ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই প্রজন্ম হারিয়ে ফেললে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব মামলায় জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সুচির প্রতি মালালার আহ্বান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পৃথিবীর সবথেকে বিপন্ন জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় নীরবতা ভাঙার ডাক দিয়েছেন নোবেলজয়ী শিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

তাদের পক্ষে সোচ্চার হতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির প্রতি আহ্বান জানান মালালা। ক’দিন আইগে এক টুইটার বার্তায় একই আহ্বান জানিয়েছিলেন মালালা। অক্সফোর্ড থেকে স্নাতক শেষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন মানবাধিকার কর্মী মালালা। সেখানেই কথা হয় বিবিসির সঙ্গে। ওই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আকুতি শোনা যায় মালালার কণ্ঠে। ‘হাজার হাজার মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। আমরা চুপ করে থাকতে পারি না।’ বলেন মালালা।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের আলাদা কোনও জাতিগোষ্ঠীই মনে করা হয় না। বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত ওই জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমার বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করে দায়িত্ব অস্বীকার করতে চায়। তবে রোহিঙ্গারা নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলেই জানে। নাগরিকত্বকে তারা অধিকার হিসেবেই দেখে।মিয়ানমার সরকারকে মালালা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, একটি জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্ব অস্বীকার করা, বসবাসের অনুমতি না দেওয়া কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা হয়তো আমরা ভাবতেও পারি না।’ ক’দিন আগের টুইটার বার্তায় তিনি বলেছিলেন, যে মিয়ানমারে প্রজন্মের পর প্রজন্মান্তরে রোহিঙ্গারা বসবাস করছেন, সেটা তাদের দেশ না হলে রোহিঙ্গাদের দেশ তবে কোনটা? রোহিঙ্গাদের জন্ম মিয়ানমারে, তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা সে দেশের সরকারেরই দায়িত্ব।

সাম্প্রতিক এক টুইটার বার্তায় মালালা রাখাইন পরিস্থিতিকে হৃদয়বিদারক এবং নিন্দনীয় উল্লেখ করে সু’চিকে এ ঘটনার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর তাগিদ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমি বারবার তাদের [রোহিঙ্গাদের] বিরুদ্ধে অমানবিক ও নিন্দনীয় ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে আসছি। তিনি লিখেছেন, ‘সু চির কাছেও আমি একই ভূমিকা প্রত্যাশা করি।

এছাড়া বিশ্ব তার যথাযথ পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে। অপেক্ষায় রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবারও তিনি এ ব্যাপারে দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চি`র যথাযথ পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদি সরকার বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের পাশে এবার বলিউড তারকারা

রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সুচির প্রতি মালালার আহ্বান

আপডেট সময় ০৫:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পৃথিবীর সবথেকে বিপন্ন জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় নীরবতা ভাঙার ডাক দিয়েছেন নোবেলজয়ী শিক্ষা অধিকারকর্মী মালালা ইউসুফজাই। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

তাদের পক্ষে সোচ্চার হতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির প্রতি আহ্বান জানান মালালা। ক’দিন আইগে এক টুইটার বার্তায় একই আহ্বান জানিয়েছিলেন মালালা। অক্সফোর্ড থেকে স্নাতক শেষ করার অপেক্ষায় রয়েছেন মানবাধিকার কর্মী মালালা। সেখানেই কথা হয় বিবিসির সঙ্গে। ওই ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর আকুতি শোনা যায় মালালার কণ্ঠে। ‘হাজার হাজার মানুষ ঘর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। আমরা চুপ করে থাকতে পারি না।’ বলেন মালালা।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের আলাদা কোনও জাতিগোষ্ঠীই মনে করা হয় না। বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত ওই জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমার বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করে দায়িত্ব অস্বীকার করতে চায়। তবে রোহিঙ্গারা নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলেই জানে। নাগরিকত্বকে তারা অধিকার হিসেবেই দেখে।মিয়ানমার সরকারকে মালালা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, একটি জনগোষ্ঠীর নাগরিকত্ব অস্বীকার করা, বসবাসের অনুমতি না দেওয়া কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা হয়তো আমরা ভাবতেও পারি না।’ ক’দিন আগের টুইটার বার্তায় তিনি বলেছিলেন, যে মিয়ানমারে প্রজন্মের পর প্রজন্মান্তরে রোহিঙ্গারা বসবাস করছেন, সেটা তাদের দেশ না হলে রোহিঙ্গাদের দেশ তবে কোনটা? রোহিঙ্গাদের জন্ম মিয়ানমারে, তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা সে দেশের সরকারেরই দায়িত্ব।

সাম্প্রতিক এক টুইটার বার্তায় মালালা রাখাইন পরিস্থিতিকে হৃদয়বিদারক এবং নিন্দনীয় উল্লেখ করে সু’চিকে এ ঘটনার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর তাগিদ দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমি বারবার তাদের [রোহিঙ্গাদের] বিরুদ্ধে অমানবিক ও নিন্দনীয় ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে আসছি। তিনি লিখেছেন, ‘সু চির কাছেও আমি একই ভূমিকা প্রত্যাশা করি।

এছাড়া বিশ্ব তার যথাযথ পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে। অপেক্ষায় রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবারও তিনি এ ব্যাপারে দেশটির রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চি`র যথাযথ পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন।