ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘পাটকল শ্রমিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী চোখের পানি ফেলেছেন’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পাটকল শ্রমিকদের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী চোখের পানি ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

তিনি বলেন, ‘এক বছর আগে (রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের বিষয়টি) ঠিক হয়েছে। আমরা যেহেতু লসের ভার বইতে পারছিলাম না, দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হবে, তাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল এগুলোকে (সরকারি পাটকল) কীভাবে আরও উন্নত মানের করা যায় (সে বিষয়ে)। পুরনো টেকনোলজি দিয়ে আমাদের এই কারখানাগুলো টিকতে পারছে না। মাসের পর মাস লস করছে। এখানে আমাদের শ্রমিক ভাইয়েরা দায়ী না-এটা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই শ্রমিক ভাইয়েরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আন্দোলন করেছেন। এক লাখ শ্রমিক বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আন্দোলন করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন। শ্রমিকদের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী চোখের পানি ফেলেছেন। বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিল এরা, এদের তো পুনর্বাসন করতে হবে, এদেরকে আরও ট্রেনিং দেয়া যায় কি-না?’

শুক্রবার রাজধানীর পাটমন্ত্রীর বাসভবনে পাটকল নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে পাটমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পাটমন্ত্রী বলেন, গতকাল অর্থসচিবকে বলেছেন এদেরকে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করো, তাদেরকে আমার দরকার, তাদেরকে হারাতে চাই না। প্রধানমন্ত্রীর পাট শ্রমিকদের প্রতি কেন যেন এত মায়া?’

শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ‘আমাদের চেয়ে শ্রমিকের প্রতি বেদনা প্রধানমন্ত্রীর বেশি। পাটকল বন্ধ নিয়ে যখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলি, তখন পাটকল বন্ধের ঘোষণা আর শ্রমিকের কথা শুনে মনে হলো সেদিন প্রধানমন্ত্রী কাঁদছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি শ্রমিকের পাওনা একসঙ্গে দেয়ার সিদ্ধান্ত, শ্রমিকের টাকা কেউ যাতে মেরে খেতে না পারে সে ব্যবস্থা করেন।’

তিনি বলেন, ‘পাটকল বন্ধ ঘোষণা করা মানে এগুলোকে শেষ করে দেয়া নয়। সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নতুন করে যাত্রা শুরু করবে পাটকল। এতে লোকসান হবে না, এর মাধ্যমে উৎপাদন বাড়বে, অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। পাটকল বন্ধ হওয়া মানে আমার দৃষ্টিতে শ্রমিকরা কর্মহীন হচ্ছে না, তবে ভালো জায়গায় যেতে হলে কিছু বেদনা থাকবে। তবে আমার দাবি থাকবে যাতে টাকাগুলো শ্রমিকরা এককালীন পান।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘পাটকল শ্রমিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী চোখের পানি ফেলেছেন’

আপডেট সময় ১০:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পাটকল শ্রমিকদের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী চোখের পানি ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

তিনি বলেন, ‘এক বছর আগে (রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের বিষয়টি) ঠিক হয়েছে। আমরা যেহেতু লসের ভার বইতে পারছিলাম না, দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হবে, তাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল এগুলোকে (সরকারি পাটকল) কীভাবে আরও উন্নত মানের করা যায় (সে বিষয়ে)। পুরনো টেকনোলজি দিয়ে আমাদের এই কারখানাগুলো টিকতে পারছে না। মাসের পর মাস লস করছে। এখানে আমাদের শ্রমিক ভাইয়েরা দায়ী না-এটা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই শ্রমিক ভাইয়েরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আন্দোলন করেছেন। এক লাখ শ্রমিক বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আন্দোলন করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন। শ্রমিকদের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী চোখের পানি ফেলেছেন। বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিল এরা, এদের তো পুনর্বাসন করতে হবে, এদেরকে আরও ট্রেনিং দেয়া যায় কি-না?’

শুক্রবার রাজধানীর পাটমন্ত্রীর বাসভবনে পাটকল নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে পাটমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পাটমন্ত্রী বলেন, গতকাল অর্থসচিবকে বলেছেন এদেরকে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করো, তাদেরকে আমার দরকার, তাদেরকে হারাতে চাই না। প্রধানমন্ত্রীর পাট শ্রমিকদের প্রতি কেন যেন এত মায়া?’

শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ‘আমাদের চেয়ে শ্রমিকের প্রতি বেদনা প্রধানমন্ত্রীর বেশি। পাটকল বন্ধ নিয়ে যখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলি, তখন পাটকল বন্ধের ঘোষণা আর শ্রমিকের কথা শুনে মনে হলো সেদিন প্রধানমন্ত্রী কাঁদছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি শ্রমিকের পাওনা একসঙ্গে দেয়ার সিদ্ধান্ত, শ্রমিকের টাকা কেউ যাতে মেরে খেতে না পারে সে ব্যবস্থা করেন।’

তিনি বলেন, ‘পাটকল বন্ধ ঘোষণা করা মানে এগুলোকে শেষ করে দেয়া নয়। সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নতুন করে যাত্রা শুরু করবে পাটকল। এতে লোকসান হবে না, এর মাধ্যমে উৎপাদন বাড়বে, অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। পাটকল বন্ধ হওয়া মানে আমার দৃষ্টিতে শ্রমিকরা কর্মহীন হচ্ছে না, তবে ভালো জায়গায় যেতে হলে কিছু বেদনা থাকবে। তবে আমার দাবি থাকবে যাতে টাকাগুলো শ্রমিকরা এককালীন পান।’