ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি বাবাকে অপমানের ক্ষোভে ৫ বছরের শিশুকে হত্যা করেন নিহা ‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল রাজধানীর তিন সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ১৩ পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার করল বিরোধী দল ১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

আমাকে নিষিদ্ধ করার কারণ আমি আজও জানি না: আজহারউদ্দিন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

ম্যাচ গড়াপেটার কারণে ভারতের সাবেক অধিনায়ক আজহারউদ্দিনকে আজীবন নির্বাসিত করেছিল বিসিসিআই। কিন্তু আদালেতে এই নির্বাসনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন তিনি। ২০০০ সালের ডিসেম্বরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কারণে আজহারউদ্দিনকে বিসিসিআই আজীবন নির্বাসনে পাঠায়।

তবে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে নির্বাসন প্রত্যাহার করার জন্য বোর্ডকে নির্দেশ দেয় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট। ২০১২ সালে আদালত এটিকে ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করে।

ক্রিকেট পাকিস্তান ডটকমের ওয়েবসাইটে দেওয়া একটি সাক্ষাতকারে আজহারউদ্দিনতার জীবনের অন্যতম কঠিনতম সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, যা ঘটেছে তার জন্য আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। তবে আমাকে নিষিদ্ধ করার কারণ আমি আজও সত্যিই জানি না৷

সাবেক ভারত অধিনায়ক আরও বলেন, তবে আমি লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং আমি কৃতজ্ঞ যে ১২ বছর পর আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। তারপর হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। পরে আমি বিসিসিআইয়ের এজিএম-এ যোগ দিয়ে আমি খুব সন্তুষ্ট বোধ করেছি।

আজহারউদ্দিন ৯৯টি টেস্ট খেলেছেন। ৪৫ গড়ে ৬১২৫ রান করেছেন। তিনি ৩৩৪ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। রান করেছেন ৯৩৭৮।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

আমাকে নিষিদ্ধ করার কারণ আমি আজও জানি না: আজহারউদ্দিন

আপডেট সময় ০৯:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

ম্যাচ গড়াপেটার কারণে ভারতের সাবেক অধিনায়ক আজহারউদ্দিনকে আজীবন নির্বাসিত করেছিল বিসিসিআই। কিন্তু আদালেতে এই নির্বাসনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন তিনি। ২০০০ সালের ডিসেম্বরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কারণে আজহারউদ্দিনকে বিসিসিআই আজীবন নির্বাসনে পাঠায়।

তবে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে আজহারউদ্দিনের বিরুদ্ধে নির্বাসন প্রত্যাহার করার জন্য বোর্ডকে নির্দেশ দেয় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট। ২০১২ সালে আদালত এটিকে ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করে।

ক্রিকেট পাকিস্তান ডটকমের ওয়েবসাইটে দেওয়া একটি সাক্ষাতকারে আজহারউদ্দিনতার জীবনের অন্যতম কঠিনতম সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, যা ঘটেছে তার জন্য আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। তবে আমাকে নিষিদ্ধ করার কারণ আমি আজও সত্যিই জানি না৷

সাবেক ভারত অধিনায়ক আরও বলেন, তবে আমি লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবং আমি কৃতজ্ঞ যে ১২ বছর পর আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি। তারপর হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। পরে আমি বিসিসিআইয়ের এজিএম-এ যোগ দিয়ে আমি খুব সন্তুষ্ট বোধ করেছি।

আজহারউদ্দিন ৯৯টি টেস্ট খেলেছেন। ৪৫ গড়ে ৬১২৫ রান করেছেন। তিনি ৩৩৪ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। রান করেছেন ৯৩৭৮।