ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কোনো জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না: রেলমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের কোনো জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল জেলা এই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন (নাছিম)-এর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এ কথা বলেন।

আ ফ ম বাহাউদ্দিনের তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের আরো ১৫টি জেলাকে রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে সরকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, রেলওয়ের যেসব প্রকল্প চলমান রয়েছে এগুলো বাস্তবায়িত হলে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের ৯টি জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। জেলাগুলো হলো- মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বান্দরবান, কক্সবাজার ও নড়াইল।

মুজিবুল হক বলেন, সরকার ২০১০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের আরো ৬টি জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। জেলাগুলো হলো- শেরপুর, ঝালকাঠি, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, পটুয়াখালী ও বরগুনা।

মন্ত্রী বলেন, সরকার গৃহীত পরিকল্পনার আওতায় রেলপথ সম্প্রসারণের চলমান প্রকল্পগুলো হলো- দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের সন্নিকটস্থ গুনদুম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ সিঙ্গেল রেলওয়ে লাইন নির্মাাণ, কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া সেকশনের পুনর্বাসন এবং কাশিয়ানী-গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া নতুন রেলপথ নির্মাণ, খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ, পাঁচুরিয়া-ফরিদপুর-ভাঙ্গা রেলপথ পুনর্বাসন ও নির্মাণ, ঈশ্বরদী থেকে পাবনা হয়ে ঢালারচর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, বিশদ নকশা প্রণয়ন ও দরপত্র দলিল প্রস্তুতসহ ভাঙ্গা জংশন (ফরিদপুর) থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগ নির্মাণ (বাংলাদেশ অংশ), চট্টগ্রামের জানালীহাট স্টেশন-চুয়েট-কাপ্তাই পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যশোরের নাভারণ থেকে সাতক্ষীরা হয়ে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজট রেললাইন নির্মাণ। বাসস

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কোনো জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না: রেলমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের কোনো জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল জেলা এই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন (নাছিম)-এর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এ কথা বলেন।

আ ফ ম বাহাউদ্দিনের তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের আরো ১৫টি জেলাকে রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে সরকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, রেলওয়ের যেসব প্রকল্প চলমান রয়েছে এগুলো বাস্তবায়িত হলে ২০২২ সালের মধ্যে দেশের ৯টি জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। জেলাগুলো হলো- মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বান্দরবান, কক্সবাজার ও নড়াইল।

মুজিবুল হক বলেন, সরকার ২০১০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০ বছর মেয়াদী মহাপরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের আরো ৬টি জেলা রেলওয়ের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। জেলাগুলো হলো- শেরপুর, ঝালকাঠি, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, পটুয়াখালী ও বরগুনা।

মন্ত্রী বলেন, সরকার গৃহীত পরিকল্পনার আওতায় রেলপথ সম্প্রসারণের চলমান প্রকল্পগুলো হলো- দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের সন্নিকটস্থ গুনদুম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ সিঙ্গেল রেলওয়ে লাইন নির্মাাণ, কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া সেকশনের পুনর্বাসন এবং কাশিয়ানী-গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া নতুন রেলপথ নির্মাণ, খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ, পাঁচুরিয়া-ফরিদপুর-ভাঙ্গা রেলপথ পুনর্বাসন ও নির্মাণ, ঈশ্বরদী থেকে পাবনা হয়ে ঢালারচর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, বিশদ নকশা প্রণয়ন ও দরপত্র দলিল প্রস্তুতসহ ভাঙ্গা জংশন (ফরিদপুর) থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগ নির্মাণ (বাংলাদেশ অংশ), চট্টগ্রামের জানালীহাট স্টেশন-চুয়েট-কাপ্তাই পর্যন্ত ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যশোরের নাভারণ থেকে সাতক্ষীরা হয়ে মুন্সিগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজট রেললাইন নির্মাণ। বাসস