ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চীনা আগ্রাসনের জবাব দিতে এবার লাদাখে নতুন মিসাইল মোতায়েন করল ভারত

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

একের পর এক বৈঠক। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতিতে কোনও উন্নতি নেই। প্রতিদিনই কার্যত ছক বদলে চলেছে চীন। তবে সেনা সরানোয় নেই কোনও সদর্থক পদক্ষেপ। উল্টো ক্রমশ সেনা বিল্ড আপ চালাচ্ছে বেইজিং। এই পরিস্থিতিতে এবার চীন সীমান্তের কাছে মোতায়েন করা হলো শক্তিশালী অস্ত্রসম্পন্ন ভারতীয় সেনাবাহিনী। চীনা আগ্রাসন ঠেকাতে এবার কড়া সিদ্ধান্ত ভারতের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চীন সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে ভারতীয় বাহিনী, যাদের কাছে রয়েছে রাশিয়ার শক্তিশালী ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। যা ভারতের আকাশসীমায় শ্ত্রুদের অনুপ্রবেশকে আটকাতে সক্ষম”।

চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত ভারতীয় বাহিনীও। সামরিক শক্তি বাড়াতে রাশিয়ার কাছ থেকে ‘৯কে৩৮ ইগলা’ মিসাইলের দ্রুত আমদানি করেছে ভারত। এর মাধ্যমে ভারতীয় আকাশ সীমায় ঢুকলে চীনা ও পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানকে সহজেই ধরাশায়ী করতে পারবে বলে ভারতীয় সেনা জানিয়েছে।
রাশিয়ান প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’ দিয়ে ভারতীয় বাহিনীকে সজ্জিত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ লাইন-অফ-অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল এলাকায় কাঁধে রাখার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম দিয়েই চীনকে এভাবেই কোণঠাসা করার পরিকল্পনা করেছে ভারত।

যে কোনও রকম উসকানিমূলক কাজ এবং আকাশসীমা লঙ্ঘনকে আটকাতে সক্ষম এই অস্ত্র। ভারতের মাটিতে ঢুকলেই হামলা চালাতে সক্ষম এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। চীনকে মুখের ওপর জবাব দিতে সীমান্তে ভারত সাজিয়েছে সুখোই ৩০ এমকেআই, মিগ ২৯ ও মিরাজ ২০০০।

একদিকে ভারতকে বিভিন্ন বৈঠকের নামে ব্যস্ত রাখা, অন্যদিকে সুকৌশলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা সাজিয়ে যাওয়া। একের পর এক এলাকায় সেনা সাজাচ্ছে চীন। ক্রমশ উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। এই অবস্থায় চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত।

চীনের মোকাবিলায় সামরিক কায়দায় জবাব দেওয়ার রাস্তা খোলা রয়েছে। তবে ভারত এবং চীনের সেনাবাহিনী আলোচনা ও কূটনৈতিক পথে সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে। আর সেই সমাধানের রাস্তা বন্ধ হলেই সামরিক রাস্তায় এগনোর কথা ভারত ভাববে বলেও জানিয়েছেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস)।

বিশেষত ৭টি বিমানবাহিনীর ঘাঁটির তালিকা তৈরি হয়েছে, যেখানে বিশেষ খেয়াল রাখা হয়েছে। এই ৭টি বিমানবাহিনীর ঘাঁটি হলো- হোটান, গার গুনসা, কাশঘার, হোপিং, ঢোংকা ডিজং, লিংঝি ও পনঘাট। এই সাতটি বিমানবাহিনীর ঘাঁটি ছড়িয়ে রয়েছে চিনের ঝিজিয়াং ও তিব্বত রিজিয়নে। চীনা বিমানবাহিনীর সাতটি ঘাঁটির ওপর কড়া নজর রেখেছে ভারতীয় সেনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চীনা আগ্রাসনের জবাব দিতে এবার লাদাখে নতুন মিসাইল মোতায়েন করল ভারত

আপডেট সময় ১১:০৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

একের পর এক বৈঠক। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতিতে কোনও উন্নতি নেই। প্রতিদিনই কার্যত ছক বদলে চলেছে চীন। তবে সেনা সরানোয় নেই কোনও সদর্থক পদক্ষেপ। উল্টো ক্রমশ সেনা বিল্ড আপ চালাচ্ছে বেইজিং। এই পরিস্থিতিতে এবার চীন সীমান্তের কাছে মোতায়েন করা হলো শক্তিশালী অস্ত্রসম্পন্ন ভারতীয় সেনাবাহিনী। চীনা আগ্রাসন ঠেকাতে এবার কড়া সিদ্ধান্ত ভারতের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চীন সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে ভারতীয় বাহিনী, যাদের কাছে রয়েছে রাশিয়ার শক্তিশালী ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। যা ভারতের আকাশসীমায় শ্ত্রুদের অনুপ্রবেশকে আটকাতে সক্ষম”।

চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত ভারতীয় বাহিনীও। সামরিক শক্তি বাড়াতে রাশিয়ার কাছ থেকে ‘৯কে৩৮ ইগলা’ মিসাইলের দ্রুত আমদানি করেছে ভারত। এর মাধ্যমে ভারতীয় আকাশ সীমায় ঢুকলে চীনা ও পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানকে সহজেই ধরাশায়ী করতে পারবে বলে ভারতীয় সেনা জানিয়েছে।
রাশিয়ান প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’ দিয়ে ভারতীয় বাহিনীকে সজ্জিত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ লাইন-অফ-অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল এলাকায় কাঁধে রাখার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম দিয়েই চীনকে এভাবেই কোণঠাসা করার পরিকল্পনা করেছে ভারত।

যে কোনও রকম উসকানিমূলক কাজ এবং আকাশসীমা লঙ্ঘনকে আটকাতে সক্ষম এই অস্ত্র। ভারতের মাটিতে ঢুকলেই হামলা চালাতে সক্ষম এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। চীনকে মুখের ওপর জবাব দিতে সীমান্তে ভারত সাজিয়েছে সুখোই ৩০ এমকেআই, মিগ ২৯ ও মিরাজ ২০০০।

একদিকে ভারতকে বিভিন্ন বৈঠকের নামে ব্যস্ত রাখা, অন্যদিকে সুকৌশলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা সাজিয়ে যাওয়া। একের পর এক এলাকায় সেনা সাজাচ্ছে চীন। ক্রমশ উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। এই অবস্থায় চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত।

চীনের মোকাবিলায় সামরিক কায়দায় জবাব দেওয়ার রাস্তা খোলা রয়েছে। তবে ভারত এবং চীনের সেনাবাহিনী আলোচনা ও কূটনৈতিক পথে সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে। আর সেই সমাধানের রাস্তা বন্ধ হলেই সামরিক রাস্তায় এগনোর কথা ভারত ভাববে বলেও জানিয়েছেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস)।

বিশেষত ৭টি বিমানবাহিনীর ঘাঁটির তালিকা তৈরি হয়েছে, যেখানে বিশেষ খেয়াল রাখা হয়েছে। এই ৭টি বিমানবাহিনীর ঘাঁটি হলো- হোটান, গার গুনসা, কাশঘার, হোপিং, ঢোংকা ডিজং, লিংঝি ও পনঘাট। এই সাতটি বিমানবাহিনীর ঘাঁটি ছড়িয়ে রয়েছে চিনের ঝিজিয়াং ও তিব্বত রিজিয়নে। চীনা বিমানবাহিনীর সাতটি ঘাঁটির ওপর কড়া নজর রেখেছে ভারতীয় সেনা।