ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ট্রাম্পের সভায় তুলে ফেলা হয় সতর্কতার স্টিকার

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

সমালোচনা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

তার কারণও আছে ঢের– কোনো নিয়মনীতির থোড়াই কেয়ার করেন না তিনি। খবর রয়টার্স, বিবিসির ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

করোনার এই মহামারীর সময় ট্রাম্পের প্রচারসভায় ভিড় বাড়াতে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে লোক বসানো হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার বিরুদ্ধে এবার এমনই অভিযোগ তুলল দেশটির সংবাদমাধ্যমের একাংশ।ওকলাহোমার টালসায় ব্যাংক অব ওকলাহোমা সেন্টারে গত ২০ জুন প্রথম নির্বাচনী সভা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ১৯ হাজার আসনের ওই স্টেডিয়ামে একটি করে আসন ছেড়ে লোকজনকে বসানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

এ জন্য একটি আসনের পর চেয়ারগুলোতে লাগিয়ে দেয়া হয় ‘ডু নট সিট হিয়ার প্লিজ’ স্টিকারও। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থা স্টিকারগুলো তুলে ফেলে বলে জানিয়েছে সংবাদপত্রগুলো।

অভিযোগ প্রমাণ করতে সংবাদপত্রগুলো একটি ভিডিও সামনে এনেছে। তাতে দেখা গেছে, প্রত্যেক সারিতে নেমে চেয়ারের ওপর থেকে স্টিকারগুলো তুলে ফেলছেন দুই স্বেচ্ছাসেবী।

ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার নির্দেশেই তারা সেগুলো তুলে ফেলেন বলে অভিযোগ দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

এমনকি প্রচারসভায় সামাজিক দূরত্ববিধি নিয়ে কোনো স্টিকার বা পোস্টার থাকুক, প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থা তাও চায়নি বলে বিলবোর্ড ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন ব্যাংক অব ওকলাহোমা সেন্টার যে সংস্থার অধীনে, তার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডাগ থর্নটন।

এ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থাও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

যে সময় ট্রাম্প ওকলাহোমায় সভা করতে গিয়েছিলেন, সেই সময় সেখানে করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি ছিল।

তা সত্ত্বেও জনসমাবেশ করায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তোপের মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই প্রচারসভা থেকে ফিরে ট্রাম্পের ৮ জনের শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস ধরা পড়ে বলে জানা গেছে। আরও বেশ কয়েক জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ট্রাম্পের সভায় তুলে ফেলা হয় সতর্কতার স্টিকার

আপডেট সময় ০২:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

সমালোচনা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

তার কারণও আছে ঢের– কোনো নিয়মনীতির থোড়াই কেয়ার করেন না তিনি। খবর রয়টার্স, বিবিসির ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

করোনার এই মহামারীর সময় ট্রাম্পের প্রচারসভায় ভিড় বাড়াতে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে লোক বসানো হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার বিরুদ্ধে এবার এমনই অভিযোগ তুলল দেশটির সংবাদমাধ্যমের একাংশ।ওকলাহোমার টালসায় ব্যাংক অব ওকলাহোমা সেন্টারে গত ২০ জুন প্রথম নির্বাচনী সভা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ১৯ হাজার আসনের ওই স্টেডিয়ামে একটি করে আসন ছেড়ে লোকজনকে বসানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

এ জন্য একটি আসনের পর চেয়ারগুলোতে লাগিয়ে দেয়া হয় ‘ডু নট সিট হিয়ার প্লিজ’ স্টিকারও। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থা স্টিকারগুলো তুলে ফেলে বলে জানিয়েছে সংবাদপত্রগুলো।

অভিযোগ প্রমাণ করতে সংবাদপত্রগুলো একটি ভিডিও সামনে এনেছে। তাতে দেখা গেছে, প্রত্যেক সারিতে নেমে চেয়ারের ওপর থেকে স্টিকারগুলো তুলে ফেলছেন দুই স্বেচ্ছাসেবী।

ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার নির্দেশেই তারা সেগুলো তুলে ফেলেন বলে অভিযোগ দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

এমনকি প্রচারসভায় সামাজিক দূরত্ববিধি নিয়ে কোনো স্টিকার বা পোস্টার থাকুক, প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থা তাও চায়নি বলে বিলবোর্ড ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন ব্যাংক অব ওকলাহোমা সেন্টার যে সংস্থার অধীনে, তার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডাগ থর্নটন।

এ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থাও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

যে সময় ট্রাম্প ওকলাহোমায় সভা করতে গিয়েছিলেন, সেই সময় সেখানে করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি ছিল।

তা সত্ত্বেও জনসমাবেশ করায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তোপের মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই প্রচারসভা থেকে ফিরে ট্রাম্পের ৮ জনের শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস ধরা পড়ে বলে জানা গেছে। আরও বেশ কয়েক জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।