ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দুই কানাডিয়ানের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে হতাশ ট্রুডো

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো চীনে কানাডার আটক দুই নাগরিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

কানাডার স্থানীয় গণমাধ্যম সিটিভি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, সরকার ১৮ মাস ধরে চীনে আটক দুই কানাডিয়ানকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে যারা শুক্রবার রাজনৈতিকভাবে অভিযুক্ত মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।

জাস্টিন ট্রুডো আরও বলেন, চীন প্রসিকিউটররা যে অভিযোগ প্রকাশ করেছেন তাতে তিনি “অত্যন্ত হতাশ”, অন্যদিকে উপ-প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এই সংবাদে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষুব্ধ বোধ করেছেন।
উল্লেখ্য, আটক মাইকেল কোভরিগ হলেন সাবেক কূটনীতিক এবং মাইকেল স্পাভর হলেন একজন ব্যবসায়ী। তাদেরকে আটকের ১৮ মাস পর সরকারিভাবে তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। কোভরিগের মামলাটি বেইজিংয়ের প্রসিকিউটররা এবং স্পাভরের মামলাটি দেশটির উত্তর-পূর্ব প্রদেশের লিয়াওনিংয়ের প্রসিকিউটররা পরিচালনা করছেন।

জানা গেছে, চীনা নাগরিক মেং ওয়াংঝু গত বছরের ডিসেম্বরে কানাডায় আটক হওয়ার পর ওই দু’জনকে আটক করে চীন। মেং ওয়াংঝু আটকের পর থেকেই দেশ দু’টির মধ্যে বৈরিতা বাড়তে থাকে। তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে মেং ওয়াংঝুকে আটক করে কানাডা।

মেং ওয়াংঝু আটক হওয়ার পর থেকেই কানাডার নিন্দা করে আসছে চীন। ওই তিন ব্যক্তির আটকের ঘটনায় চীন-কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে মেং ওয়াংঝুকে আটক করে কানাডা। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কানাডার কর্তৃপক্ষকে বার বার ‘তাদের ভুল সংশোধন’ করার এবং মেং ওয়াংঝুকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে যখন একটি টানাপোড়েনের সম্পর্ক চলছে, ঠিক তখনই গ্রেফতার হন মেং ওয়াংঝু। যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যর্পণ অনুরোধে ১ ডিসেম্বর কানাডার ভাঙ্কুভার বিমানবন্দরে হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতার মেয়ে মেং ওয়াংঝুকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানে প্রযুক্তি বিক্রি করার অভিযোগ করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দুই কানাডিয়ানের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে হতাশ ট্রুডো

আপডেট সময় ০৩:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো চীনে কানাডার আটক দুই নাগরিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

কানাডার স্থানীয় গণমাধ্যম সিটিভি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, সরকার ১৮ মাস ধরে চীনে আটক দুই কানাডিয়ানকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে যারা শুক্রবার রাজনৈতিকভাবে অভিযুক্ত মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন।

জাস্টিন ট্রুডো আরও বলেন, চীন প্রসিকিউটররা যে অভিযোগ প্রকাশ করেছেন তাতে তিনি “অত্যন্ত হতাশ”, অন্যদিকে উপ-প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড এই সংবাদে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষুব্ধ বোধ করেছেন।
উল্লেখ্য, আটক মাইকেল কোভরিগ হলেন সাবেক কূটনীতিক এবং মাইকেল স্পাভর হলেন একজন ব্যবসায়ী। তাদেরকে আটকের ১৮ মাস পর সরকারিভাবে তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। কোভরিগের মামলাটি বেইজিংয়ের প্রসিকিউটররা এবং স্পাভরের মামলাটি দেশটির উত্তর-পূর্ব প্রদেশের লিয়াওনিংয়ের প্রসিকিউটররা পরিচালনা করছেন।

জানা গেছে, চীনা নাগরিক মেং ওয়াংঝু গত বছরের ডিসেম্বরে কানাডায় আটক হওয়ার পর ওই দু’জনকে আটক করে চীন। মেং ওয়াংঝু আটকের পর থেকেই দেশ দু’টির মধ্যে বৈরিতা বাড়তে থাকে। তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে মেং ওয়াংঝুকে আটক করে কানাডা।

মেং ওয়াংঝু আটক হওয়ার পর থেকেই কানাডার নিন্দা করে আসছে চীন। ওই তিন ব্যক্তির আটকের ঘটনায় চীন-কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে মেং ওয়াংঝুকে আটক করে কানাডা। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কানাডার কর্তৃপক্ষকে বার বার ‘তাদের ভুল সংশোধন’ করার এবং মেং ওয়াংঝুকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে যখন একটি টানাপোড়েনের সম্পর্ক চলছে, ঠিক তখনই গ্রেফতার হন মেং ওয়াংঝু। যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যর্পণ অনুরোধে ১ ডিসেম্বর কানাডার ভাঙ্কুভার বিমানবন্দরে হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতার মেয়ে মেং ওয়াংঝুকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানে প্রযুক্তি বিক্রি করার অভিযোগ করা হচ্ছে।