ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আফ্রিদিকে বাংলাদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে কথা বলার পর থেকেই তীব্র সমালোচনার শিকার হচ্ছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। এবার তাকে ভর্ৎসনা করলেন জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপি প্রধান রবীন্দ্র রায়না। সেই প্রসঙ্গে ‘বুমবুম’কে বাংলাদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন তিনি।

রায়না বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে আফ্রিদির কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য বন্ধ করা উচিত। আমরা জানি, সে খেলোয়াড়ি জীবনে হতাশ ও মরিয়া ক্রিকেটার ছিল। শচীন টেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলী, বীরেন্দ্র শেবাগ এবং রাহুল দ্রাবিড়ের ব্যাটিংয়ের সময় বোলিংয়ে এসে প্রায়ই পরাস্ত হতো ও। সেটা এখনও ভুলতে পারেনি পাক অলরাউন্ডার।

তিনি বলেন, ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে লাহোর, করাচি ও ইসলামাবাদে নিজেদের পতাকা উড়িয়েছে ভারতীয় সেনারা। সেই তারাই ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ নামে নতুন রাষ্ট্রের সৃষ্টি করেছে। ১৯৯৯ সালে কাশ্মীরের কারগিলে গোপনে অভিযান চালিয়েছিল পাক ফৌজরা। তবে তাদের পিটিয়ে তাড়িয়ে দেয় আমাদের সাহসী সন্তানরা (সৈন্য)।

সম্প্রতি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ত্রাণ বিতরণ করতে যান আফ্রিদি। সেখানে গিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে একহাত নেন তিনি। সাবেক পাক অধিনায়ক দাবি করেন, কাশ্মীরি ভাই-বোনদের জোর করে নিজেদের কব্জায় রেখেছে ভারতীয় সরকার। তাদের বেশিরভাগই পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকতে চায়। করোনাভাইরাসের চেয়েও বড় রোগ বাসা বেঁধেছে মোদির মনে। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন উনি।

আফ্রিদির ইট মারার জবাব দ্রুত পাটকেল ছুড়ে দেন টিম ইন্ডিয়ার সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা। সেই তালিকায় আছেন গৌতম গম্ভীর, হরভজন সিং, যুবরাজ সিং, সুরেশ রায়না, শিখর ধাওয়ানরা। তাকে কাশ্মীরের আশা ছেড়ে দিতে বলেন তারা। বরং পাকিস্তানি সুপারস্টারকে পিছিয়ে পড়া নিজ দেশের উন্নয়নে মনোনিবেশ করতে বলেন সবাই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আফ্রিদিকে বাংলাদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা

আপডেট সময় ০৮:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে কথা বলার পর থেকেই তীব্র সমালোচনার শিকার হচ্ছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। এবার তাকে ভর্ৎসনা করলেন জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপি প্রধান রবীন্দ্র রায়না। সেই প্রসঙ্গে ‘বুমবুম’কে বাংলাদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন তিনি।

রায়না বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে আফ্রিদির কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য বন্ধ করা উচিত। আমরা জানি, সে খেলোয়াড়ি জীবনে হতাশ ও মরিয়া ক্রিকেটার ছিল। শচীন টেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলী, বীরেন্দ্র শেবাগ এবং রাহুল দ্রাবিড়ের ব্যাটিংয়ের সময় বোলিংয়ে এসে প্রায়ই পরাস্ত হতো ও। সেটা এখনও ভুলতে পারেনি পাক অলরাউন্ডার।

তিনি বলেন, ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে লাহোর, করাচি ও ইসলামাবাদে নিজেদের পতাকা উড়িয়েছে ভারতীয় সেনারা। সেই তারাই ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ নামে নতুন রাষ্ট্রের সৃষ্টি করেছে। ১৯৯৯ সালে কাশ্মীরের কারগিলে গোপনে অভিযান চালিয়েছিল পাক ফৌজরা। তবে তাদের পিটিয়ে তাড়িয়ে দেয় আমাদের সাহসী সন্তানরা (সৈন্য)।

সম্প্রতি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ত্রাণ বিতরণ করতে যান আফ্রিদি। সেখানে গিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে একহাত নেন তিনি। সাবেক পাক অধিনায়ক দাবি করেন, কাশ্মীরি ভাই-বোনদের জোর করে নিজেদের কব্জায় রেখেছে ভারতীয় সরকার। তাদের বেশিরভাগই পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকতে চায়। করোনাভাইরাসের চেয়েও বড় রোগ বাসা বেঁধেছে মোদির মনে। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন উনি।

আফ্রিদির ইট মারার জবাব দ্রুত পাটকেল ছুড়ে দেন টিম ইন্ডিয়ার সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা। সেই তালিকায় আছেন গৌতম গম্ভীর, হরভজন সিং, যুবরাজ সিং, সুরেশ রায়না, শিখর ধাওয়ানরা। তাকে কাশ্মীরের আশা ছেড়ে দিতে বলেন তারা। বরং পাকিস্তানি সুপারস্টারকে পিছিয়ে পড়া নিজ দেশের উন্নয়নে মনোনিবেশ করতে বলেন সবাই।