ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

লস অ্যাঞ্জেলেসে কনস্যুলেট ভবন কেনায় দুর্নীতি, ব্যবস্থা নিতে নোটিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ কনস্যুলেট ভবন ও কনসাল জেনারেলের বাসভবন ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের সাবেক কনসাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহাকে ই-মেইলে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশ পাওয়ার পর আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে এবং কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা জানাতে বলা হয়েছে। অন্যথায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে বৃহস্পতিবার বিকালে ই-মেইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. হুমায়ন কবির পল্লব এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার এই নোটিশ পাঠান। বিষয়টি শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব।

নোটিশে বলা হয়, যেহেতু ভবন দুটি ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, দুর্নীতি দমন আইন অনুযায়ী অভিযোগের অনুসন্ধান, তদন্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া দুদকের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কেননা বিষয়টির সঙ্গে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাছাড়া অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা সেটা জানবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। এত বড় ধরনের একটি দুর্নীতির অভিযোগে কোনো ধরনের দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে দুর্নীতিবাজরা অনুপ্রাণিত হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই আইনজীবী বলেন, লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনস্যুলেট অফিস স্থাপনের জন্য গত বছর জুন মাসে একটি বাড়ি কেনা হয়। সেই বাড়িটির ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ৮৩ লাখ মার্কিন ডলার। যা বর্তমান বাজারমূল্যের চেয়ে ২৩ গুণ বেশি।

অন্যদিকে কনস্যুলেট অফিসের কনসাল জেনারেলের বাসভবনের জন্য আরেকটি বাড়ি কেনা হয়েছে। সেই বাড়িটি কেনা হয়েছে ৩২ লাখ মার্কিন ডলারে। যেটার বর্তমান বাজারমূল্য ২০ লাখ ডলারের চেয়ে বেশি হওয়ার কথা নয়। কনস্যুলেট অফিস এবং আবাসিক ভবন বাজারমূল্যের চেয়েও অনেক বেশি দামে ক্রয় করায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ করা হয় বলে রিপোর্ট থেকে জানা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

লস অ্যাঞ্জেলেসে কনস্যুলেট ভবন কেনায় দুর্নীতি, ব্যবস্থা নিতে নোটিশ

আপডেট সময় ০৮:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ কনস্যুলেট ভবন ও কনসাল জেনারেলের বাসভবন ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের সাবেক কনসাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহাকে ই-মেইলে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশ পাওয়ার পর আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে এবং কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা জানাতে বলা হয়েছে। অন্যথায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে বৃহস্পতিবার বিকালে ই-মেইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. হুমায়ন কবির পল্লব এবং ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাউছার এই নোটিশ পাঠান। বিষয়টি শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব।

নোটিশে বলা হয়, যেহেতু ভবন দুটি ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, দুর্নীতি দমন আইন অনুযায়ী অভিযোগের অনুসন্ধান, তদন্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া দুদকের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কেননা বিষয়টির সঙ্গে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি জড়িত। তাছাড়া অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা সেটা জানবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। এত বড় ধরনের একটি দুর্নীতির অভিযোগে কোনো ধরনের দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে দুর্নীতিবাজরা অনুপ্রাণিত হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই আইনজীবী বলেন, লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কনস্যুলেট অফিস স্থাপনের জন্য গত বছর জুন মাসে একটি বাড়ি কেনা হয়। সেই বাড়িটির ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ৮৩ লাখ মার্কিন ডলার। যা বর্তমান বাজারমূল্যের চেয়ে ২৩ গুণ বেশি।

অন্যদিকে কনস্যুলেট অফিসের কনসাল জেনারেলের বাসভবনের জন্য আরেকটি বাড়ি কেনা হয়েছে। সেই বাড়িটি কেনা হয়েছে ৩২ লাখ মার্কিন ডলারে। যেটার বর্তমান বাজারমূল্য ২০ লাখ ডলারের চেয়ে বেশি হওয়ার কথা নয়। কনস্যুলেট অফিস এবং আবাসিক ভবন বাজারমূল্যের চেয়েও অনেক বেশি দামে ক্রয় করায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ করা হয় বলে রিপোর্ট থেকে জানা যায়।