ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

১০১ দিন পর অনশন ভাঙলেন সেই ফিলিস্তিনি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী ফিলিস্তিনি নাগরিক মাহের আল-আখরাস শেষ পর্যন্ত অনশন ভেঙেছেন। চলতি মাসের শেষ দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হবে বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর ১০১ দিন পর অনশন ভাঙেন তিনি।

শুক্রবার ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি জানিয়েছে, আগামী ২৬ নভেম্বর মাহের আল-আখরাস ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে যে প্রশাসনিক আটকাদেশ রয়েছে তা নবায়ন করা হবে না।

চুক্তি অনুযায়ী ফিলিস্তিনের এ বন্দী বাকি কয়দিন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে থাকবেন।
গত ২৭ জুলাই ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ চার মাসের প্রশাসনিক আটকাদেশে কারারুদ্ধ করে ৪৯ বছর বয়সী মাহের আল-আখরাসকে। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। তাকে নির্জন কারাকক্ষে রাখা হয়েছিল।

বিনা বিচারে কথিত গোপন অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করার প্রতিবাদে মাহের আমরণ অনশন শুরু করেন। অনশনের মধ্যে তার অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রেড ক্রস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

১০১ দিন পর অনশন ভাঙলেন সেই ফিলিস্তিনি

আপডেট সময় ০৪:৩২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী ফিলিস্তিনি নাগরিক মাহের আল-আখরাস শেষ পর্যন্ত অনশন ভেঙেছেন। চলতি মাসের শেষ দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হবে বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার পর ১০১ দিন পর অনশন ভাঙেন তিনি।

শুক্রবার ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি জানিয়েছে, আগামী ২৬ নভেম্বর মাহের আল-আখরাস ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে যে প্রশাসনিক আটকাদেশ রয়েছে তা নবায়ন করা হবে না।

চুক্তি অনুযায়ী ফিলিস্তিনের এ বন্দী বাকি কয়দিন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে থাকবেন।
গত ২৭ জুলাই ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ চার মাসের প্রশাসনিক আটকাদেশে কারারুদ্ধ করে ৪৯ বছর বয়সী মাহের আল-আখরাসকে। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। তাকে নির্জন কারাকক্ষে রাখা হয়েছিল।

বিনা বিচারে কথিত গোপন অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করার প্রতিবাদে মাহের আমরণ অনশন শুরু করেন। অনশনের মধ্যে তার অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রেড ক্রস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।