ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও নিরাপত্তা জন্য প্রধান হুমকি ইসরায়েল: হিজবুল্লাহ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও নিরাপত্তা জন্য প্রধান হুমকি। ইসরায়েলের যেকোনো ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপ নস্যাৎ করার বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে আল-মানার টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে দেয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, “আমাদের এই অঞ্চলে দখলদার ইসরায়েলের উপস্থিতি প্রধান হুমকি।”

সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, যদি কেউ ইসরায়েলি শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চায় তাহলে তাদেরকে ফিলিস্তিনের ইতিহাস জানতে হবে। আমাদেরকে অবশ্যই জানতে হবে কারা এই আগ্রাসীরা, কোথা থেকে তারা এলো এবং তাদের লক্ষ্য কি, তাদের শক্তি ও দুর্বলতা কী তাও জানতে হবে।

হিজবুল্লাহ মহাসচিব বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় আদিবাসীদের গণহত্যার মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে আমেরিকা এবং ইসরায়েলের কাছ থেকে অধিকার পাওয়ার আশা করা দুরাশা মাত্র-কারণ এই দুটোই একই ধরনের সন্ত্রাসী চরিত্রের অধিকারী।

হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, বর্তমানে আমেরিকা সারাবিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। আমেরিকা হচ্ছে বর্ণবাদী এবং নৃশংস একটি দেশ যা অন্যায় এবং বর্ণবৈষম্যের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমেরিকা ভুয়া খবরের পেছনের কথা গোপন করে এবং প্রতারণাপূর্ণ নীতি বাস্তবায়ন করে।

যেসব আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ অনুসরণ করছেন তাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, মার্কিন চাপের কাছে এসব আরব দেশ এই ধ্বংসাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি এবং অবরোধ আরোপ-এ সবই ফিলিস্তিনি জাতিকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে আত্মসমর্পণ করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও নিরাপত্তা জন্য প্রধান হুমকি ইসরায়েল: হিজবুল্লাহ

আপডেট সময় ১১:১৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েল হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও নিরাপত্তা জন্য প্রধান হুমকি। ইসরায়েলের যেকোনো ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপ নস্যাৎ করার বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে আল-মানার টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে দেয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।

হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, “আমাদের এই অঞ্চলে দখলদার ইসরায়েলের উপস্থিতি প্রধান হুমকি।”

সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, যদি কেউ ইসরায়েলি শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চায় তাহলে তাদেরকে ফিলিস্তিনের ইতিহাস জানতে হবে। আমাদেরকে অবশ্যই জানতে হবে কারা এই আগ্রাসীরা, কোথা থেকে তারা এলো এবং তাদের লক্ষ্য কি, তাদের শক্তি ও দুর্বলতা কী তাও জানতে হবে।

হিজবুল্লাহ মহাসচিব বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় আদিবাসীদের গণহত্যার মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে আমেরিকা এবং ইসরায়েলের কাছ থেকে অধিকার পাওয়ার আশা করা দুরাশা মাত্র-কারণ এই দুটোই একই ধরনের সন্ত্রাসী চরিত্রের অধিকারী।

হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, বর্তমানে আমেরিকা সারাবিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। আমেরিকা হচ্ছে বর্ণবাদী এবং নৃশংস একটি দেশ যা অন্যায় এবং বর্ণবৈষম্যের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমেরিকা ভুয়া খবরের পেছনের কথা গোপন করে এবং প্রতারণাপূর্ণ নীতি বাস্তবায়ন করে।

যেসব আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ অনুসরণ করছেন তাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, মার্কিন চাপের কাছে এসব আরব দেশ এই ধ্বংসাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি এবং অবরোধ আরোপ-এ সবই ফিলিস্তিনি জাতিকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে আত্মসমর্পণ করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।