ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মেসিকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন না রোনালদো

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

গত প্রায় ১ যুগ ধরে মেসি ও রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলের বহুল চর্চিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। দুজনের মধ্যে কে সেরা, এই নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবলবিশ্ব।

তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই নানান গুঞ্জন শোনা গেছে। ভক্ত-সমর্থকদের চোখেও তারা পরস্পরের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু খোদ রোনালদো জানালেন, মেসিকে তিনি কখনোই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভাবেন না।
বার্সাকে তাদের মাঠেই বিধ্বস্ত করার পর মেসির ব্যাপারে বেশ আন্তরিক দেখা গেল রোনালদোকে।

‘মোভিস্টার’কে এই জুভ তারকা বলেন, ‘মেসির সঙ্গে আমার সম্পর্ক সবসময়েই ভালো। আমি ১২, ১৩ কিংবা ১৪ বছর বছর ধরে ওর সঙ্গে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছি। তাকে কখনোই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখিনি। সে তার জন্য সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে, আমিও তাই করি। ওকে বরং আমি পছন্দই করি। ওকে জিজ্ঞেস করলে একই কথা বলবে। আসল ব্যাপারটা হচ্ছে, ফুটবলে উত্তেজনা আনার জন্য মানুষ সবসময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা খোঁজে। কিন্তু আমি তার সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রেখেছি। ‘

মঙ্গলবার রাতে বার্সাকে জেতানোর জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন লিওনেল মেসিও। সুযোগ তৈরি করেছেন, গোল করার কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিলেন কয়েকবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে চেয়ে চেয়ে দেখতে হলো কথিত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সাফল্য। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ ‘জি’ এর ম্যাচে মেসির বার্সাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রোনালদোর জুভেন্টাস। ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন পর্তুগিজ উইঙ্গার।

রোনালদোর আলোক ঝলমলে পারফরম্যান্সের রাতে মেসি যে বিবর্ণ ছিলেন তা কিন্তু নয়। পুরো ম্যাচে ১১টি শট নিয়েছেন বার্সা ফরোয়ার্ড, যার ৭টি আবার ছিল গোলমুখে। ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে গোল না করেও এককভাবে এর চেয়ে বেশি শট আর কেউ নিতে পারেনি।

কিন্তু পুরো ম্যাচে অনেকটা নিষ্প্রভ থেকেও দুই সফল স্পট কিকে রোনালদোই নায়ক হয়ে উঠলেন। ম্যাচে নিজের প্রথম গোলটি চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সার বিপক্ষে ষষ্ঠবারের দেখায় তার প্রথম। দ্বিতীয় গোল করে প্রতিযোগিতায় তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ালো ১৩৪-এ। শেষ পর্যন্ত রোনালদো ঝলকে ভর করেই জয় নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠল জুভেন্টাস। আগেরবার তুরিনে ২-০ গোলে হারের পর এবারের জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন তকমা তাদেরই প্রাপ্য ছিল বলে দাবি রোনালদোর, ‘আপনি যদি ক্যাম্প ন্যুয়ে ৩ গোল করতে পারেন, তাহলে কোনো সন্দেহ নেই শীর্ষস্থান আপনারই প্রাপ্য। যদিও বার্সা ভালো খেলছে না, তবুও এই জয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। ‘

বহুদিন পর স্পেনে ফিরেছেন রোনালদো। অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে যাওয়ার পর ভ্যালেন্সিয়া এবং অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে নেমেছিলেন তিনি। তবে এতদিন পর স্পেনে ফিরে বেশ খুশি রোনালদো, ‘স্পেন এবং বিশেষ করে কাতালুনিয়ায় ফিরতে পেরে দারুণ লাগছে। ক্যাম্প ন্যুয়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের মুখোমুখি হওয়া সত্যিই কঠিন। তবে আজ আমরা চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছি। আমরা শক্তিশালী একটি পরিবারের মতো ছিলাম। এভাবে খেলতে থাকলে এই মৌসুমে আমাদের কোনোকিছুকেই ভয় পাওয়ার দরকার নেই। ‘

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মেসিকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন না রোনালদো

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

গত প্রায় ১ যুগ ধরে মেসি ও রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলের বহুল চর্চিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। দুজনের মধ্যে কে সেরা, এই নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ফুটবলবিশ্ব।

তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই নানান গুঞ্জন শোনা গেছে। ভক্ত-সমর্থকদের চোখেও তারা পরস্পরের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু খোদ রোনালদো জানালেন, মেসিকে তিনি কখনোই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভাবেন না।
বার্সাকে তাদের মাঠেই বিধ্বস্ত করার পর মেসির ব্যাপারে বেশ আন্তরিক দেখা গেল রোনালদোকে।

‘মোভিস্টার’কে এই জুভ তারকা বলেন, ‘মেসির সঙ্গে আমার সম্পর্ক সবসময়েই ভালো। আমি ১২, ১৩ কিংবা ১৪ বছর বছর ধরে ওর সঙ্গে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছি। তাকে কখনোই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখিনি। সে তার জন্য সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে, আমিও তাই করি। ওকে বরং আমি পছন্দই করি। ওকে জিজ্ঞেস করলে একই কথা বলবে। আসল ব্যাপারটা হচ্ছে, ফুটবলে উত্তেজনা আনার জন্য মানুষ সবসময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা খোঁজে। কিন্তু আমি তার সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রেখেছি। ‘

মঙ্গলবার রাতে বার্সাকে জেতানোর জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন লিওনেল মেসিও। সুযোগ তৈরি করেছেন, গোল করার কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিলেন কয়েকবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে চেয়ে চেয়ে দেখতে হলো কথিত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সাফল্য। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ ‘জি’ এর ম্যাচে মেসির বার্সাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রোনালদোর জুভেন্টাস। ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন পর্তুগিজ উইঙ্গার।

রোনালদোর আলোক ঝলমলে পারফরম্যান্সের রাতে মেসি যে বিবর্ণ ছিলেন তা কিন্তু নয়। পুরো ম্যাচে ১১টি শট নিয়েছেন বার্সা ফরোয়ার্ড, যার ৭টি আবার ছিল গোলমুখে। ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে গোল না করেও এককভাবে এর চেয়ে বেশি শট আর কেউ নিতে পারেনি।

কিন্তু পুরো ম্যাচে অনেকটা নিষ্প্রভ থেকেও দুই সফল স্পট কিকে রোনালদোই নায়ক হয়ে উঠলেন। ম্যাচে নিজের প্রথম গোলটি চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সার বিপক্ষে ষষ্ঠবারের দেখায় তার প্রথম। দ্বিতীয় গোল করে প্রতিযোগিতায় তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ালো ১৩৪-এ। শেষ পর্যন্ত রোনালদো ঝলকে ভর করেই জয় নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠল জুভেন্টাস। আগেরবার তুরিনে ২-০ গোলে হারের পর এবারের জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন তকমা তাদেরই প্রাপ্য ছিল বলে দাবি রোনালদোর, ‘আপনি যদি ক্যাম্প ন্যুয়ে ৩ গোল করতে পারেন, তাহলে কোনো সন্দেহ নেই শীর্ষস্থান আপনারই প্রাপ্য। যদিও বার্সা ভালো খেলছে না, তবুও এই জয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। ‘

বহুদিন পর স্পেনে ফিরেছেন রোনালদো। অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে যাওয়ার পর ভ্যালেন্সিয়া এবং অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে নেমেছিলেন তিনি। তবে এতদিন পর স্পেনে ফিরে বেশ খুশি রোনালদো, ‘স্পেন এবং বিশেষ করে কাতালুনিয়ায় ফিরতে পেরে দারুণ লাগছে। ক্যাম্প ন্যুয়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের মুখোমুখি হওয়া সত্যিই কঠিন। তবে আজ আমরা চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেছি। আমরা শক্তিশালী একটি পরিবারের মতো ছিলাম। এভাবে খেলতে থাকলে এই মৌসুমে আমাদের কোনোকিছুকেই ভয় পাওয়ার দরকার নেই। ‘