ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অহংকার যে একটি দেশ ও দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা গুলিস্তানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা আহত ‘আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয়’, পিডিকে প্রশ্ন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সেই ভুল আর করা চলবে না: শামা ওবায়েদ চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে: গণপূর্ত মন্ত্রী খামেনির প্রভাব প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম মনে রাখবে: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনা, মানতে হবে সব হাসপাতালকে জুলাই হত্যার প্রতিটি ঘটনার বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু স্বপ্ন দেখেন না, স্বপ্ন বাস্তবায়নও করেন: মির্জা ফখরুল

মা-বাবার বিচ্ছেদ, আদালত পাড়ায় দুই শিশুর কান্নায় বদলে গেল দৃশ্য

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মা-বাবার বিচ্ছেদ হল। দুই সন্তানের ভরণপোষণের জন্য দাদা বাড়ি থাকার নির্দেশ এলো। দাদা তার দুই নাতী-নাতনীকে নিয়ে যাওয়ার সময় মায়ের জন্য কান্নায় ভেঙে পরে শিশু দুটি। এক মুহূর্তেই বদলে যায় চিত্র। আজ কুমিল্লার আদালতের গেইটে এই দৃশ্য অনেকের চোখে জল এনে দেয়।

পুলিশ ও আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার এই দম্পতির বিয়ে হয় ১৪ বছর আগে। তাদের আট বছরের একটি মেয়ে ও ছয় বছরের একটি ছেলে রয়েছে। সম্প্রতি পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে প্রবাস থেকে তালাক দেয় স্বামী।

কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২নং আদালতের স্পেশাল পিপি মিজানুর রহমান বলেন, তালাকের পর কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২নং আদালতে মামলা দায়ের করেন ওই নারী। আদালত তার কাবিনের টাকা পরিশোধ ও শিশুদের পিতার পরিবারে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়। আজ আদালত গেইটে দাদা শিশুদের নিয়ে যেতে চাইলে শিশুরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে। এরপর কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর সালাউদ্দিন আল-মাহমুদ পুনরায় তাদেরকে আমাদের নিকট নিয়ে আসেন। আমরা দুই পক্ষ বুঝিয়ে বলি। শিশুদের আপাতত মায়ের নিকট হস্তান্তর করি।

গ্রামের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন বলেন, অপবাদ দিয়ে মেয়েটির সংসার ভেঙেছে। মেয়েটির শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। শিশুদের মায়ের নিকট রাখা উচিত।

শিশুদের মা তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বাবার বাড়ি থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা এনে স্বামীর পরিবারকে দিয়েছি। মিথ্যা অভিযোগে আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে। আমি সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চাই।

কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর সালাউদ্দিন আল-মাহমুদ বলেন, শিশুর দাদা তাদের সিএনজি অটোরিকশা যোগে নেয়ার সময় কান্না করছিলো। এনিয়ে পথচারীরা তাদের আটক করে। পরে আমরা তাদের উদ্ধার করে আদালতে নিয়ে যাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

অহংকার যে একটি দেশ ও দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা

মা-বাবার বিচ্ছেদ, আদালত পাড়ায় দুই শিশুর কান্নায় বদলে গেল দৃশ্য

আপডেট সময় ১১:২৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মা-বাবার বিচ্ছেদ হল। দুই সন্তানের ভরণপোষণের জন্য দাদা বাড়ি থাকার নির্দেশ এলো। দাদা তার দুই নাতী-নাতনীকে নিয়ে যাওয়ার সময় মায়ের জন্য কান্নায় ভেঙে পরে শিশু দুটি। এক মুহূর্তেই বদলে যায় চিত্র। আজ কুমিল্লার আদালতের গেইটে এই দৃশ্য অনেকের চোখে জল এনে দেয়।

পুলিশ ও আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার এই দম্পতির বিয়ে হয় ১৪ বছর আগে। তাদের আট বছরের একটি মেয়ে ও ছয় বছরের একটি ছেলে রয়েছে। সম্প্রতি পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে প্রবাস থেকে তালাক দেয় স্বামী।

কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২নং আদালতের স্পেশাল পিপি মিজানুর রহমান বলেন, তালাকের পর কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২নং আদালতে মামলা দায়ের করেন ওই নারী। আদালত তার কাবিনের টাকা পরিশোধ ও শিশুদের পিতার পরিবারে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়। আজ আদালত গেইটে দাদা শিশুদের নিয়ে যেতে চাইলে শিশুরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে। এরপর কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর সালাউদ্দিন আল-মাহমুদ পুনরায় তাদেরকে আমাদের নিকট নিয়ে আসেন। আমরা দুই পক্ষ বুঝিয়ে বলি। শিশুদের আপাতত মায়ের নিকট হস্তান্তর করি।

গ্রামের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন বলেন, অপবাদ দিয়ে মেয়েটির সংসার ভেঙেছে। মেয়েটির শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। শিশুদের মায়ের নিকট রাখা উচিত।

শিশুদের মা তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বাবার বাড়ি থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা এনে স্বামীর পরিবারকে দিয়েছি। মিথ্যা অভিযোগে আমাকে ডিভোর্স দিয়েছে। আমি সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে চাই।

কোর্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর সালাউদ্দিন আল-মাহমুদ বলেন, শিশুর দাদা তাদের সিএনজি অটোরিকশা যোগে নেয়ার সময় কান্না করছিলো। এনিয়ে পথচারীরা তাদের আটক করে। পরে আমরা তাদের উদ্ধার করে আদালতে নিয়ে যাই।