ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিশৃঙ্খলা এড়াতে ট্রাম্প-বাইডেন বিতর্কে ‘মিউট সুইচ’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন উপলক্ষে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের প্রথম বিতর্কে তুমুল বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। ট্রাম্পের করোনার কারণে দ্বিতীয় বিতর্ক বাতিল হওয়ায় তৃতীয় বিতর্কে উপস্থিত হতে যাচ্ছেন দুই প্রার্থী। এই বিতর্কে প্রথম বিতর্কের মতো বিশৃঙ্খলা এড়াতে থাকবে মিউট সুইচ।

মিউট সুইচ থাকার কারণে একজনের বক্তৃতার মাঝে অপরজন কথা বলতে পারবেন না। বললেও তা শোনা যাবে না।

মার্কিন প্রেসিডেনশিয়াল বিতর্ক সংগঠিত করার দায়িত্ব পালন করে প্রেসিডেনশিয়াল কমিশন অন ডিবেট। সোমবার তারা এ কথা জানিয়েছে। খবর ডয়চে ভেলের।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন ট্রাম্প এবং বাইডেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন ইতিহাসে এত উত্তপ্ত বিতর্ক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অভিযোগ, সেই বিতর্কে ট্রাম্প একাধিকবার বাইডেনকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা বলার চেষ্টা করেছেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একের পর এক বিষয়ে অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করেছেন বাইডেন। সেপ্টেম্বর ২৯ এর বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিতর্কে ১৫ মিনিট করে এক একটি সেগমেন্ট ভাগ করা হয়। একদম শুরুতে দুই বক্তাই দুই মিনিট করে বলার সুযোগ পান। গত বিতর্কে একদম প্রথম থেকেই দুই বক্তা দুইজনকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। মিউট সুইচ সে জন্যই নিয়ে আসা হচ্ছে। কেউ কাউকে থামানোর চেষ্টা করলেই মিউট সুইচ ব্যবহার করে বাধাদানকারীকে চুপ করিয়ে দেওয়া হবে।

আগামী বৃহস্পতিবার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী মুখোমুখি হবেন। বিতর্ক ঘিরে অবশ্য উত্তাপ ছড়াতে শুরু করে দিয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্য, যে বিষয়গুলো বিতর্কের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে, তা পক্ষপাতমূলক। দেশের বিদেশনীতি বিতর্কে সেভাবে গুরুত্বই পাচ্ছে না। বাইডেন শিবিরের বক্তব্য, করোনা নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না ট্রাম্প। কারণ, বলতে গেলেই নিজের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

মার্কিন প্রেসিডেনশিয়াল বিতর্কের বিষয় নির্বাচন করে বিতর্ক কমিটি। দেখা যাচ্ছে, এ বছর মার্কিন নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি আলোচনা চাইছেন করোনা নিয়ে। সে কারণেই প্রতিটি বিতর্কেই করোনা রাখা হচ্ছে। বস্তুত, গত বিতর্কে ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে করোনার প্রকোপ কমতে শুরু করেছে। কিছুদিনের মধ্যেই সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু গত কয়েক দিনে ফের সেখানে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। বলা হচ্ছে, ইউরোপের মতো যুক্তরাষ্ট্রেও দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে।

ট্রাম্প নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে কারণে গত বৃহস্পতিবার দুই প্রার্থীর বিতর্ক হয়নি। বাইডেন চেয়েছিলেন বিতর্ক ভার্চুয়াল হোক। কিন্তু ট্রাম্প তাতে সম্মত হননি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম বিতর্কের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা আরও কমেছে। ওপিনিয়ন পোলে ট্রাম্পকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছেন বাইডেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিশৃঙ্খলা এড়াতে ট্রাম্প-বাইডেন বিতর্কে ‘মিউট সুইচ’

আপডেট সময় ০১:৩৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন উপলক্ষে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের প্রথম বিতর্কে তুমুল বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। ট্রাম্পের করোনার কারণে দ্বিতীয় বিতর্ক বাতিল হওয়ায় তৃতীয় বিতর্কে উপস্থিত হতে যাচ্ছেন দুই প্রার্থী। এই বিতর্কে প্রথম বিতর্কের মতো বিশৃঙ্খলা এড়াতে থাকবে মিউট সুইচ।

মিউট সুইচ থাকার কারণে একজনের বক্তৃতার মাঝে অপরজন কথা বলতে পারবেন না। বললেও তা শোনা যাবে না।

মার্কিন প্রেসিডেনশিয়াল বিতর্ক সংগঠিত করার দায়িত্ব পালন করে প্রেসিডেনশিয়াল কমিশন অন ডিবেট। সোমবার তারা এ কথা জানিয়েছে। খবর ডয়চে ভেলের।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন ট্রাম্প এবং বাইডেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন ইতিহাসে এত উত্তপ্ত বিতর্ক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অভিযোগ, সেই বিতর্কে ট্রাম্প একাধিকবার বাইডেনকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা বলার চেষ্টা করেছেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একের পর এক বিষয়ে অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করেছেন বাইডেন। সেপ্টেম্বর ২৯ এর বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিতর্কে ১৫ মিনিট করে এক একটি সেগমেন্ট ভাগ করা হয়। একদম শুরুতে দুই বক্তাই দুই মিনিট করে বলার সুযোগ পান। গত বিতর্কে একদম প্রথম থেকেই দুই বক্তা দুইজনকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। মিউট সুইচ সে জন্যই নিয়ে আসা হচ্ছে। কেউ কাউকে থামানোর চেষ্টা করলেই মিউট সুইচ ব্যবহার করে বাধাদানকারীকে চুপ করিয়ে দেওয়া হবে।

আগামী বৃহস্পতিবার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী মুখোমুখি হবেন। বিতর্ক ঘিরে অবশ্য উত্তাপ ছড়াতে শুরু করে দিয়েছে। ট্রাম্পের বক্তব্য, যে বিষয়গুলো বিতর্কের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে, তা পক্ষপাতমূলক। দেশের বিদেশনীতি বিতর্কে সেভাবে গুরুত্বই পাচ্ছে না। বাইডেন শিবিরের বক্তব্য, করোনা নিয়ে কথা বলতে চাইছেন না ট্রাম্প। কারণ, বলতে গেলেই নিজের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

মার্কিন প্রেসিডেনশিয়াল বিতর্কের বিষয় নির্বাচন করে বিতর্ক কমিটি। দেখা যাচ্ছে, এ বছর মার্কিন নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি আলোচনা চাইছেন করোনা নিয়ে। সে কারণেই প্রতিটি বিতর্কেই করোনা রাখা হচ্ছে। বস্তুত, গত বিতর্কে ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে করোনার প্রকোপ কমতে শুরু করেছে। কিছুদিনের মধ্যেই সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু গত কয়েক দিনে ফের সেখানে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। বলা হচ্ছে, ইউরোপের মতো যুক্তরাষ্ট্রেও দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে।

ট্রাম্প নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে কারণে গত বৃহস্পতিবার দুই প্রার্থীর বিতর্ক হয়নি। বাইডেন চেয়েছিলেন বিতর্ক ভার্চুয়াল হোক। কিন্তু ট্রাম্প তাতে সম্মত হননি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম বিতর্কের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা আরও কমেছে। ওপিনিয়ন পোলে ট্রাম্পকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছেন বাইডেন।