ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সেই ‘নাগিন ড্যান্স’ কেন দিয়েছিলেন, জানালেন মুশফিক

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিজয় উৎসব উদযাপনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শারীরিক ভঙ্গি হচ্ছে – ‘নাগিন ড্যান্স’।

জাতীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু উইকেট পেলেই দু হাত সাপুড়ের মত করে নেচে ওঠে তা উদযাপন করেন।

তবে নাজমুলের এই ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়ে একবার বিশ্ব মাতিয়েছিলেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম।

২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকের ৩৫ বলে ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৩ রান তাড়া করে অবিস্মরণীয় এক জয় পায় বাংলাদেশ।

ম্যাচে জয়ের পর হঠাৎ ‘নাগিন ড্যান্স’ দিতে শুরু করেন মুশফিক। শান্ত, সুবোধ ও লাজুক ধরনের এই ক্রিকেটারের এমন নৃত্য দেখে সবাই অবাক হয়ে যান।

মুশফিকের সেই ডান্স রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। এ নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম হয়নি দেশে-বিদেশে।

শনিবার রাতে নিজের ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাটের নিলাম শুরুর লাইভ অনুষ্ঠানে এসে মুশফিক জানালেন, সেদিন কেন তিনি নাজমুল অপুর মতো করে ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়েছিলেন।

মুশফিক বলেন, ‘এটা আসলে আগে থেকে ঠিক করা ছিল না। এটা নতুন কোনো সেলিব্রেশনও ছিল না। অপু ভাই প্রথম শুরু করেন। আমার ইচ্ছা ছিল শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যদি আমরা জিততে পারি, তাহলে স্পেশাল কিছু করব। ঐ ম্যাচের উইনিং রানও এসেছিল আমার ব্যাট থেকে। তাই আনন্দের আত্মহারা হয়ে ওই নাগিন ড্যান্স দিয়েছিলাম।’

সেই সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে মুশফিক আরও বলেন, ওই জয়টি বিশেষ কিছু ছিল আমাদের জন্য। কারণ শ্রীলঙ্কার মাটিতে আমাদের জয়ের রেকর্ড ছিল না। আমরা সেখানে এর আগে কখনও ২১৩ রান তাড়া করে জিতিনি। তাই সেই জয়টি ছিনিয়ে আনতে পেরে বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়তে চাইছিল মন। আনন্দের মাত্রা খুব বেশি ছিল। খুশিতে ওই ডান্স দিয়ে ফেলি। তারপরে ওটা ফেমাস হয়ে যায়।

তিনি যোগ করেন, বিষয়টা আমার নিজের উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এটা তাৎক্ষণিকভাবে করা। কাউকে হেয় করার জন্য করিনি। শুধুমাত্র সাধারণ একটা উদযাপন হিসাবে দেখা উচিৎ এটা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সেই ‘নাগিন ড্যান্স’ কেন দিয়েছিলেন, জানালেন মুশফিক

আপডেট সময় ০৯:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিজয় উৎসব উদযাপনে সবচেয়ে জনপ্রিয় শারীরিক ভঙ্গি হচ্ছে – ‘নাগিন ড্যান্স’।

জাতীয় দলের বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু উইকেট পেলেই দু হাত সাপুড়ের মত করে নেচে ওঠে তা উদযাপন করেন।

তবে নাজমুলের এই ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়ে একবার বিশ্ব মাতিয়েছিলেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম।

২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকের ৩৫ বলে ৭২ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৩ রান তাড়া করে অবিস্মরণীয় এক জয় পায় বাংলাদেশ।

ম্যাচে জয়ের পর হঠাৎ ‘নাগিন ড্যান্স’ দিতে শুরু করেন মুশফিক। শান্ত, সুবোধ ও লাজুক ধরনের এই ক্রিকেটারের এমন নৃত্য দেখে সবাই অবাক হয়ে যান।

মুশফিকের সেই ডান্স রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। এ নিয়ে অবশ্য সমালোচনাও কম হয়নি দেশে-বিদেশে।

শনিবার রাতে নিজের ডাবল সেঞ্চুরির ব্যাটের নিলাম শুরুর লাইভ অনুষ্ঠানে এসে মুশফিক জানালেন, সেদিন কেন তিনি নাজমুল অপুর মতো করে ‘নাগিন ড্যান্স’ দিয়েছিলেন।

মুশফিক বলেন, ‘এটা আসলে আগে থেকে ঠিক করা ছিল না। এটা নতুন কোনো সেলিব্রেশনও ছিল না। অপু ভাই প্রথম শুরু করেন। আমার ইচ্ছা ছিল শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যদি আমরা জিততে পারি, তাহলে স্পেশাল কিছু করব। ঐ ম্যাচের উইনিং রানও এসেছিল আমার ব্যাট থেকে। তাই আনন্দের আত্মহারা হয়ে ওই নাগিন ড্যান্স দিয়েছিলাম।’

সেই সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে মুশফিক আরও বলেন, ওই জয়টি বিশেষ কিছু ছিল আমাদের জন্য। কারণ শ্রীলঙ্কার মাটিতে আমাদের জয়ের রেকর্ড ছিল না। আমরা সেখানে এর আগে কখনও ২১৩ রান তাড়া করে জিতিনি। তাই সেই জয়টি ছিনিয়ে আনতে পেরে বাঁধ ভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়তে চাইছিল মন। আনন্দের মাত্রা খুব বেশি ছিল। খুশিতে ওই ডান্স দিয়ে ফেলি। তারপরে ওটা ফেমাস হয়ে যায়।

তিনি যোগ করেন, বিষয়টা আমার নিজের উল্লাসের বহিঃপ্রকাশ মাত্র। এটা তাৎক্ষণিকভাবে করা। কাউকে হেয় করার জন্য করিনি। শুধুমাত্র সাধারণ একটা উদযাপন হিসাবে দেখা উচিৎ এটা।