ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ‘ছাত্র’কে দেখানো হলো ‘ছাত্রী চানখাঁরপুলে ৬ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ,দোষী অনেকে তালিকা থেকে বাদ সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোস্টগার্ডকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘অনন্তকাল’ যুদ্ধ চালানোর মতো অস্ত্রের মজুত আমেরিকার আছে : ট্রাম্প তেহরান ও বৈরুতে হামলার দাবি ইসরায়েলের গলাকাটা অবস্থায় ইকোপার্কের জঙ্গলে হাঁটা শিশুটি মারা গেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার স্ত্রীর লাশ উদ্ধার মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল–ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ ইরানে ‘বড় হামলা’ এখনো শুরুই হয়নি: ট্রাম্প হামলা ও সংঘাতের ঘটনা বিশ্ব সভ্যতার জন্য ভয়াবহ বার্তা দিচ্ছে: মির্জা ফখরুল

ধর্ষণে অভিযুক্ত ভারতীয় ধর্মগুরুর রায় ঘিরে ভক্তদের তাণ্ডব, নিহত ১২

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

দুটি ধর্ষণ মামলায় বিতর্কিত ধর্মগুরু রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করে দেয়া রায়ের সহিংস প্রতিবাদে ভারতের দুটি রাজ্যে ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, রায় ঘোষণার পরপরই পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

বিভিন্ন স্থানে লাঠি, বাঁশ, ইট-পাথর নিয়ে পুলিশের উপর হামলে পড়ে ধর্মগুরুর সমর্থকরা। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও গুলি চালায়। এ ঘটনায় ৭ জন নিহত ও ৫০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হরিয়ানা ও পাঞ্জাব রাজ্য ছাড়াও সংঘর্ষ ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, পাঞ্জাবের দু’টি রেলওয়ে স্টেশনে ইতিমধ্যেই আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন রাম রহিমের সমর্থকরা। দুই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় থানা এবং সরকারি দফতরে আগুন লাগানো শুরু হয়েছে। পাঁচকুলা ছাড়াও পাঞ্জাবের ভাতিন্ডা, মনসা, মুকতাসর, ফিরোজপুরে কার্ফু জারি করা হয়েছে।

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের ডেরা সাচা সওদার প্রধান ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে নিজের এক শিষ্যকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

সোমবার তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করবে আদালত। আইন অনুযায়ী তার সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

শুক্রবার হরিয়ানা রাজ্যের পঞ্চকুলার বিশেষ সিবিআই আদালত বাবা রামকে ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করে।

রায়ের পর আদালত তাকে আমবালার অস্থায়ী কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এরপর কড়া নিরাপত্তায় রাম রহিমকে নিয়ে কারাগারের পথে রওনা করে নয়টি গাড়ির বহর। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে তার ভক্তরা। এরপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর কমপক্ষে পাঁচটি টিম মোতায়েন করা হয়েছ।

উল্লেখ্য, হরিয়ানার সিরসা শহরের কাছে অবস্থিত এলাকার ডেরা সাচা সওদার সদর দফতরের ভেতরে একজন শিষ্যকে রাম রহিম নিয়মিত ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্ষিতা ২০০২ সালে থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি দাবি করেন, ১৯৯৯ সালে রাম রহিম তাকে ধর্ষণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ‘ছাত্র’কে দেখানো হলো ‘ছাত্রী

ধর্ষণে অভিযুক্ত ভারতীয় ধর্মগুরুর রায় ঘিরে ভক্তদের তাণ্ডব, নিহত ১২

আপডেট সময় ০৬:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

দুটি ধর্ষণ মামলায় বিতর্কিত ধর্মগুরু রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করে দেয়া রায়ের সহিংস প্রতিবাদে ভারতের দুটি রাজ্যে ১২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, রায় ঘোষণার পরপরই পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

বিভিন্ন স্থানে লাঠি, বাঁশ, ইট-পাথর নিয়ে পুলিশের উপর হামলে পড়ে ধর্মগুরুর সমর্থকরা। পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও গুলি চালায়। এ ঘটনায় ৭ জন নিহত ও ৫০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হরিয়ানা ও পাঞ্জাব রাজ্য ছাড়াও সংঘর্ষ ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, পাঞ্জাবের দু’টি রেলওয়ে স্টেশনে ইতিমধ্যেই আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন রাম রহিমের সমর্থকরা। দুই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় থানা এবং সরকারি দফতরে আগুন লাগানো শুরু হয়েছে। পাঁচকুলা ছাড়াও পাঞ্জাবের ভাতিন্ডা, মনসা, মুকতাসর, ফিরোজপুরে কার্ফু জারি করা হয়েছে।

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের ডেরা সাচা সওদার প্রধান ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের বিরুদ্ধে নিজের এক শিষ্যকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

সোমবার তার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করবে আদালত। আইন অনুযায়ী তার সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

শুক্রবার হরিয়ানা রাজ্যের পঞ্চকুলার বিশেষ সিবিআই আদালত বাবা রামকে ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করে।

রায়ের পর আদালত তাকে আমবালার অস্থায়ী কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এরপর কড়া নিরাপত্তায় রাম রহিমকে নিয়ে কারাগারের পথে রওনা করে নয়টি গাড়ির বহর। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে তার ভক্তরা। এরপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর কমপক্ষে পাঁচটি টিম মোতায়েন করা হয়েছ।

উল্লেখ্য, হরিয়ানার সিরসা শহরের কাছে অবস্থিত এলাকার ডেরা সাচা সওদার সদর দফতরের ভেতরে একজন শিষ্যকে রাম রহিম নিয়মিত ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ধর্ষিতা ২০০২ সালে থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি দাবি করেন, ১৯৯৯ সালে রাম রহিম তাকে ধর্ষণ করেন।