ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১ জুলাই থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসরের রেজিস্ট্রেশন : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জার্মানিতে বন্দুক হামলায় নিহত ৫ আপনি নির্বাচিত নন, ভোটিংয়ে অংশ নেবেন না- সংসদে আমিনুল হককে স্পিকার বৈশ্বিক অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়তে চায় পুলিশ আইএমএফ থেকে সরকার শূন্য হাতে ফেরেনি: সংসদে অর্থমন্ত্রী নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা মঙ্গলবার মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত দেশে ফেরার আশা ইরানের সঙ্গে মঙ্গলবার দোহায় বৈঠক হবে, দাবি ট্রাম্পের চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই: ইরান কালো টাকা সাদা করার বিধান বাতিলের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ইয়াসির-আকবরের পর বোলারদের দাপটে জিতল ঢাকা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন ইয়াসির আলী ও আকবর আলী। পরে বল হাতে চমক দেখালেন মুক্তার আলী ও শফিকুল ইসলাম।

আর তাতে ভর করে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর বিপক্ষে ২৫ রানের জয় পেল বেক্সিমকো ঢাকা।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের দ্বাদশ ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান করে ঢাকা। জবাবে পাঁচ বল বাকি থাকতেই ১৫০ রানে গুটিয়ে যায় রাজশাহীর ইনিংস।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ১৫ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে রাজশাহী। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৫ রান। এরপর যথাক্রমে ৬ ও ১ রান করে বিদায় নেন আনিসুল ইসলাম ইমন ও মোহাম্মদ আশরাফুল।

শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠতে রনি তালুকদার ও ফজলে মাহমুদ ৬৭ রানের জুটি গড়ে তোলেন। কিন্তু দলীয় ৮২ রানে মুক্তার আলীর বলে রনি বোল্ড হলে ভাঙে এই জুটি। বিদায়ের আগে ২৪ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে রনি, যেখানে ছিল ১টি চার ও ৩টি ছক্কার মার। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই মেহেদি হাসানের (১) উইকেট হারায় রাজশাহী।

রাজশাহীর শেষ ভরসা ফজলে মাহমুদ ফিফটি পার করে সঠিক পথেই ছিলেন। কিন্তু মুক্তার আলীর বলে নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনিও। তার ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৫৮ রানের ইনিংস, যা ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো। এরপর বলার মতো রান পাননি রাজশাহীর আর কেউই।

বল হাতে মুক্তার আলী ৪ ওভারে ৩৭ রান খরচ করলেও উইকেট তুলে নিয়েছে ৪টি। ৩ উইকেট নিয়েছেন শফিকুল। পেসার রুবেল হোসেন নিয়েছেন ২ উইকেট, তবে ৩.১ ওভার বল করে খরচ করেছেন মাত্র ১৫ রান। বাকি উইকেট রবিউল ইসলাম রবির।

এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নামা ঢাকা ওপেনার নাঈম হাসানের (১) উইকেট হারিয়ে বসে দলীয় ৩ রানেই। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ততক্ষণে খোলসে ঢুকে পড়েছেন। কিন্তু মুশফিকুর রহিম এসে রানের চাকা সচল করেন। ঢাকার অধিনায়ক খেলেন ২৯ বলে ৩৭ রানের ইনিংস। কিন্তু মোহাম্মদ নাঈম ১৯ বলে ৯ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলে বিদায় নেন। টিকতে পারেননি তাসনজিদ হাসানও।

দলকে ৬৪ রানে রেখে মুশফিক বিদায় নেওয়ার পর হাল ধরেন ইয়াসির ও আকবর জুটি। দুজনে মিলে যোগ করেন ১০০ রান। দলের পঞ্চম উইকেট হিসেবে বিদায় নেওয়ার আগে ইয়াসিরের ব্যাট থেকে আসে ৬৭ রানের ঝলমলে ইনিংস। ৩৯ বল স্থায়ী ইনিংসটি তিনি ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজিয়েছেন। আর শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়া আকবর খেলেছেন ২৩ বলে ৪৫ রানের ইনিংস, যেখানে ৩টি চার ও ২টি ছক্কার মার ছিল।

বল হাতে রাজশাহীর মুকিদুল পেয়েছেন ২ উইকেট। আর ১টি করে উইকেট গেছে মেহেদি হাসান, আরাফাত সানি ও ফরহাদ রেজার দখলে।

ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকার ইয়াসির আলী।

এই নিয়ে ৫ ম্যাচে ২টি করে জয় পেয়েছে ঢাকা ও রাজশাহী। তবে গড় রান রেটের ব্যবধানে পয়েন্ট তালিকার তিনে আছে রাজশাহী, চারে ঢাকা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১ জুলাই থেকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসরের রেজিস্ট্রেশন : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ইয়াসির-আকবরের পর বোলারদের দাপটে জিতল ঢাকা

আপডেট সময় ০৯:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন ইয়াসির আলী ও আকবর আলী। পরে বল হাতে চমক দেখালেন মুক্তার আলী ও শফিকুল ইসলাম।

আর তাতে ভর করে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর বিপক্ষে ২৫ রানের জয় পেল বেক্সিমকো ঢাকা।

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের দ্বাদশ ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান করে ঢাকা। জবাবে পাঁচ বল বাকি থাকতেই ১৫০ রানে গুটিয়ে যায় রাজশাহীর ইনিংস।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ১৫ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে রাজশাহী। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৫ রান। এরপর যথাক্রমে ৬ ও ১ রান করে বিদায় নেন আনিসুল ইসলাম ইমন ও মোহাম্মদ আশরাফুল।

শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠতে রনি তালুকদার ও ফজলে মাহমুদ ৬৭ রানের জুটি গড়ে তোলেন। কিন্তু দলীয় ৮২ রানে মুক্তার আলীর বলে রনি বোল্ড হলে ভাঙে এই জুটি। বিদায়ের আগে ২৪ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে রনি, যেখানে ছিল ১টি চার ও ৩টি ছক্কার মার। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই মেহেদি হাসানের (১) উইকেট হারায় রাজশাহী।

রাজশাহীর শেষ ভরসা ফজলে মাহমুদ ফিফটি পার করে সঠিক পথেই ছিলেন। কিন্তু মুক্তার আলীর বলে নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনিও। তার ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৫৮ রানের ইনিংস, যা ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো। এরপর বলার মতো রান পাননি রাজশাহীর আর কেউই।

বল হাতে মুক্তার আলী ৪ ওভারে ৩৭ রান খরচ করলেও উইকেট তুলে নিয়েছে ৪টি। ৩ উইকেট নিয়েছেন শফিকুল। পেসার রুবেল হোসেন নিয়েছেন ২ উইকেট, তবে ৩.১ ওভার বল করে খরচ করেছেন মাত্র ১৫ রান। বাকি উইকেট রবিউল ইসলাম রবির।

এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নামা ঢাকা ওপেনার নাঈম হাসানের (১) উইকেট হারিয়ে বসে দলীয় ৩ রানেই। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ততক্ষণে খোলসে ঢুকে পড়েছেন। কিন্তু মুশফিকুর রহিম এসে রানের চাকা সচল করেন। ঢাকার অধিনায়ক খেলেন ২৯ বলে ৩৭ রানের ইনিংস। কিন্তু মোহাম্মদ নাঈম ১৯ বলে ৯ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলে বিদায় নেন। টিকতে পারেননি তাসনজিদ হাসানও।

দলকে ৬৪ রানে রেখে মুশফিক বিদায় নেওয়ার পর হাল ধরেন ইয়াসির ও আকবর জুটি। দুজনে মিলে যোগ করেন ১০০ রান। দলের পঞ্চম উইকেট হিসেবে বিদায় নেওয়ার আগে ইয়াসিরের ব্যাট থেকে আসে ৬৭ রানের ঝলমলে ইনিংস। ৩৯ বল স্থায়ী ইনিংসটি তিনি ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজিয়েছেন। আর শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়া আকবর খেলেছেন ২৩ বলে ৪৫ রানের ইনিংস, যেখানে ৩টি চার ও ২টি ছক্কার মার ছিল।

বল হাতে রাজশাহীর মুকিদুল পেয়েছেন ২ উইকেট। আর ১টি করে উইকেট গেছে মেহেদি হাসান, আরাফাত সানি ও ফরহাদ রেজার দখলে।

ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকার ইয়াসির আলী।

এই নিয়ে ৫ ম্যাচে ২টি করে জয় পেয়েছে ঢাকা ও রাজশাহী। তবে গড় রান রেটের ব্যবধানে পয়েন্ট তালিকার তিনে আছে রাজশাহী, চারে ঢাকা।