ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়া সব যোগাযোগ বন্ধ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এমনকি দুই দেশের নেতাদের যোগাযোগের হটলাইনও বন্ধ থাকবে।

দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘শত্রু’ উল্লেখ করে উত্তর কোরিয়া জানায়, দেশটির বিরুদ্ধে নিতে যাওয়া কয়েকটি পদক্ষেপের একটি হল ওই যোগাযোগ রাখা। খবর বিবিসির।

সেই সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ চ্যানেলও বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

মঙ্গলবার থেকে উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী শহর কেসংয়ে অবস্থিত দুই কোরিয়ার লিয়াজোঁ অফিসে দৈনিক ফোনকল বন্ধ থাকবে।

অনেক আলাপ-আলোচনার পর দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্কের সংকট কমানোর জন্য ২০১৮ সালে লিয়াজোঁ অফিস খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটলেও কোনো শান্তিচুক্তিতে না পৌঁছানোয় আদতে উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়া এখনো যুদ্ধাবস্থায়ই রয়েছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বিধিনিষেধের কারণে জানুয়ারি মাসে লিয়াজোঁ অফিসটি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তখন ফোনের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ হতো।

অফিসের মাধ্যমে ফোনকলে প্রতিদিন সকাল ৯টা এবং বিকেল ৫টায় দুই কোরিয়া যোগাযোগ করতো।

তবে ২১ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো ৮ জুন সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার করা কলের উত্তর দেয়নি উত্তর কোরিয়া। তবে বিকেলে দু’দেশের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছে বলে জানানো হয়।

এর আগে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং হুমকি দিয়েছিলেন, দক্ষিণ থেকে উত্তরে দেশদ্রোহীদের লিফলেট পাঠানো বন্ধ না হলে, লিয়াজোঁ অফিস বন্ধ করে দেয়া হবে।

২০১৮ সালের পানমুনজম সম্মেলনে দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুন জে ইনের সঙ্গে কিম জং উনের যে শান্তিচুক্তি হয়েছিল, লিফলেট ক্যাম্পেইনের কারণে সেটি ভঙ্গ হয়েছে বলে জানান তিনি।

উত্তর কোরিয়ার দেশদ্রোহীরা প্রায়ই দক্ষিণ থেকে ব্যালুনের মাধ্যমে উত্তরের বিভিন্ন অঞ্চলে লিফলেট বা বার্তা পাঠিয়ে থাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়া সব যোগাযোগ বন্ধ

আপডেট সময় ০৪:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এমনকি দুই দেশের নেতাদের যোগাযোগের হটলাইনও বন্ধ থাকবে।

দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘শত্রু’ উল্লেখ করে উত্তর কোরিয়া জানায়, দেশটির বিরুদ্ধে নিতে যাওয়া কয়েকটি পদক্ষেপের একটি হল ওই যোগাযোগ রাখা। খবর বিবিসির।

সেই সঙ্গে সামরিক যোগাযোগ চ্যানেলও বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

মঙ্গলবার থেকে উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী শহর কেসংয়ে অবস্থিত দুই কোরিয়ার লিয়াজোঁ অফিসে দৈনিক ফোনকল বন্ধ থাকবে।

অনেক আলাপ-আলোচনার পর দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্কের সংকট কমানোর জন্য ২০১৮ সালে লিয়াজোঁ অফিস খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটলেও কোনো শান্তিচুক্তিতে না পৌঁছানোয় আদতে উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়া এখনো যুদ্ধাবস্থায়ই রয়েছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বিধিনিষেধের কারণে জানুয়ারি মাসে লিয়াজোঁ অফিসটি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তখন ফোনের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ হতো।

অফিসের মাধ্যমে ফোনকলে প্রতিদিন সকাল ৯টা এবং বিকেল ৫টায় দুই কোরিয়া যোগাযোগ করতো।

তবে ২১ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো ৮ জুন সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার করা কলের উত্তর দেয়নি উত্তর কোরিয়া। তবে বিকেলে দু’দেশের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছে বলে জানানো হয়।

এর আগে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং হুমকি দিয়েছিলেন, দক্ষিণ থেকে উত্তরে দেশদ্রোহীদের লিফলেট পাঠানো বন্ধ না হলে, লিয়াজোঁ অফিস বন্ধ করে দেয়া হবে।

২০১৮ সালের পানমুনজম সম্মেলনে দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট মুন জে ইনের সঙ্গে কিম জং উনের যে শান্তিচুক্তি হয়েছিল, লিফলেট ক্যাম্পেইনের কারণে সেটি ভঙ্গ হয়েছে বলে জানান তিনি।

উত্তর কোরিয়ার দেশদ্রোহীরা প্রায়ই দক্ষিণ থেকে ব্যালুনের মাধ্যমে উত্তরের বিভিন্ন অঞ্চলে লিফলেট বা বার্তা পাঠিয়ে থাকে।