ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন ষড়যন্ত্রে প্রশাসনে বিএনপি-জামাতপন্থীরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রশাসনে বিরোধ উসকে দেয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি-জামাত। প্রশাসনের ভেতর বিএনপি-জামাত পন্থীরা হঠাৎ করে সক্রিয় হয়েছে। তারা প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ক্ষেপিয়ে তোলার জন্য কাজ করছে এরকম নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে। ফরিদপুরের জেলা প্রশাসকের সাথে ৪ আসনের এমপির বিরোধকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশাসনের স্তরে বিএনপি-জামাত পন্থী সরকারী কর্মকর্তা রয়েছে। কিছু বিএনপি-জামাত পন্থী সরকারী কর্মকর্তা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর রূপ বদল করেছে। তারা এখন আওয়ামী পন্থী হয়েছেন। কেউ আওয়ামী পন্থীর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে রূমমেট হবার সুবাদে আওয়ামী পন্থী হয়ে তারা ‘সচিব’ পর্যন্ত হয়েছেন। কিন্তু সুযোগ পেলেই তারা আসল রূপে ফিরে আসেন।

ফরিদপুরের ঘটনার পর এরকম ‘আওয়ামী পন্থী’ বনে যাওয়া এক উর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তা কয়েকজনকে টেলিফোন করেছেন, ঐ আমলা টেলিফোনে বলেছেন ‘এসব কি হচ্ছে? আমরা কি চুপচাপ বসে থাকবো? কিছু একটা করতে হবে।’ উর্ধ্বতন আমলাদের একজন বাংলা ইনসাইডারকে জানিয়েছেন, তাদের উস্মা এবং ক্ষোভ ঐ ঘটনার জন্য নয় বরং ঐ ঘটনাকে অন্যখাতে নিয়ে যাওয়ার জন্যই। এজন্য প্রশাসন ক্যাডারের নেতারা তাদের শান্ত করেছেন। কিন্তু, কিছু বিএনপি-জামাত পন্থী আছে যাদের পরিচয় প্রকাশ্য। তারা ‘রূপ বদল’ করার সুযোগ পান নি। এদের অনেকের পদোন্নতি হয়নি। উপ-সচিব কিংবা যুগ্ম সচিব পর্যায়ে পরে আছে। এরা এখন নানা ভাবে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। বিএনপি পন্থী একজন আমলা, যার ব্যাচের অনেকে এখন সচিব। কিন্তু তিনি যুগ্ম সচিব অবস্থায় অবসরের প্রহর গুনছেন, তিনি অন্তত তিনজন জেলা প্রশাসককে ফোন করেছেন। ফরিদপুরের ঘটনার পর তাদেরও কিছু করা উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছেন। অন্তত তার জেলায় পাবলিক সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভা করে ঘটনার নিন্দা জানানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রশাসনে বিএনপি জামাত পন্থীরা চাইছে, মাঠ প্রশাসনে একটা ‘বিদ্রোহ’ পরিস্থিতি তৈরী করা। এরফলে সরকারের উপর চাপ বাড়বে।

উল্লেখ্য বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশাসনে নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা করেছে। এরফলে প্রশাসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকার সম্পর্কে একটা ইতিবাচক মনোভাব তৈরী হয়েছে। বিএনপি-জামাত পন্থীরা এখন সেটাকে এক বৈরীতার জায়গায় নিয়ে যেতে চাইছে। যেন সরকার নতুন সংকটে পরে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন ষড়যন্ত্রে প্রশাসনে বিএনপি-জামাতপন্থীরা

আপডেট সময় ০৭:১২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রশাসনে বিরোধ উসকে দেয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি-জামাত। প্রশাসনের ভেতর বিএনপি-জামাত পন্থীরা হঠাৎ করে সক্রিয় হয়েছে। তারা প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ক্ষেপিয়ে তোলার জন্য কাজ করছে এরকম নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে। ফরিদপুরের জেলা প্রশাসকের সাথে ৪ আসনের এমপির বিরোধকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশাসনের স্তরে বিএনপি-জামাত পন্থী সরকারী কর্মকর্তা রয়েছে। কিছু বিএনপি-জামাত পন্থী সরকারী কর্মকর্তা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর রূপ বদল করেছে। তারা এখন আওয়ামী পন্থী হয়েছেন। কেউ আওয়ামী পন্থীর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে রূমমেট হবার সুবাদে আওয়ামী পন্থী হয়ে তারা ‘সচিব’ পর্যন্ত হয়েছেন। কিন্তু সুযোগ পেলেই তারা আসল রূপে ফিরে আসেন।

ফরিদপুরের ঘটনার পর এরকম ‘আওয়ামী পন্থী’ বনে যাওয়া এক উর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তা কয়েকজনকে টেলিফোন করেছেন, ঐ আমলা টেলিফোনে বলেছেন ‘এসব কি হচ্ছে? আমরা কি চুপচাপ বসে থাকবো? কিছু একটা করতে হবে।’ উর্ধ্বতন আমলাদের একজন বাংলা ইনসাইডারকে জানিয়েছেন, তাদের উস্মা এবং ক্ষোভ ঐ ঘটনার জন্য নয় বরং ঐ ঘটনাকে অন্যখাতে নিয়ে যাওয়ার জন্যই। এজন্য প্রশাসন ক্যাডারের নেতারা তাদের শান্ত করেছেন। কিন্তু, কিছু বিএনপি-জামাত পন্থী আছে যাদের পরিচয় প্রকাশ্য। তারা ‘রূপ বদল’ করার সুযোগ পান নি। এদের অনেকের পদোন্নতি হয়নি। উপ-সচিব কিংবা যুগ্ম সচিব পর্যায়ে পরে আছে। এরা এখন নানা ভাবে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। বিএনপি পন্থী একজন আমলা, যার ব্যাচের অনেকে এখন সচিব। কিন্তু তিনি যুগ্ম সচিব অবস্থায় অবসরের প্রহর গুনছেন, তিনি অন্তত তিনজন জেলা প্রশাসককে ফোন করেছেন। ফরিদপুরের ঘটনার পর তাদেরও কিছু করা উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছেন। অন্তত তার জেলায় পাবলিক সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভা করে ঘটনার নিন্দা জানানোর প্রস্তাব দিয়েছে। প্রশাসনে বিএনপি জামাত পন্থীরা চাইছে, মাঠ প্রশাসনে একটা ‘বিদ্রোহ’ পরিস্থিতি তৈরী করা। এরফলে সরকারের উপর চাপ বাড়বে।

উল্লেখ্য বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশাসনে নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা করেছে। এরফলে প্রশাসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ সরকার সম্পর্কে একটা ইতিবাচক মনোভাব তৈরী হয়েছে। বিএনপি-জামাত পন্থীরা এখন সেটাকে এক বৈরীতার জায়গায় নিয়ে যেতে চাইছে। যেন সরকার নতুন সংকটে পরে।