ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে জনবান্ধব: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির তারেক রহমান এখন শেখ হাসিনার পথে হাঁটছেন: সারজিস আলম ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেবে ইউজিসি রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু আ.লীগ যেভাবে হামলা করেছিল, একইভাবে বিএনপি করছে: নাহিদ ইসলাম পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বরদাশত করা হবে না: মেয়র শাহাদাত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

মহানবীর (সা.) অবমাননা : এবার ফ্রান্সকে কড়া নিন্দা সৌদি আরবের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মহানবী (সা.) এর অবমাননা নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের জেরে ফরাসি জিনিস বয়কট করেছে আরব দেশগুলো। সরিয়ে ফেলা হচ্ছে ফ্রান্সের সামগ্রী। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় যদিও অনুরোধ করেছে এই বয়কট প্রত্যাহারের। তবে বয়কয় না উঠে ক্রমেই তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। সবমিলিয়ে বিপাকে পড়েছেন ম্যাক্রোঁ। এবার নাম না উল্লেখ করে ফ্রান্সকে কড়া নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরবও। খবর আরব নিউজের।

মঙ্গলবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহানবী মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে আপত্তিজনক কার্টুন প্রকাশ কিংবা সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামকে জড়ানোর যে কোনও উদ্যোগের নিন্দা জানাচ্ছে রিয়াদ। বিবৃতিটি দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো করে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দেওয়া হয়নি।

এদিকে, ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের ফলে কুয়েত, কাতার ও জর্ডনের দোকান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে ফরাসি জিনিস। লিবিয়া, সিরিয়া ও গাজা ভূখণ্ডে চলছে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। অনেক আরব দেশেই ফরাসি জিনিস, বিশেষ করে মেকআপ সামগ্রী ও সুগন্ধী আর বিক্রি করা হচ্ছে না। শপিং মল বা দোকানের তাক খালি করে দেয়া হয়েছে। কুয়েতে পাইকারি জিনিস বিক্রেতাদের একটি প্রধান ইউনিয়ন ফরাসি জিনিস বয়কটের ডাক দিয়েছে। তারপরই দোকান ও মল থেকে ফরাসি জিনিস সরে গেছে।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে ব্যঙ্গ করে মত প্রকাশের অধিকারের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন প্যারিসের একটি স্কুলের শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি।

তাকে হত্যা করে ১৯ বছর বয়সী এক চেচেন। তারপরই ফ্রান্স জুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। ম্যাক্রোঁ তখন বলেছিলেন, ‘আমরা কার্টুন ছেড়ে দেব না।’ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। পশ্চিম ইউরোপের সংখ্যালঘু সংগঠনও বলেছে, ম্যাক্রোঁ ইসলামোফোবিয়া বাড়াতে সাহায্য করছেন।

ম্যাক্রোঁ টুইট করে বলেছেন, ‘আমরা পরাজয় স্বীকার করব না। আমরা হেট স্পিচ বরদাস্ত করব না। যুক্তিসঙ্গত তর্ক সবময়ই সমর্থন করব। আমরা সবসময়ই স্বীকৃত মূল্যবোধ ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে।’ এই অবস্থায় ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘ফরাসি জিনিস বয়কটের ডাক অর্থহীন। চরমপন্থীরা এই কাজ করছেন। অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করা উচিত।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

মহানবীর (সা.) অবমাননা : এবার ফ্রান্সকে কড়া নিন্দা সৌদি আরবের

আপডেট সময় ০৫:০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মহানবী (সা.) এর অবমাননা নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের জেরে ফরাসি জিনিস বয়কট করেছে আরব দেশগুলো। সরিয়ে ফেলা হচ্ছে ফ্রান্সের সামগ্রী। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় যদিও অনুরোধ করেছে এই বয়কট প্রত্যাহারের। তবে বয়কয় না উঠে ক্রমেই তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। সবমিলিয়ে বিপাকে পড়েছেন ম্যাক্রোঁ। এবার নাম না উল্লেখ করে ফ্রান্সকে কড়া নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরবও। খবর আরব নিউজের।

মঙ্গলবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহানবী মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে আপত্তিজনক কার্টুন প্রকাশ কিংবা সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামকে জড়ানোর যে কোনও উদ্যোগের নিন্দা জানাচ্ছে রিয়াদ। বিবৃতিটি দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো করে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দেওয়া হয়নি।

এদিকে, ম্যাক্রোঁর মন্তব্যের ফলে কুয়েত, কাতার ও জর্ডনের দোকান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে ফরাসি জিনিস। লিবিয়া, সিরিয়া ও গাজা ভূখণ্ডে চলছে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। অনেক আরব দেশেই ফরাসি জিনিস, বিশেষ করে মেকআপ সামগ্রী ও সুগন্ধী আর বিক্রি করা হচ্ছে না। শপিং মল বা দোকানের তাক খালি করে দেয়া হয়েছে। কুয়েতে পাইকারি জিনিস বিক্রেতাদের একটি প্রধান ইউনিয়ন ফরাসি জিনিস বয়কটের ডাক দিয়েছে। তারপরই দোকান ও মল থেকে ফরাসি জিনিস সরে গেছে।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে ব্যঙ্গ করে মত প্রকাশের অধিকারের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন প্যারিসের একটি স্কুলের শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটি।

তাকে হত্যা করে ১৯ বছর বয়সী এক চেচেন। তারপরই ফ্রান্স জুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। ম্যাক্রোঁ তখন বলেছিলেন, ‘আমরা কার্টুন ছেড়ে দেব না।’ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। পশ্চিম ইউরোপের সংখ্যালঘু সংগঠনও বলেছে, ম্যাক্রোঁ ইসলামোফোবিয়া বাড়াতে সাহায্য করছেন।

ম্যাক্রোঁ টুইট করে বলেছেন, ‘আমরা পরাজয় স্বীকার করব না। আমরা হেট স্পিচ বরদাস্ত করব না। যুক্তিসঙ্গত তর্ক সবময়ই সমর্থন করব। আমরা সবসময়ই স্বীকৃত মূল্যবোধ ও মানবিক মর্যাদার পক্ষে।’ এই অবস্থায় ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘ফরাসি জিনিস বয়কটের ডাক অর্থহীন। চরমপন্থীরা এই কাজ করছেন। অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করা উচিত।’