ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সুচির প্রতি মালালার আহ্বান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পৃথিবীর সবথেকে বিপন্ন জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় নীরবতা ভাঙার ডাক দিয়েছেন নোবেলজয়ী শিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

তাদের পক্ষে সোচ্চার হতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির প্রতি আহ্বান জানান মালালা। ক’দিন আইগে এক টুইটার বার্তায় একই আহ্বান জানিয়েছিলেন মালালা। অক্সফোর্ড থেকে স্নাতক শেষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন মানবাধিকার কর্মী মালালা। সেখানেই কথা হয় বিবিসির সঙ্গে। ওই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আকুতি শোনা যায় মালালার কণ্ঠে। ‘হাজার হাজার মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। আমরা চুপ করে থাকতে পারি না।’ বলেন মালালা।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের আলাদা কোনও জাতিগোষ্ঠীই মনে করা হয় না। বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত ওই জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমার বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করে দায়িত্ব অস্বীকার করতে চায়। তবে রোহিঙ্গারা নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলেই জানে। নাগরিকত্বকে তারা অধিকার হিসেবেই দেখে।মিয়ানমার সরকারকে মালালা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, একটি জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্ব অস্বীকার করা, বসবাসের অনুমতি না দেওয়া কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা হয়তো আমরা ভাবতেও পারি না।’ ক’দিন আগের টুইটার বার্তায় তিনি বলেছিলেন, যে মিয়ানমারে প্রজন্মের পর প্রজন্মান্তরে রোহিঙ্গারা বসবাস করছেন, সেটা তাদের দেশ না হলে রোহিঙ্গাদের দেশ তবে কোনটা? রোহিঙ্গাদের জন্ম মিয়ানমারে, তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা সে দেশের সরকারেরই দায়িত্ব।

সাম্প্রতিক এক টুইটার বার্তায় মালালা রাখাইন পরিস্থিতিকে হৃদয়বিদারক এবং নিন্দনীয় উল্লেখ করে সু’চিকে এ ঘটনার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর তাগিদ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমি বারবার তাদের [রোহিঙ্গাদের] বিরুদ্ধে অমানবিক ও নিন্দনীয় ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে আসছি। তিনি লিখেছেন, ‘সু চির কাছেও আমি একই ভূমিকা প্রত্যাশা করি।

এছাড়া বিশ্ব তার যথাযথ পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে। অপেক্ষায় রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবারও তিনি এ ব্যাপারে দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চি`র যথাযথ পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সুচির প্রতি মালালার আহ্বান

আপডেট সময় ০৫:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পৃথিবীর সবথেকে বিপন্ন জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় নীরবতা ভাঙার ডাক দিয়েছেন নোবেলজয়ী শিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

তাদের পক্ষে সোচ্চার হতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির প্রতি আহ্বান জানান মালালা। ক’দিন আইগে এক টুইটার বার্তায় একই আহ্বান জানিয়েছিলেন মালালা। অক্সফোর্ড থেকে স্নাতক শেষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন মানবাধিকার কর্মী মালালা। সেখানেই কথা হয় বিবিসির সঙ্গে। ওই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আকুতি শোনা যায় মালালার কণ্ঠে। ‘হাজার হাজার মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। আমরা চুপ করে থাকতে পারি না।’ বলেন মালালা।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের আলাদা কোনও জাতিগোষ্ঠীই মনে করা হয় না। বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত ওই জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমার বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করে দায়িত্ব অস্বীকার করতে চায়। তবে রোহিঙ্গারা নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলেই জানে। নাগরিকত্বকে তারা অধিকার হিসেবেই দেখে।মিয়ানমার সরকারকে মালালা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, একটি জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্ব অস্বীকার করা, বসবাসের অনুমতি না দেওয়া কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা হয়তো আমরা ভাবতেও পারি না।’ ক’দিন আগের টুইটার বার্তায় তিনি বলেছিলেন, যে মিয়ানমারে প্রজন্মের পর প্রজন্মান্তরে রোহিঙ্গারা বসবাস করছেন, সেটা তাদের দেশ না হলে রোহিঙ্গাদের দেশ তবে কোনটা? রোহিঙ্গাদের জন্ম মিয়ানমারে, তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা সে দেশের সরকারেরই দায়িত্ব।

সাম্প্রতিক এক টুইটার বার্তায় মালালা রাখাইন পরিস্থিতিকে হৃদয়বিদারক এবং নিন্দনীয় উল্লেখ করে সু’চিকে এ ঘটনার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর তাগিদ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমি বারবার তাদের [রোহিঙ্গাদের] বিরুদ্ধে অমানবিক ও নিন্দনীয় ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে আসছি। তিনি লিখেছেন, ‘সু চির কাছেও আমি একই ভূমিকা প্রত্যাশা করি।

এছাড়া বিশ্ব তার যথাযথ পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে। অপেক্ষায় রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবারও তিনি এ ব্যাপারে দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চি`র যথাযথ পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন।