ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আমেরিকাকে আবারও চীনের হুঁশিয়ারি

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

দক্ষিণ চীন সাগরের পানিসীমা নিয়ে মতবিরোধে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে আমেরিকাকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, ওয়াশিংটন উত্তেজনা উসকে দিচ্ছে যা এই কৌশলগত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে ‘সবচেয়ে বড় বিপজ্জনক’ উপাদান হিসেবে কাজ করছে।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আসিয়ান জোটের শীর্ষ সম্মেলনে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দেওয়া এক বক্তৃতায় এ মন্তব্য করেন।

ওয়াং বলেন, “দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা চীনের কাছে কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। এছাড়া, এই অঞ্চলকে ঘিরে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো এবং চীনের অভিন্ন কৌশলগত আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।”

তিনি বলেন, “এই আকাঙ্ক্ষার প্রতি আমেরিকাসহ সব বহিঃশক্তি সম্মান প্রদর্শন এবং উত্তেজনা সৃষ্টি করে তা থেকে ফায়দা লোটা বন্ধ করবে বলে চীন আশা করছে।”

চীনের শীর্ষ কূটনীতিক অভিযোগ করেন, চীনসহ আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো যখন সংলাপের মাধ্যমে তাদের পানিসীমা নিয়ে মতবিরোধ নিরসনের চেষ্টা করছে তখন আমেরিকা এসব দেশের মধ্যে মতবিরোধ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

মার্কিন সরকার গতমাসে চীনের ২৪ নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ চীন সাগরে কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ ও সামরিক তৎপরতার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করে ওয়াশিংটন। এই বিরোধপূর্ণ পানিসীমাকে কেন্দ্র করে এই প্রথম ওয়াশিংটন বেইজং-এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিল।

বেইজিং দক্ষিণ চীন সাগরের বেশিরভাগ অঞ্চলের মালিকানা দাবি করে। সম্পদ-সমৃদ্ধ এ অঞ্চলের মালিকানার অন্যান্য দাবিদার দেশ হচ্ছে ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম। মার্কিন সরকার এই দ্বন্দ্বে চীনের কোনও কোনও প্রতিবেশী দেশকে সমর্থন দিচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল থেকে বছরে আয় হয় ৫ ট্রিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক সমুদ্র-সীমায় নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার অজুহাত দেখিয়ে আমেরিকা দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। চীন এ অঞ্চলে মার্কিন নৌ ও বিমান বাহিনীর সঙ্গে বেইজিংয়ের সংঘাত বেধে যেতে পারে বলে ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আমেরিকাকে আবারও চীনের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৪:৪৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

দক্ষিণ চীন সাগরের পানিসীমা নিয়ে মতবিরোধে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে আমেরিকাকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, ওয়াশিংটন উত্তেজনা উসকে দিচ্ছে যা এই কৌশলগত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে ‘সবচেয়ে বড় বিপজ্জনক’ উপাদান হিসেবে কাজ করছে।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আসিয়ান জোটের শীর্ষ সম্মেলনে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দেওয়া এক বক্তৃতায় এ মন্তব্য করেন।

ওয়াং বলেন, “দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা চীনের কাছে কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। এছাড়া, এই অঞ্চলকে ঘিরে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো এবং চীনের অভিন্ন কৌশলগত আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।”

তিনি বলেন, “এই আকাঙ্ক্ষার প্রতি আমেরিকাসহ সব বহিঃশক্তি সম্মান প্রদর্শন এবং উত্তেজনা সৃষ্টি করে তা থেকে ফায়দা লোটা বন্ধ করবে বলে চীন আশা করছে।”

চীনের শীর্ষ কূটনীতিক অভিযোগ করেন, চীনসহ আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো যখন সংলাপের মাধ্যমে তাদের পানিসীমা নিয়ে মতবিরোধ নিরসনের চেষ্টা করছে তখন আমেরিকা এসব দেশের মধ্যে মতবিরোধ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

মার্কিন সরকার গতমাসে চীনের ২৪ নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ চীন সাগরে কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ ও সামরিক তৎপরতার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করে ওয়াশিংটন। এই বিরোধপূর্ণ পানিসীমাকে কেন্দ্র করে এই প্রথম ওয়াশিংটন বেইজং-এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিল।

বেইজিং দক্ষিণ চীন সাগরের বেশিরভাগ অঞ্চলের মালিকানা দাবি করে। সম্পদ-সমৃদ্ধ এ অঞ্চলের মালিকানার অন্যান্য দাবিদার দেশ হচ্ছে ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম। মার্কিন সরকার এই দ্বন্দ্বে চীনের কোনও কোনও প্রতিবেশী দেশকে সমর্থন দিচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল থেকে বছরে আয় হয় ৫ ট্রিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক সমুদ্র-সীমায় নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষার অজুহাত দেখিয়ে আমেরিকা দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। চীন এ অঞ্চলে মার্কিন নৌ ও বিমান বাহিনীর সঙ্গে বেইজিংয়ের সংঘাত বেধে যেতে পারে বলে ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে।