ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা আমার দেখা অন্যতম সেরা পরিশ্রমী: নিক লি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

করোনার দীর্ঘ বিরতির পর গত ১৯ জুলাই থেকে জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় পর্যায়ের অন্যান্য ক্রিকেটাররাও অনুশীলনে যোগ দেন।

তাই তাদের ফিটনেসের অবস্থা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান ফিটনেস ট্রেনার নিক লি।

সোমবার (০৯ নভেম্বর) মিরপুরে সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন নিক লি। তিনি ক্রিকেটারদের মানসিকতা এবং ফিটনেসের বেশ প্রশংসা করেন। লকডাউনের মধ্যে ক্রিকেটাররা যেভাবে তার নির্দেশনা অনুযায়ী ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন তাতেই তিনি খুশি। যার কারণেই ক্রিকেটারার দ্রুত ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেয়েছেন। তিনি মনে করেন পেশাদার পর্যায়ে তার দেখা পরিশ্রমী দলগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা ক্রিকেটার তারা।

নিক লি বলেন, ‘জাতীয় দল এবং এইচপি দলের খেলোয়াড়দের মানসিকতা এবং ফিটনেস দেখে আমি খুবই সন্তুষ্ট। করোনা ভাইরাসের কারণে যখন লকডাউন শুরু হয় তখন আমরা চেষ্টা করেছি খুঁজে বের করার, কার কাছে কী ধরনের সরঞ্জাম ছিল, কে, কিরকম সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে ফিটনেস নিয়ে কাজ করার। বিসিবি খেলোয়াড়দের কাছে সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ফিটনেস নিয়ে কাজ করবার জন্য। নির্বাচকদের দেয়া তালিকা অনুযায়ী প্লেয়ার পুলের মধ্যে থাকা সব খেলোয়াড়কে আমরা ব্যক্তিগত পরিকল্পনা দিয়েছিলাম যা তারা বাসায় মেনে চলতে পারবে। পাচ-ছয় মাস পর ট্রেনিং আয়োজনের সময় আমি খুবই খুশি ছিলাম, যেভাবে প্লেয়াররা ফিরে এসেছিলো। তারা সবাই লকডাউনে তাদের শারীরিক অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছিল। ‘

তিনি আরও বলেন, ‘মাত্র ছয় মাস হয়েছে আমি এখানে এসেছি। কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা দেখে আমি বলতে পারি যে তারা শারীরিকভাবে ফিট হওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পেশাদার পর্যায়ে আমার দেখা পরিশ্রমী দলগুলোর মধ্যে তারা অন্যতম। তাদের মনোভাব খুবই ভালো। তারা বিভিন্ন কিছু করার জন্য প্রশ্ন করে, তারা উন্নতি করতে চায়। আমি জানি না আগে এটি কী রকম ছিল, কারণ আমি এখানে ছিলাম না। কিন্তু আমি যা দেখেছি, সে অনুযায়ী ক্রিকেটাররা তাদের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করছে। ‘

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা আমার দেখা অন্যতম সেরা পরিশ্রমী: নিক লি

আপডেট সময় ০৮:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

করোনার দীর্ঘ বিরতির পর গত ১৯ জুলাই থেকে জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় পর্যায়ের অন্যান্য ক্রিকেটাররাও অনুশীলনে যোগ দেন।

তাই তাদের ফিটনেসের অবস্থা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান ফিটনেস ট্রেনার নিক লি।

সোমবার (০৯ নভেম্বর) মিরপুরে সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন নিক লি। তিনি ক্রিকেটারদের মানসিকতা এবং ফিটনেসের বেশ প্রশংসা করেন। লকডাউনের মধ্যে ক্রিকেটাররা যেভাবে তার নির্দেশনা অনুযায়ী ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন তাতেই তিনি খুশি। যার কারণেই ক্রিকেটারার দ্রুত ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেয়েছেন। তিনি মনে করেন পেশাদার পর্যায়ে তার দেখা পরিশ্রমী দলগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা ক্রিকেটার তারা।

নিক লি বলেন, ‘জাতীয় দল এবং এইচপি দলের খেলোয়াড়দের মানসিকতা এবং ফিটনেস দেখে আমি খুবই সন্তুষ্ট। করোনা ভাইরাসের কারণে যখন লকডাউন শুরু হয় তখন আমরা চেষ্টা করেছি খুঁজে বের করার, কার কাছে কী ধরনের সরঞ্জাম ছিল, কে, কিরকম সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে ফিটনেস নিয়ে কাজ করার। বিসিবি খেলোয়াড়দের কাছে সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ফিটনেস নিয়ে কাজ করবার জন্য। নির্বাচকদের দেয়া তালিকা অনুযায়ী প্লেয়ার পুলের মধ্যে থাকা সব খেলোয়াড়কে আমরা ব্যক্তিগত পরিকল্পনা দিয়েছিলাম যা তারা বাসায় মেনে চলতে পারবে। পাচ-ছয় মাস পর ট্রেনিং আয়োজনের সময় আমি খুবই খুশি ছিলাম, যেভাবে প্লেয়াররা ফিরে এসেছিলো। তারা সবাই লকডাউনে তাদের শারীরিক অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছিল। ‘

তিনি আরও বলেন, ‘মাত্র ছয় মাস হয়েছে আমি এখানে এসেছি। কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা দেখে আমি বলতে পারি যে তারা শারীরিকভাবে ফিট হওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পেশাদার পর্যায়ে আমার দেখা পরিশ্রমী দলগুলোর মধ্যে তারা অন্যতম। তাদের মনোভাব খুবই ভালো। তারা বিভিন্ন কিছু করার জন্য প্রশ্ন করে, তারা উন্নতি করতে চায়। আমি জানি না আগে এটি কী রকম ছিল, কারণ আমি এখানে ছিলাম না। কিন্তু আমি যা দেখেছি, সে অনুযায়ী ক্রিকেটাররা তাদের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করছে। ‘