূতি প্রত্যাশা করা হয়েছে। অপর একটি দৃশ্যে দুই যমজ শিশুকে দাড়িপাল্লা চড়িয়ে ওজন মাপতে দেখা যায়। পরক্ষণেই চিকিৎসক দুই শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। ভিডিও দেখে বোঝা যাচ্ছে, মিয়ানমার থেকে নবজাতক দুই যমজ শিশুকে ঝুড়িতে বহন করে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ আনা হয়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্য মতে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতায় গত ২৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ঠাঁই নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট রাখাইনে বেশ কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে কোনো এক বিদ্রোহী গোষ্ঠী হামলা চালায়। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্যসহ নিহত হন ৭০ জনের বেশি মানুষ। ওই হামলার জন্য দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে দায়ী করে তাদের ওপর নির্বাচারে নির্যাতন ও হত্যা শুরু করে। এরপর থেকেই রাখাইন রাজ্য থেকে কক্সবাজারের টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নাফ নদী পার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসতে শুরু করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

ঝুড়িতে সীমান্ত পার যমজ নবজাতকের

আপডেট সময় ১১:২৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গা গোষ্ঠীর বাংলাদেশে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে রোদ-বৃষ্টিতে পাহাড়, বন-জঙ্গলসহ বিভিন্ন দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তারা বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত ও এর আশপাশ এলাকায় আশ্রয় নিচ্ছে।

শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই বাংলাদেশের আশ্রয় প্রার্থী। গত কয়েক দিনে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ভারে করে বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে বহন করছে সন্তান, ছেলের কাঁধে চড়ে বাবার নিরাপদে ফেরা। এরই মধ্যে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচআর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যাতে দেখা যায়, মাত্র কয়েক দিনের দু’টি রোহিঙ্গা যমজ শিশু একটি ঝুড়িতে পাশাপাশি শুয়ে আছে। পাশে একজন তাদের ওপর থেকে কম্বল সরিয়ে মুখমণ্ডল দেখার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আসা এই দুই শিশুর ভিডিও ইন্টারনেটে প্রকাশ করে রোহিঙ্গাদের দুঃসহ মানবেতর জীবনের জন্য সহানুভূতি প্রত্যাশা করা হয়েছে। অপর একটি দৃশ্যে দুই যমজ শিশুকে দাড়িপাল্লা চড়িয়ে ওজন মাপতে দেখা যায়। পরক্ষণেই চিকিৎসক দুই শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। ভিডিও দেখে বোঝা যাচ্ছে, মিয়ানমার থেকে নবজাতক দুই যমজ শিশুকে ঝুড়িতে বহন করে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ আনা হয়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্য মতে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতায় গত ২৫ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ঠাঁই নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট রাখাইনে বেশ কয়েকটি তল্লাশিচৌকিতে কোনো এক বিদ্রোহী গোষ্ঠী হামলা চালায়। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর ১২ সদস্যসহ নিহত হন ৭০ জনের বেশি মানুষ। ওই হামলার জন্য দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে দায়ী করে তাদের ওপর নির্বাচারে নির্যাতন ও হত্যা শুরু করে। এরপর থেকেই রাখাইন রাজ্য থেকে কক্সবাজারের টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে নাফ নদী পার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসতে শুরু করে।