ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বদলে যাচ্ছে র‍্যাবের নাম, হচ্ছে এসআইএফ একাত্তর আমাদের অস্তিত্ব, একটি গোষ্ঠী সেটিকে পেছনে ফেলতে চায়: মির্জা ফখরুল জাপানে ভারি তুষারপাতে ৩০ জনের প্রাণহানি রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার জামায়াত ক্ষমতায় আসলে আবার নতুন করে ফ্যাসিবাদের আবির্ভাব হবে: রিজভী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সব ধর্ম নিয়ে ফুলের বাগানের মতো দেশ সাজাবো ইনশাআল্লাহ: জামায়াত আমির জামায়াত চাঁদা নিলে হাদিয়া, অন্যরা নিলে চাঁদাবাজি : বুলু রাজধানীর মানিকনগরে নারী ব্যাংকারের বাসায় ২৭ লাখ টাকার স্বর্ণাালঙ্কার চুরি, গ্রেফতার ২ ঘুষ গ্রহণের দায়ে চীনের সাবেক মন্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ট্রাম্পের সভায় তুলে ফেলা হয় সতর্কতার স্টিকার

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

সমালোচনা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

তার কারণও আছে ঢের– কোনো নিয়মনীতির থোড়াই কেয়ার করেন না তিনি। খবর রয়টার্স, বিবিসির ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

করোনার এই মহামারীর সময় ট্রাম্পের প্রচারসভায় ভিড় বাড়াতে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে লোক বসানো হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার বিরুদ্ধে এবার এমনই অভিযোগ তুলল দেশটির সংবাদমাধ্যমের একাংশ।ওকলাহোমার টালসায় ব্যাংক অব ওকলাহোমা সেন্টারে গত ২০ জুন প্রথম নির্বাচনী সভা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ১৯ হাজার আসনের ওই স্টেডিয়ামে একটি করে আসন ছেড়ে লোকজনকে বসানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

এ জন্য একটি আসনের পর চেয়ারগুলোতে লাগিয়ে দেয়া হয় ‘ডু নট সিট হিয়ার প্লিজ’ স্টিকারও। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থা স্টিকারগুলো তুলে ফেলে বলে জানিয়েছে সংবাদপত্রগুলো।

অভিযোগ প্রমাণ করতে সংবাদপত্রগুলো একটি ভিডিও সামনে এনেছে। তাতে দেখা গেছে, প্রত্যেক সারিতে নেমে চেয়ারের ওপর থেকে স্টিকারগুলো তুলে ফেলছেন দুই স্বেচ্ছাসেবী।

ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার নির্দেশেই তারা সেগুলো তুলে ফেলেন বলে অভিযোগ দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

এমনকি প্রচারসভায় সামাজিক দূরত্ববিধি নিয়ে কোনো স্টিকার বা পোস্টার থাকুক, প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থা তাও চায়নি বলে বিলবোর্ড ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন ব্যাংক অব ওকলাহোমা সেন্টার যে সংস্থার অধীনে, তার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডাগ থর্নটন।

এ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থাও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

যে সময় ট্রাম্প ওকলাহোমায় সভা করতে গিয়েছিলেন, সেই সময় সেখানে করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি ছিল।

তা সত্ত্বেও জনসমাবেশ করায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তোপের মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই প্রচারসভা থেকে ফিরে ট্রাম্পের ৮ জনের শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস ধরা পড়ে বলে জানা গেছে। আরও বেশ কয়েক জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের ৪ দিন আগে দল ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

ট্রাম্পের সভায় তুলে ফেলা হয় সতর্কতার স্টিকার

আপডেট সময় ০২:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

সমালোচনা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

তার কারণও আছে ঢের– কোনো নিয়মনীতির থোড়াই কেয়ার করেন না তিনি। খবর রয়টার্স, বিবিসির ও দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

করোনার এই মহামারীর সময় ট্রাম্পের প্রচারসভায় ভিড় বাড়াতে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে লোক বসানো হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার বিরুদ্ধে এবার এমনই অভিযোগ তুলল দেশটির সংবাদমাধ্যমের একাংশ।ওকলাহোমার টালসায় ব্যাংক অব ওকলাহোমা সেন্টারে গত ২০ জুন প্রথম নির্বাচনী সভা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ১৯ হাজার আসনের ওই স্টেডিয়ামে একটি করে আসন ছেড়ে লোকজনকে বসানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

এ জন্য একটি আসনের পর চেয়ারগুলোতে লাগিয়ে দেয়া হয় ‘ডু নট সিট হিয়ার প্লিজ’ স্টিকারও। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থা স্টিকারগুলো তুলে ফেলে বলে জানিয়েছে সংবাদপত্রগুলো।

অভিযোগ প্রমাণ করতে সংবাদপত্রগুলো একটি ভিডিও সামনে এনেছে। তাতে দেখা গেছে, প্রত্যেক সারিতে নেমে চেয়ারের ওপর থেকে স্টিকারগুলো তুলে ফেলছেন দুই স্বেচ্ছাসেবী।

ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার নির্দেশেই তারা সেগুলো তুলে ফেলেন বলে অভিযোগ দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের।

এমনকি প্রচারসভায় সামাজিক দূরত্ববিধি নিয়ে কোনো স্টিকার বা পোস্টার থাকুক, প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থা তাও চায়নি বলে বিলবোর্ড ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন ব্যাংক অব ওকলাহোমা সেন্টার যে সংস্থার অধীনে, তার সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডাগ থর্নটন।

এ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে থাকা সংস্থাও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

যে সময় ট্রাম্প ওকলাহোমায় সভা করতে গিয়েছিলেন, সেই সময় সেখানে করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি ছিল।

তা সত্ত্বেও জনসমাবেশ করায় স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তোপের মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই প্রচারসভা থেকে ফিরে ট্রাম্পের ৮ জনের শরীরে কোভিড-১৯ ভাইরাস ধরা পড়ে বলে জানা গেছে। আরও বেশ কয়েক জনকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।