ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চা শিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন না হলে এমপিগিরি ছেড়ে দেব: ফজলুর রহমান পরের বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকেই আয় করতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন রাশিয়াকে আরও ৩০ হাজার সেনা দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল : স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইবে ইসি নেত্রকোনায় নিজ ঘর থেকে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার প্রয়োজন হলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেব: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বনিবনা না হলে কবে আবার তিনিও জামায়াত থেকে বের হয়ে যান: রাশেদ খাঁন একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর

গভীর সংকটে ঢাকাই চলচ্চিত্র

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

অনিশ্চিত এক ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগত। বিগত বছরের হিসাব অনুযায়ী ঈদ ছাড়া তেমন দর্শক পায় না সিনেমা হলগুলো। তার মধ্যে আবার করোনা বদলে দিয়েছে বিগ বাজেটের ছবিগুলোর ভবিষ্যত। অদৃশ্য এই ভাইরাসের কারণে বাক্সবন্দি হয়ে আছে সব ছবি। এক সময়ে দেশে ১৩০০ সিনেমা হল থাকলেও এখন সচল মাত্র ৬২টি। করোনার কারণে এর সংখ্যা কতটা নিচে নামবে, তা নিয়ে সিনেমা সংশ্লিষ্টদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাজ।

ঢাকাই সিনেমায় শিল্পী, গল্পকারসহ নানা সংকট বিদ্যমান। তারপর আবার সাত মাস ধরে বন্ধ সিনেমা হল। যদিও আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হল চালুর সিদ্ধান্ত হওয়াতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মালিকদের মধ্যে। কিন্তু মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ছবিগুলোর প্রযোজকরা ঝুঁকি নিয়ে এখনই সিনেমা মুক্তি দিতে চাচ্ছেন না। তারা আগে পরিস্থিতি বুঝবেন তারপর মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন। গেল দুই ঈদ ছিল ছবিশূন্য। ইতিহাসে এবারই প্রথম ইদ উৎসবে সিনেমা হল তালাবন্ধ ছিল।

কয়েক বছর আগেও কাকরাইলে ছিল দেশের বেশ কিছু নামি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। বাকিগুলো চলছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। তারপর আবার করোনা এসেছে বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য অভিশাপ হয়ে। চলতি বছরকে চলচ্চিত্রের বছর ভাবা হলেও সব হিসেব পাল্টে দিয়েছে এই করোনা। সারাদেশে প্রেক্ষাগৃহ কমে যাওয়া থেকে শুরু করে বেশ কিছু কারণে চলচ্চিত্রের আজ এই করুণ দশা।

১৯৭১ সাল থেকে ২০২০, ৪৯ বছরে বার বার সম্ভাবনার দ্বার খুললেও পুরো সাফল্য দেখতে পারেনি ঢাকাই চলচ্চিত্র। এখনো সংকটের মধ্যেই পড়ে আছে। ২০০০ সালের পর চলচ্চিত্রে আসে অশ্লীলতার যুগ। সে সময় থেকে দর্শক হারাতে শুরু করে ঢাকাই ছবি। চলচ্চিত্র নির্মাতারা জানান, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ঢাকাই চলচ্চিত্র প্রথম ধাক্কা খায় ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্যে দিয়ে। এরপর বিভিন্ন সময়ে বার বার ধাক্কা খেয়েছে ইন্ডাস্ট্রি। তবে সব সংকটকে ছাড়িয়ে গেছে ২০২০ সাল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

তাসকিনের বদলি হিসেবে এলপিএলে হৃদয়

গভীর সংকটে ঢাকাই চলচ্চিত্র

আপডেট সময় ১০:৩২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

অনিশ্চিত এক ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগত। বিগত বছরের হিসাব অনুযায়ী ঈদ ছাড়া তেমন দর্শক পায় না সিনেমা হলগুলো। তার মধ্যে আবার করোনা বদলে দিয়েছে বিগ বাজেটের ছবিগুলোর ভবিষ্যত। অদৃশ্য এই ভাইরাসের কারণে বাক্সবন্দি হয়ে আছে সব ছবি। এক সময়ে দেশে ১৩০০ সিনেমা হল থাকলেও এখন সচল মাত্র ৬২টি। করোনার কারণে এর সংখ্যা কতটা নিচে নামবে, তা নিয়ে সিনেমা সংশ্লিষ্টদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাজ।

ঢাকাই সিনেমায় শিল্পী, গল্পকারসহ নানা সংকট বিদ্যমান। তারপর আবার সাত মাস ধরে বন্ধ সিনেমা হল। যদিও আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হল চালুর সিদ্ধান্ত হওয়াতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মালিকদের মধ্যে। কিন্তু মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ছবিগুলোর প্রযোজকরা ঝুঁকি নিয়ে এখনই সিনেমা মুক্তি দিতে চাচ্ছেন না। তারা আগে পরিস্থিতি বুঝবেন তারপর মুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন। গেল দুই ঈদ ছিল ছবিশূন্য। ইতিহাসে এবারই প্রথম ইদ উৎসবে সিনেমা হল তালাবন্ধ ছিল।

কয়েক বছর আগেও কাকরাইলে ছিল দেশের বেশ কিছু নামি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান অনেক আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। বাকিগুলো চলছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। তারপর আবার করোনা এসেছে বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য অভিশাপ হয়ে। চলতি বছরকে চলচ্চিত্রের বছর ভাবা হলেও সব হিসেব পাল্টে দিয়েছে এই করোনা। সারাদেশে প্রেক্ষাগৃহ কমে যাওয়া থেকে শুরু করে বেশ কিছু কারণে চলচ্চিত্রের আজ এই করুণ দশা।

১৯৭১ সাল থেকে ২০২০, ৪৯ বছরে বার বার সম্ভাবনার দ্বার খুললেও পুরো সাফল্য দেখতে পারেনি ঢাকাই চলচ্চিত্র। এখনো সংকটের মধ্যেই পড়ে আছে। ২০০০ সালের পর চলচ্চিত্রে আসে অশ্লীলতার যুগ। সে সময় থেকে দর্শক হারাতে শুরু করে ঢাকাই ছবি। চলচ্চিত্র নির্মাতারা জানান, যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ঢাকাই চলচ্চিত্র প্রথম ধাক্কা খায় ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্যে দিয়ে। এরপর বিভিন্ন সময়ে বার বার ধাক্কা খেয়েছে ইন্ডাস্ট্রি। তবে সব সংকটকে ছাড়িয়ে গেছে ২০২০ সাল।