ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রংপুরে ৭০ শতাংশ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টেক সেন্টার অনুমোদনহীন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রংপুরে ৭০ শতাংশ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টেক সেন্টার অনুমোদনহীন। স্বাস্থ্য সেবার অনিয়ম ও প্রতারণার বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছেন স্থানীয় প্রশাসন। গত এক সপ্তাহে একাধিক ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতারসহ কমপক্ষে ১০ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার ৪ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে রংপুর নগরীর ধাপ এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহানের নেতৃত্ব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিরা ছিলেন। অভিযানে আপডেট ক্লিনিক, ল্যাব এইড ডায়েগনস্টিক সেন্টার, রোজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মৌখিকভাবে সর্তক করা হয়।

শনিবার নগরীর ধাপে অনুমোদনহীন ২টি ক্লিনিককে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় মা-বাবা হাসপাতালের মালিক খলিলুর রহমানকে গ্রেফতারসহ ৩টি ক্লিনিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সিভিল সার্জন অফিসের কোন অনুমোদন না থাকা, মৃত চিকিৎসকদের নামে চিকিৎসাপত্র দেয়াসহ চিকিৎসক না থাকায় প্রতিষ্ঠানে মালিক মো. খলিলুর রহমান সোহেলকে ২০ হাজার টাকা জরিমান ও ১ মাসের জেল দেয়া হয়। সেই সাথে ক্লিনিকটি সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এরপর অনুমোদনহীন পপুলার জেনারেল হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ডিউটি চিকিৎসক না থাকা, বিকল্প বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা না থাকায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়। এদিকে অনুমোদন অপেক্ষামান থাকা স্বত্বেও চিকিৎসা প্রদানের দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতালকে।

এর অগে মাধ্যমিক পাশ না করেই রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সোবা হাসপাতাল নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি প্রতিদিনই নিয়মিত রোগী দেখতেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিতেন। এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান জানান, জেলা প্রশাসনের আওতায় নিবন্ধনহীন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর থেকে শোনা যাচ্ছে ৭০ শতাংশ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন নেই। তারা রোগীদের সাথে প্রতারণা ও হয়রানি করে আসছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

রংপুরে ৭০ শতাংশ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টেক সেন্টার অনুমোদনহীন

আপডেট সময় ০৮:৪০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রংপুরে ৭০ শতাংশ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টেক সেন্টার অনুমোদনহীন। স্বাস্থ্য সেবার অনিয়ম ও প্রতারণার বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছেন স্থানীয় প্রশাসন। গত এক সপ্তাহে একাধিক ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতারসহ কমপক্ষে ১০ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার ৪ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে রংপুর নগরীর ধাপ এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহানের নেতৃত্ব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিরা ছিলেন। অভিযানে আপডেট ক্লিনিক, ল্যাব এইড ডায়েগনস্টিক সেন্টার, রোজ হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মৌখিকভাবে সর্তক করা হয়।

শনিবার নগরীর ধাপে অনুমোদনহীন ২টি ক্লিনিককে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় মা-বাবা হাসপাতালের মালিক খলিলুর রহমানকে গ্রেফতারসহ ৩টি ক্লিনিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সিভিল সার্জন অফিসের কোন অনুমোদন না থাকা, মৃত চিকিৎসকদের নামে চিকিৎসাপত্র দেয়াসহ চিকিৎসক না থাকায় প্রতিষ্ঠানে মালিক মো. খলিলুর রহমান সোহেলকে ২০ হাজার টাকা জরিমান ও ১ মাসের জেল দেয়া হয়। সেই সাথে ক্লিনিকটি সিলগালা করে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এরপর অনুমোদনহীন পপুলার জেনারেল হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ডিউটি চিকিৎসক না থাকা, বিকল্প বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা না থাকায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়। এদিকে অনুমোদন অপেক্ষামান থাকা স্বত্বেও চিকিৎসা প্রদানের দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় রংপুর স্পেশালাইজড হাসপাতালকে।

এর অগে মাধ্যমিক পাশ না করেই রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নিজেকে এমবিবিএস ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সোবা হাসপাতাল নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি প্রতিদিনই নিয়মিত রোগী দেখতেন এবং ব্যবস্থাপত্র দিতেন। এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান জানান, জেলা প্রশাসনের আওতায় নিবন্ধনহীন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর থেকে শোনা যাচ্ছে ৭০ শতাংশ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধন নেই। তারা রোগীদের সাথে প্রতারণা ও হয়রানি করে আসছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।