ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধোনির থেকে অনেক কিছু শেখার আছে: হাবিবুল বাশার

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রথমবার সাক্ষী হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির। ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে সে ম্যাচে বিপক্ষে ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের মনে এখনও টাটকা সেই সময়ের ধোনি। ৫০টি টেস্ট ও ১১১টি ওয়ানডে খেলা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বলেছেন, ধোনির কাছ থেকে বাংলাদেশের জুনিয়র-সিনিয়র সব ক্রিকেটারেরই শেখার আছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমনটি বলেছেন তিনি।

বাংলাদেশের একজন সাবেক অধিনায়ক হিসাবেই শুধু নয়, আপনার সঙ্গে ধোনির সম্পর্ক অনেক গভীর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধোনির অভিষেক ঘটেছিল আপনার দলের বিরুদ্ধে। ২০০৪ থেকে ২০২০। লম্বা সময়। ধোনির ক্রিকেট সফর কীভাবে দেখছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘প্রথমেই ফিনিশার ধোনির কথা বলতে হয়। এমন ফিনিশার খুব কম এসেছে ক্রিকেটে। হয়তো আগামী দিনেও কম আসবে। একজন ক্যাপ্টেন হিসেবেও ওর মতো কাউকে পাওয়া মুশকিল। অধিনায়ককে নিজের কাজটা ঠিকঠাক করার জন্য পারফর্ম করা জরুরি। সেটা ও করেছে। সবচেয়ে ভাল দিক হলো, ওর মনের মধ্যে কী রয়েছে, তা ও কিছুতেই বুঝতে দিত না। কেউ বুঝতে পারত না ও কী ভাবছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেখুন, ক্যাপ্টেন যদি টেনশনে পড়ে যায়, উত্তেজিত হয়ে পড়ে, তবে তা সংক্রামিত হয় দলের মধ্যে। আমি নিশ্চিত, ধোনিরও নির্ঘাত টেনশন হত। একজন ক্যাপ্টেন হিসেবে আমি এটা বুঝতে পারি। কিন্তু তা কখনও দেখাত না। সব সময় ওকে একই রকম দেখাত। যা বিশাল বড় গুণ। ওর মাথাটা খুব ঠান্ডা। ফলে, সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হত। রিভিউ সিস্টেমের কথাই বলুন না। ওর মতো পারফেক্ট রিভিউ খুব কম উইকেটকিপারই নিতে পারে। কারণ, ওর মাথাটা একেবারে ঠান্ডা। যার ফলে সিদ্ধান্তে ভুল হত না। আমার মনে হয় বাংলাদেশের ওর কাছে থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে।’

কী কী শেখার রয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘অনেক কিছু। একজন তরুণ ক্রিকেটার যেমন শিখতে পারে, তেমনই সিনিয়ররাও পারে ওকে দেখে, অনুকরণ করে। ভারতের মতো দলকে সামলানো সহজ নয়। যে কোনও পরিস্থিতিতে, যেকোনও মুহূর্তে ও সিনিয়র-জুনিয়রদের একসঙ্গে সামলেছে। একটা দলকে কী করে গড়ে তুলতে হয়, সেই নিরিখে ও দৃষ্টান্ত হয়ে থেকে যাবে। আর সেটা সবার কাছেই থাকবে। ও গ্রেট পার্সন, গ্রেট ক্রিকেটার। এখন ওর অবসর নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয় অবসর নিয়ে না ভেবে ওর সামগ্রিক ক্যারিয়ারের দিকে তাকানো উচিত। আর তা হলেই পরিষ্কার হবে যে, ধোনির থেকে সবারই অনেক কিছু শেখার রয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ধোনির থেকে অনেক কিছু শেখার আছে: হাবিবুল বাশার

আপডেট সময় ০৯:৪১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রথমবার সাক্ষী হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির। ডিসেম্বরে চট্টগ্রামে সে ম্যাচে বিপক্ষে ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের মনে এখনও টাটকা সেই সময়ের ধোনি। ৫০টি টেস্ট ও ১১১টি ওয়ানডে খেলা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বলেছেন, ধোনির কাছ থেকে বাংলাদেশের জুনিয়র-সিনিয়র সব ক্রিকেটারেরই শেখার আছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমনটি বলেছেন তিনি।

বাংলাদেশের একজন সাবেক অধিনায়ক হিসাবেই শুধু নয়, আপনার সঙ্গে ধোনির সম্পর্ক অনেক গভীর। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধোনির অভিষেক ঘটেছিল আপনার দলের বিরুদ্ধে। ২০০৪ থেকে ২০২০। লম্বা সময়। ধোনির ক্রিকেট সফর কীভাবে দেখছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘প্রথমেই ফিনিশার ধোনির কথা বলতে হয়। এমন ফিনিশার খুব কম এসেছে ক্রিকেটে। হয়তো আগামী দিনেও কম আসবে। একজন ক্যাপ্টেন হিসেবেও ওর মতো কাউকে পাওয়া মুশকিল। অধিনায়ককে নিজের কাজটা ঠিকঠাক করার জন্য পারফর্ম করা জরুরি। সেটা ও করেছে। সবচেয়ে ভাল দিক হলো, ওর মনের মধ্যে কী রয়েছে, তা ও কিছুতেই বুঝতে দিত না। কেউ বুঝতে পারত না ও কী ভাবছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেখুন, ক্যাপ্টেন যদি টেনশনে পড়ে যায়, উত্তেজিত হয়ে পড়ে, তবে তা সংক্রামিত হয় দলের মধ্যে। আমি নিশ্চিত, ধোনিরও নির্ঘাত টেনশন হত। একজন ক্যাপ্টেন হিসেবে আমি এটা বুঝতে পারি। কিন্তু তা কখনও দেখাত না। সব সময় ওকে একই রকম দেখাত। যা বিশাল বড় গুণ। ওর মাথাটা খুব ঠান্ডা। ফলে, সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হত। রিভিউ সিস্টেমের কথাই বলুন না। ওর মতো পারফেক্ট রিভিউ খুব কম উইকেটকিপারই নিতে পারে। কারণ, ওর মাথাটা একেবারে ঠান্ডা। যার ফলে সিদ্ধান্তে ভুল হত না। আমার মনে হয় বাংলাদেশের ওর কাছে থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে।’

কী কী শেখার রয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘অনেক কিছু। একজন তরুণ ক্রিকেটার যেমন শিখতে পারে, তেমনই সিনিয়ররাও পারে ওকে দেখে, অনুকরণ করে। ভারতের মতো দলকে সামলানো সহজ নয়। যে কোনও পরিস্থিতিতে, যেকোনও মুহূর্তে ও সিনিয়র-জুনিয়রদের একসঙ্গে সামলেছে। একটা দলকে কী করে গড়ে তুলতে হয়, সেই নিরিখে ও দৃষ্টান্ত হয়ে থেকে যাবে। আর সেটা সবার কাছেই থাকবে। ও গ্রেট পার্সন, গ্রেট ক্রিকেটার। এখন ওর অবসর নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয় অবসর নিয়ে না ভেবে ওর সামগ্রিক ক্যারিয়ারের দিকে তাকানো উচিত। আর তা হলেই পরিষ্কার হবে যে, ধোনির থেকে সবারই অনেক কিছু শেখার রয়েছে।’