ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা

বাংলাদেশ নয়, মিয়ানমারে নজর দিন: পররাষ্ট্র সচিব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে শুধু বাংলাদেশই নয়, মিয়ানমারের দিকেও নজর দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। তিনি বলেছেন, ‘মিয়ানমারকে তোয়াজ করার নীতি অবশ্যই বন্ধ হতে হবে।’

বৃহস্পতিবার ‘রোহিঙ্গা সমস্যার তূলনামূলক চিত্র’ শীর্ষক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য দেন তিনি। বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক সহায়তার পাশাপাশি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আরো কঠোর হয়ে কড়া পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র সচিব।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে মানবিক সহায়তা দিচ্ছে, একই রকম সহায়তা মিয়ানমারে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের রক্ষা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য দেওয়া উচিত।’

প্রত্যাবাসন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোও অস্থিতিশীল হবে সতর্ক করেন তিনি। বলেন, ‘মানবিক সহায়তা সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। কিন্তু এটি সমস্যা সমাধানে সহায়ক নয়।’

ভূ-রাজনীতি, অর্থনীতি ও ব্যবসায়িক স্বার্থকে আপাত দৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রাধান্য দিচ্ছে জানিয়ে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘এটি দুর্ভাগ্যজনক যে, মিয়ানমারকে প্রভাবিত করার সক্ষমতা যেসব দেশের আছে, হয় তারা সেটি ব্যবহার করতে চাইছে না, অথবা তারা মিয়ানমারকে তোয়াজ করার নীতি অনুসরণ করছে। এটি অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। তোয়াজ করার নীতি মিয়ানমারকে আরও সাহসী করে তুলছে।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, প্রত্যাবাসন ও স্থায়ী সমাধানের চেয়ে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মানবিক সহায়তা দিতে বেশি আগ্রহী।’

প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ তৈরি, কিন্তু মিয়ানমারের অনাগ্রহে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে তিনি জানান।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে একটি আন্তর্জাতিক বেসামরিক নজরদারি দলের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য পররাষ্ট্র সচিব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সে দেশের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘মিয়ানমারে নির্বাচনের পর আমরা আশা করি, নতুন করে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার সেবা চালু

বাংলাদেশ নয়, মিয়ানমারে নজর দিন: পররাষ্ট্র সচিব

আপডেট সময় ১০:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে শুধু বাংলাদেশই নয়, মিয়ানমারের দিকেও নজর দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। তিনি বলেছেন, ‘মিয়ানমারকে তোয়াজ করার নীতি অবশ্যই বন্ধ হতে হবে।’

বৃহস্পতিবার ‘রোহিঙ্গা সমস্যার তূলনামূলক চিত্র’ শীর্ষক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য দেন তিনি। বক্তব্যে রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক সহায়তার পাশাপাশি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আরো কঠোর হয়ে কড়া পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র সচিব।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে মানবিক সহায়তা দিচ্ছে, একই রকম সহায়তা মিয়ানমারে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের রক্ষা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য দেওয়া উচিত।’

প্রত্যাবাসন দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোও অস্থিতিশীল হবে সতর্ক করেন তিনি। বলেন, ‘মানবিক সহায়তা সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। কিন্তু এটি সমস্যা সমাধানে সহায়ক নয়।’

ভূ-রাজনীতি, অর্থনীতি ও ব্যবসায়িক স্বার্থকে আপাত দৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রাধান্য দিচ্ছে জানিয়ে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘এটি দুর্ভাগ্যজনক যে, মিয়ানমারকে প্রভাবিত করার সক্ষমতা যেসব দেশের আছে, হয় তারা সেটি ব্যবহার করতে চাইছে না, অথবা তারা মিয়ানমারকে তোয়াজ করার নীতি অনুসরণ করছে। এটি অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। তোয়াজ করার নীতি মিয়ানমারকে আরও সাহসী করে তুলছে।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, প্রত্যাবাসন ও স্থায়ী সমাধানের চেয়ে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মানবিক সহায়তা দিতে বেশি আগ্রহী।’

প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ তৈরি, কিন্তু মিয়ানমারের অনাগ্রহে সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বলে তিনি জানান।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে একটি আন্তর্জাতিক বেসামরিক নজরদারি দলের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য পররাষ্ট্র সচিব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সে দেশের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘মিয়ানমারে নির্বাচনের পর আমরা আশা করি, নতুন করে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে।’