ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

দারুণ জয়ে খুলানাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করলো চট্টগ্রাম

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে পঞ্চম জয় পেয়েছে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। মঙ্গলবার (০৮ ডিসেম্বর) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে জেমকন খুলনাকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে মিঠুনের দল।

আর এই জয়ে প্রথম দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করলো চট্টগ্রাম।

অন্যদিকে প্লে-অফ নিশ্চিতে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে চার জয় পাওয়া খুলনাকে।

মিরপুরে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৭ রান করে খুলনা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শামসুর রহমানের দারুণ ব্যাটিংয়ে এক বল হাতে রেখে দারুণ জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম।

১৫৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে ফর্মে থাকে লিটন দাসের (৪) উইকেট তুলে নেন সাকিব আল হাসান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান মাহমুদুল হসান জয় (২৪) ও সৌম্য সরকার (১৯)। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ২৩ রান করে বিদায় নিলে ৮০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চট্টগ্রাম।

এরপর খুলনার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান রেট ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। মোসাদ্দেক হোসেন (১২) ও জিয়াউর রহমান (৬) বিদায় নিলে সেই চাপ আরও বাড়ে। তবে শামসুর রহমান একপ্রান্তে আগলে রেখে দলের হয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখেন। দলকে জয়ে কাছে নিয়ে যান তিনি।

শেষ ওভারে জয়ে জন্য চট্টগ্রামের দরকার ছিল ৯ রান। আল আমিন হোসেনের করা শেষ ওভারের প্রথম বল মিস করেন মোস্তাফিজ। দ্বিতীয় বলে চার মারেন মোস্তাফিজ। তৃতীয় ও চতুর্থ এক রান নেন শামসুর ও মোস্তাফিজ। তবে পঞ্চম বলে ছয় মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন শামসুর। ১৯.৫ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রান তোলে চট্টগ্রাম।

খুলনার সাকিব ও শুভাগত ২টি এবং আল আমিন, মাশরাফি ও হাসান মাহমুদ ১টি করে উইকেট নেন।

মিরপুরে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৩ রানে বিদায় নেন ওপেনার জাকির হাসান (১৫)। ৫৩ রানের মাথায় বিদায় নেন আরেক ওপেনার জহরুল ইসলাম অমি (২৬)।

এরপর আট মাস ২২ দিন পর ২২ গজের মঞ্চে নামেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তবে ব্যাট হাতে তার এই ফেরাটা ভালো হয়নি। ১ রান করেই রান আউটের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক।

এদিকে ব্যাট হাতে ব্যর্থতার বৃত্ত এই ম্যাচেও ভাঙতে পারেননি সাকিব। ব্যক্তিগত ১৫ রানের মাথায় মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ধরা পড়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তাতে ৬৬ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় খুলনা।

পঞ্চম উইকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ইমরুল কায়েস ৪৩ রানে জুটি গড়ে সেই চাপ সামাল দেন। এরপর ইমরুল (২৪) ও মাহমুদউল্লাহ (২৬) অল্প সময়ের ব্যবধানে বিদায় নেন।

শেষদিকে শুভাগত হোমের অপরাজিত ১৪ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংসের কল্যাণে খুলনার স্কোর দেড়শ পেরোয়। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৭ করে খুলনা।

চট্টগ্রামে শরিফুল ইসলাম ৩টি, মোস্তাফিজুর রহমান ২টি এবং মোসাদ্দেক হোসেন ও জিয়াউর রহমান ১টি করে উইকেট নেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দারুণ জয়ে খুলানাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করলো চট্টগ্রাম

আপডেট সময় ১১:১২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে পঞ্চম জয় পেয়েছে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। মঙ্গলবার (০৮ ডিসেম্বর) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে জেমকন খুলনাকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে মিঠুনের দল।

আর এই জয়ে প্রথম দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করলো চট্টগ্রাম।

অন্যদিকে প্লে-অফ নিশ্চিতে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে চার জয় পাওয়া খুলনাকে।

মিরপুরে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৭ রান করে খুলনা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শামসুর রহমানের দারুণ ব্যাটিংয়ে এক বল হাতে রেখে দারুণ জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম।

১৫৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে ফর্মে থাকে লিটন দাসের (৪) উইকেট তুলে নেন সাকিব আল হাসান। এরপর নিয়মিত বিরতিতে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান মাহমুদুল হসান জয় (২৪) ও সৌম্য সরকার (১৯)। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ২৩ রান করে বিদায় নিলে ৮০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চট্টগ্রাম।

এরপর খুলনার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান রেট ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। মোসাদ্দেক হোসেন (১২) ও জিয়াউর রহমান (৬) বিদায় নিলে সেই চাপ আরও বাড়ে। তবে শামসুর রহমান একপ্রান্তে আগলে রেখে দলের হয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখেন। দলকে জয়ে কাছে নিয়ে যান তিনি।

শেষ ওভারে জয়ে জন্য চট্টগ্রামের দরকার ছিল ৯ রান। আল আমিন হোসেনের করা শেষ ওভারের প্রথম বল মিস করেন মোস্তাফিজ। দ্বিতীয় বলে চার মারেন মোস্তাফিজ। তৃতীয় ও চতুর্থ এক রান নেন শামসুর ও মোস্তাফিজ। তবে পঞ্চম বলে ছয় মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন শামসুর। ১৯.৫ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রান তোলে চট্টগ্রাম।

খুলনার সাকিব ও শুভাগত ২টি এবং আল আমিন, মাশরাফি ও হাসান মাহমুদ ১টি করে উইকেট নেন।

মিরপুরে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৩ রানে বিদায় নেন ওপেনার জাকির হাসান (১৫)। ৫৩ রানের মাথায় বিদায় নেন আরেক ওপেনার জহরুল ইসলাম অমি (২৬)।

এরপর আট মাস ২২ দিন পর ২২ গজের মঞ্চে নামেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তবে ব্যাট হাতে তার এই ফেরাটা ভালো হয়নি। ১ রান করেই রান আউটের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক।

এদিকে ব্যাট হাতে ব্যর্থতার বৃত্ত এই ম্যাচেও ভাঙতে পারেননি সাকিব। ব্যক্তিগত ১৫ রানের মাথায় মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ধরা পড়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তাতে ৬৬ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় খুলনা।

পঞ্চম উইকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ইমরুল কায়েস ৪৩ রানে জুটি গড়ে সেই চাপ সামাল দেন। এরপর ইমরুল (২৪) ও মাহমুদউল্লাহ (২৬) অল্প সময়ের ব্যবধানে বিদায় নেন।

শেষদিকে শুভাগত হোমের অপরাজিত ১৪ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংসের কল্যাণে খুলনার স্কোর দেড়শ পেরোয়। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৭ করে খুলনা।

চট্টগ্রামে শরিফুল ইসলাম ৩টি, মোস্তাফিজুর রহমান ২টি এবং মোসাদ্দেক হোসেন ও জিয়াউর রহমান ১টি করে উইকেট নেন।