ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

শিশু হাসান-হোসেন হত্যায় শহিদুল্লাহ গ্রেফতার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় দুই সহোদর শিশু হাসান-হোসেন হত্যা মামলার অভিযুক্ত শহিদুল্লাহকে (২৮) গ্রেফতার করেছেন র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার শহরের জেলগেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শহিদুল্লাহ গর্জনিয়া বড়বিল ওয়ার্ডের আবদুল মাবুদের (মধু) ছেলে।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মে. রুহুল আমিন জানান, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার চাষি ফোরকান আলীর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মোহাম্মদ হোসেনকে (৮) অপহরণ করে একই এলাকার টুইল্যার নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি চক্র। দুই ভাইকে গভীর বনে নিয়ে রাতে মোবাইল ফোনে ফোরকানের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র।

ঘটনাটি জানার পর এলাকাবাসী জড়ো হয়ে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অবহিত করলে অপহরণকারীরা হাসান ও হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ‘শিয়া পাহাড়’ নামের একটি জঙ্গলে ফেলে চলে যায়।

পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি দুই সহোদরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়, যার মামলা নং-২০, তারিখ: ১৯/০১/২০১৬।

এ মামলার ৭ নম্বর অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ কক্সবাজার জেলগেট এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় পলাতক ছিল। তাকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে হাসান-হোসেন হত্যার পর মামলা হলে পুলিশ পর্যায়ক্রমে ১২ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। কিন্তু সম্প্রতি কারান্তরীণ ওই মামলার ৮ আসামি জামিনে রয়েছেন। রামু থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বাকি আসামিদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিশু হাসান-হোসেন হত্যায় শহিদুল্লাহ গ্রেফতার

আপডেট সময় ০২:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় দুই সহোদর শিশু হাসান-হোসেন হত্যা মামলার অভিযুক্ত শহিদুল্লাহকে (২৮) গ্রেফতার করেছেন র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার শহরের জেলগেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শহিদুল্লাহ গর্জনিয়া বড়বিল ওয়ার্ডের আবদুল মাবুদের (মধু) ছেলে।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মে. রুহুল আমিন জানান, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার চাষি ফোরকান আলীর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মোহাম্মদ হোসেনকে (৮) অপহরণ করে একই এলাকার টুইল্যার নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি চক্র। দুই ভাইকে গভীর বনে নিয়ে রাতে মোবাইল ফোনে ফোরকানের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র।

ঘটনাটি জানার পর এলাকাবাসী জড়ো হয়ে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অবহিত করলে অপহরণকারীরা হাসান ও হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ‘শিয়া পাহাড়’ নামের একটি জঙ্গলে ফেলে চলে যায়।

পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি দুই সহোদরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়, যার মামলা নং-২০, তারিখ: ১৯/০১/২০১৬।

এ মামলার ৭ নম্বর অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ কক্সবাজার জেলগেট এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় পলাতক ছিল। তাকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে হাসান-হোসেন হত্যার পর মামলা হলে পুলিশ পর্যায়ক্রমে ১২ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। কিন্তু সম্প্রতি কারান্তরীণ ওই মামলার ৮ আসামি জামিনে রয়েছেন। রামু থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বাকি আসামিদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।