ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় ১০ তলা থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও তফসিলের সম্ভাব্য সময় জানালেন ইসি আনোয়ারুল স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল জামায়াত যেদিন লোগো থেকে আকিমুদ দ্বীন উঠিয়েছে সেদিনই তারা পরাজিত: চরমোনাই পীর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: ডিএসসিসি প্রশাসক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: এমপি ফয়সল

শিশু হাসান-হোসেন হত্যায় শহিদুল্লাহ গ্রেফতার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় দুই সহোদর শিশু হাসান-হোসেন হত্যা মামলার অভিযুক্ত শহিদুল্লাহকে (২৮) গ্রেফতার করেছেন র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার শহরের জেলগেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শহিদুল্লাহ গর্জনিয়া বড়বিল ওয়ার্ডের আবদুল মাবুদের (মধু) ছেলে।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মে. রুহুল আমিন জানান, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার চাষি ফোরকান আলীর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মোহাম্মদ হোসেনকে (৮) অপহরণ করে একই এলাকার টুইল্যার নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি চক্র। দুই ভাইকে গভীর বনে নিয়ে রাতে মোবাইল ফোনে ফোরকানের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র।

ঘটনাটি জানার পর এলাকাবাসী জড়ো হয়ে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অবহিত করলে অপহরণকারীরা হাসান ও হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ‘শিয়া পাহাড়’ নামের একটি জঙ্গলে ফেলে চলে যায়।

পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি দুই সহোদরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়, যার মামলা নং-২০, তারিখ: ১৯/০১/২০১৬।

এ মামলার ৭ নম্বর অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ কক্সবাজার জেলগেট এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় পলাতক ছিল। তাকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে হাসান-হোসেন হত্যার পর মামলা হলে পুলিশ পর্যায়ক্রমে ১২ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। কিন্তু সম্প্রতি কারান্তরীণ ওই মামলার ৮ আসামি জামিনে রয়েছেন। রামু থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বাকি আসামিদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শিশু হাসান-হোসেন হত্যায় শহিদুল্লাহ গ্রেফতার

আপডেট সময় ০২:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় দুই সহোদর শিশু হাসান-হোসেন হত্যা মামলার অভিযুক্ত শহিদুল্লাহকে (২৮) গ্রেফতার করেছেন র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার শহরের জেলগেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শহিদুল্লাহ গর্জনিয়া বড়বিল ওয়ার্ডের আবদুল মাবুদের (মধু) ছেলে।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ মে. রুহুল আমিন জানান, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার চাষি ফোরকান আলীর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মোহাম্মদ হোসেনকে (৮) অপহরণ করে একই এলাকার টুইল্যার নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি চক্র। দুই ভাইকে গভীর বনে নিয়ে রাতে মোবাইল ফোনে ফোরকানের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র।

ঘটনাটি জানার পর এলাকাবাসী জড়ো হয়ে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে অবহিত করলে অপহরণকারীরা হাসান ও হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ‘শিয়া পাহাড়’ নামের একটি জঙ্গলে ফেলে চলে যায়।

পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১৯ জানুয়ারি দুই সহোদরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৬ জনকে আসামি করে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়, যার মামলা নং-২০, তারিখ: ১৯/০১/২০১৬।

এ মামলার ৭ নম্বর অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ কক্সবাজার জেলগেট এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলায় পলাতক ছিল। তাকে রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে হাসান-হোসেন হত্যার পর মামলা হলে পুলিশ পর্যায়ক্রমে ১২ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। কিন্তু সম্প্রতি কারান্তরীণ ওই মামলার ৮ আসামি জামিনে রয়েছেন। রামু থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বাকি আসামিদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।