ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা, বিক্ষোভে উত্তাল আলজেরিয়া

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

এবার ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আলজেরিয়ায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছে মানুষ। বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটির বিভিন্ন শহর। নারীর প্রতি সহিংসতা রুখতে অনেকগুলো শহরে চলছে এই বিক্ষোভ। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ মাসের শুরুতে সাইমা সাদুউ নামে ১৯ বছরের এক তরুণী অপহরণের শিকার হন। ধর্ষণের পর তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

রাজধানী আলজিয়ার্সের থেকে ৮০ কিলোমিটার পূর্বে থেনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। একটি নির্জন পেট্রোল স্টেশন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরব নিউজ জানায়, এ ঘটনার অভিযুক্ত রায়ান নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাইমাকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেছে সে। ২০১৬ সালেও তার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেছিল ভুক্তভোগীর পরিবার।

এমন পরিস্থিতিতে আলজিয়ার্স, ওরানসহ একাধিক শহরের নারীরা রাস্তায় নেমে আসে। তাদের সঙ্গে যোগ দেন পুরুষরাও। বিক্ষোভে বাধা দিয়েছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

নারী সহিংসতার বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভের প্রতীক হয়ে উঠেন সাইমা। তার নামে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন এবং স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হ্যাশট্যাগ দিয়ে ‘আই এম সাইমা’ প্রতিবাদ চালাচ্ছেন এক্টিভিস্টরা। নারী সহিংসতার জন্য তারা সরকারকে দায়ী করছেন।

আলজিয়ার্সে বিক্ষোভকারী এক নারী বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা দেয় না সরকার। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা আইনে থাকলেও বাস্তবতা হচ্ছে নির্যাতনকারীদের ক্ষমা করা দেয়ার জন্য বলে সরকার, সে ভাই, বাবা বা যেই হোক না কেন।’

তিনি বলেন, ‘নারীরা অভিযোগ করলে তার সমাধান বা রায় পাওয়ার জন্য তিন থেকে চার বছর অপেক্ষা করতে হয়। এটি কোনোভাবে মেনে যায় না।’

এদিকে ফেমিসাইড আলজেরিয়া নামে একটি সংগঠন জানায়, চলতি বছরে উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত সহিংসতার শিকার হয় ৩৮ জন নারী হত্যার শিকার হয়েছে। আগের বছরে এ সংখ্যা ছিল ৬০। তবে প্রতি বছর অনেক বেশি নারী সহিংসতার শিকার হয়, যেসব ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না বা নথিভুক্ত হয় না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা, বিক্ষোভে উত্তাল আলজেরিয়া

আপডেট সময় ১২:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

এবার ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আলজেরিয়ায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছে মানুষ। বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটির বিভিন্ন শহর। নারীর প্রতি সহিংসতা রুখতে অনেকগুলো শহরে চলছে এই বিক্ষোভ। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ মাসের শুরুতে সাইমা সাদুউ নামে ১৯ বছরের এক তরুণী অপহরণের শিকার হন। ধর্ষণের পর তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

রাজধানী আলজিয়ার্সের থেকে ৮০ কিলোমিটার পূর্বে থেনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। একটি নির্জন পেট্রোল স্টেশন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরব নিউজ জানায়, এ ঘটনার অভিযুক্ত রায়ান নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাইমাকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেছে সে। ২০১৬ সালেও তার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেছিল ভুক্তভোগীর পরিবার।

এমন পরিস্থিতিতে আলজিয়ার্স, ওরানসহ একাধিক শহরের নারীরা রাস্তায় নেমে আসে। তাদের সঙ্গে যোগ দেন পুরুষরাও। বিক্ষোভে বাধা দিয়েছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

নারী সহিংসতার বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভের প্রতীক হয়ে উঠেন সাইমা। তার নামে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার প্রদর্শন এবং স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হ্যাশট্যাগ দিয়ে ‘আই এম সাইমা’ প্রতিবাদ চালাচ্ছেন এক্টিভিস্টরা। নারী সহিংসতার জন্য তারা সরকারকে দায়ী করছেন।

আলজিয়ার্সে বিক্ষোভকারী এক নারী বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা দেয় না সরকার। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা আইনে থাকলেও বাস্তবতা হচ্ছে নির্যাতনকারীদের ক্ষমা করা দেয়ার জন্য বলে সরকার, সে ভাই, বাবা বা যেই হোক না কেন।’

তিনি বলেন, ‘নারীরা অভিযোগ করলে তার সমাধান বা রায় পাওয়ার জন্য তিন থেকে চার বছর অপেক্ষা করতে হয়। এটি কোনোভাবে মেনে যায় না।’

এদিকে ফেমিসাইড আলজেরিয়া নামে একটি সংগঠন জানায়, চলতি বছরে উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত সহিংসতার শিকার হয় ৩৮ জন নারী হত্যার শিকার হয়েছে। আগের বছরে এ সংখ্যা ছিল ৬০। তবে প্রতি বছর অনেক বেশি নারী সহিংসতার শিকার হয়, যেসব ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না বা নথিভুক্ত হয় না।