ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে জনবান্ধব: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির তারেক রহমান এখন শেখ হাসিনার পথে হাঁটছেন: সারজিস আলম ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেবে ইউজিসি রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু আ.লীগ যেভাবে হামলা করেছিল, একইভাবে বিএনপি করছে: নাহিদ ইসলাম পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বরদাশত করা হবে না: মেয়র শাহাদাত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

পদত্যাগ করছেন লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেন লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সাররাজ। তিনিই আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃত লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী। কয়েকদিন আগেই বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করেছেন পূর্ব লিবিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী। এবার লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সাররাজও জানিয়ে দিলেন, অক্টোবরের শেষে তিনি নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে চান। তবে তিনি শুধু বিক্ষোভের জন্য পদত্যাগ করছেন না। তিনি পদত্যাগ করছেন দেশের বিবদমান বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সমঝোতার মধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পথ তৈরি করতে। এই গোষ্ঠীগুলো ১৮ মাসের মধ্যে ভোট করে নতুন সরকার গঠন করা নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছে।

২০১১ সালে দীর্ঘ সময়ের স্বৈরাচারী শাসক গদ্দাফির শাসন শেষ হওয়ার পর পূর্ব ও পশ্চিম লিবিয়ায় আলাদা প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার ক্ষমতায় আসে। সররাজ ছিলেন ত্রিপোলি-ভিত্তিক সরকারের প্রধান এবং জাতিসংঘ তার সরকারের পিছনে ছিল। তার সরকারকে বিভিন্ন দেশ স্বীকৃতি দিয়েছিল। আর পূর্ব লিবিয়ায় ক্ষমতায় ছিল অন্তর্বর্তী সরকার। পূর্ব লিবিয়া হলো খালিফা হাফতার ও তাঁর লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ)-র শক্ত ঘাঁটি।

পূর্বের মতো পশ্চিম লিবিয়াতেও ত্রিপোলি সহ অন্য শহরে দুর্নীতি, বিদ্যুৎ সংকট, জিনিসপত্রের মাত্রাছাড়া দাম নিয়ে বিক্ষোভ হচ্ছিল। এই বিক্ষোভ নিয়ে সররাজ সরকারের মধ্যে মতবিরোধ সামনে চলে আসে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন গোষ্ঠী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে সরকার তৈরি করা নিয়ে একমত হয়।

এই পরিস্থিতিতে সররাজ টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে বলেছেন, আমি জানাতে চাই, খুব দেরি হলে আগামী মাসের শেষের দিকে আমি নতুন প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

পদত্যাগ করছেন লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেন লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সাররাজ। তিনিই আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃত লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী। কয়েকদিন আগেই বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করেছেন পূর্ব লিবিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী। এবার লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সাররাজও জানিয়ে দিলেন, অক্টোবরের শেষে তিনি নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে চান। তবে তিনি শুধু বিক্ষোভের জন্য পদত্যাগ করছেন না। তিনি পদত্যাগ করছেন দেশের বিবদমান বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সমঝোতার মধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পথ তৈরি করতে। এই গোষ্ঠীগুলো ১৮ মাসের মধ্যে ভোট করে নতুন সরকার গঠন করা নিয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছে।

২০১১ সালে দীর্ঘ সময়ের স্বৈরাচারী শাসক গদ্দাফির শাসন শেষ হওয়ার পর পূর্ব ও পশ্চিম লিবিয়ায় আলাদা প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার ক্ষমতায় আসে। সররাজ ছিলেন ত্রিপোলি-ভিত্তিক সরকারের প্রধান এবং জাতিসংঘ তার সরকারের পিছনে ছিল। তার সরকারকে বিভিন্ন দেশ স্বীকৃতি দিয়েছিল। আর পূর্ব লিবিয়ায় ক্ষমতায় ছিল অন্তর্বর্তী সরকার। পূর্ব লিবিয়া হলো খালিফা হাফতার ও তাঁর লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ)-র শক্ত ঘাঁটি।

পূর্বের মতো পশ্চিম লিবিয়াতেও ত্রিপোলি সহ অন্য শহরে দুর্নীতি, বিদ্যুৎ সংকট, জিনিসপত্রের মাত্রাছাড়া দাম নিয়ে বিক্ষোভ হচ্ছিল। এই বিক্ষোভ নিয়ে সররাজ সরকারের মধ্যে মতবিরোধ সামনে চলে আসে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন গোষ্ঠী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে সরকার তৈরি করা নিয়ে একমত হয়।

এই পরিস্থিতিতে সররাজ টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে বলেছেন, আমি জানাতে চাই, খুব দেরি হলে আগামী মাসের শেষের দিকে আমি নতুন প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেব।