ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতি দিয়ে সরকারকে যাত্রা শুরু করতে হবে: উমামা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় ছাত্রলীগ নেতা সুবিধা বঞ্চিত নারী ও শিশুদের নিয়ে ইফতার করলেন ডা. জুবাইদা রহমান ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখলে ইসরায়েলি আইনের তীব্র নিন্দা বাংলাদেশের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায়: আসাদুজ্জামান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সাকিবকে খেলতে না দেওয়া দুর্নীতি হলে শাস্তি পেতে রাজি: আসিফ মাহমুদ পাকিস্তানের ‘ঘাড় মটকে’ দেয়ার হুঁশিয়ারি আফগানিস্তানের নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: মির্জা ফখরুল

দলে সুযোগ না পেয়ে ক্রিকেটারের ‘আত্মহত্যা’

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

বঙ্গবন্ধু টি-২০ গোল্ডকাপ ক্রিকেট টিমে সুযোগ না পাওয়ায় সজীবুল ইসলাম সজীব (২২) নামে অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আত্মহত্যা করেছেন। তিনি জাতীয় টিম অনূর্ধ্ব ১৫, ১৭ ও ১৯ দলের খেলোয়াড় ছিলেন। বিদেশের মাটিতেও খেলেছেন তিনি।

সজীব রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ঝালুকা গ্রামের মুরসেদ আলীর ছেলে।

সজীবের বড় ভাই তশিকুল ইসলাম জানান, তার ভাই সজীবের ছোট থেকে ক্রিকেট খেলার প্রতি ছিল আনেক আগ্রহ। সেই খেলার জন্য বকাও খেতে হয়েছে পরিবারের কাছে। একসময় তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলতে ভর্তি হয় রাজশাহী কাটাখালী বাংলা ট্র্যাক নামে ক্রিকেট একাডেমিতে।

এরপর থেকে শুরু হয় তার সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এক-এক করে তিনি জাতীয় দলের অনূর্ধ্ব ১৫, ১৭ ও ১৯ দলে খেলেছেন। তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের খেলোয়াড় হয়ে শ্রীলংকার মাটিতে বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে খেলেছেন। ভারতের বিপক্ষে ব্যাট করে সেই ম্যাচে সর্বোচ্চ ৯৫ রান সংগ্রহ করেন- তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ছিলেন।

সম্প্রতি সজীব বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে খেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অংশগ্রহণের জন্য সব পরীক্ষাও দিয়েছিলেন তিনি। গত ১৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে উত্তীর্ণ খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় তার নাম না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েন।

এক পর্যায়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। সজীব সবার অজান্তে শনিবার গভীর রাতে নিজ ঘরে আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে রবিবার সকালে তার পরিবারের সদস্যরা সজীবকে ডাকতে থাকেন। একপর্যায়ে তার কোন শব্দ না পেলে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। পরে ঝুলন্ত অবস্থায় রশি কেটে সজীবের মরদেহ উদ্ধার করেন।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খুরশীদা বানু কণা জানান, সবীব আত্মহত্যা করেছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে লাশ দাফনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রূপগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

দলে সুযোগ না পেয়ে ক্রিকেটারের ‘আত্মহত্যা’

আপডেট সময় ০৯:০৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

বঙ্গবন্ধু টি-২০ গোল্ডকাপ ক্রিকেট টিমে সুযোগ না পাওয়ায় সজীবুল ইসলাম সজীব (২২) নামে অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আত্মহত্যা করেছেন। তিনি জাতীয় টিম অনূর্ধ্ব ১৫, ১৭ ও ১৯ দলের খেলোয়াড় ছিলেন। বিদেশের মাটিতেও খেলেছেন তিনি।

সজীব রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ঝালুকা গ্রামের মুরসেদ আলীর ছেলে।

সজীবের বড় ভাই তশিকুল ইসলাম জানান, তার ভাই সজীবের ছোট থেকে ক্রিকেট খেলার প্রতি ছিল আনেক আগ্রহ। সেই খেলার জন্য বকাও খেতে হয়েছে পরিবারের কাছে। একসময় তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলতে ভর্তি হয় রাজশাহী কাটাখালী বাংলা ট্র্যাক নামে ক্রিকেট একাডেমিতে।

এরপর থেকে শুরু হয় তার সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এক-এক করে তিনি জাতীয় দলের অনূর্ধ্ব ১৫, ১৭ ও ১৯ দলে খেলেছেন। তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের খেলোয়াড় হয়ে শ্রীলংকার মাটিতে বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে খেলেছেন। ভারতের বিপক্ষে ব্যাট করে সেই ম্যাচে সর্বোচ্চ ৯৫ রান সংগ্রহ করেন- তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ছিলেন।

সম্প্রতি সজীব বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে খেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অংশগ্রহণের জন্য সব পরীক্ষাও দিয়েছিলেন তিনি। গত ১৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে উত্তীর্ণ খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় তার নাম না থাকায় হতাশ হয়ে পড়েন।

এক পর্যায়ে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। সজীব সবার অজান্তে শনিবার গভীর রাতে নিজ ঘরে আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে রবিবার সকালে তার পরিবারের সদস্যরা সজীবকে ডাকতে থাকেন। একপর্যায়ে তার কোন শব্দ না পেলে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। পরে ঝুলন্ত অবস্থায় রশি কেটে সজীবের মরদেহ উদ্ধার করেন।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খুরশীদা বানু কণা জানান, সবীব আত্মহত্যা করেছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে লাশ দাফনের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে।