ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

করোনা আক্রান্তদের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে: গবেষণা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তাদের গবেষণার কমতিও নেই এ জন্য। এরই মধ্যে গবেষণায় বের করে এনেছে একটি স্বস্তির খবর। মার্কিন গবেষকরা বলছেন, করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের বেশির ভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে।

অর্থাৎ একবার সেরে উঠলে আরেকবার আক্রান্ত না হওয়ার একটা সুযোগ আছে। তবে এই অ্যান্টিবডি তাদের ইউমিনিটি দিচ্ছে কিনা, সে খবর এখনো বলেনি। এটি পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলছেন এ বিজ্ঞানীরা।

মঙ্গলবার (০৫ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জনাথন ভ্যানথাম বলেছেন, কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠা রোগীদের পরীক্ষা করে পাওয়া গেছে, বেশির ভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। এ হিসেবে বলা চলে, অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় এখনো কোনো ওষুধ বা টিকা-প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যে গাইডলাইন আছে, সেগুলো মেনে চলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই আপাতত। এ ক্ষেত্রে আক্রান্তদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া অনেকটা স্বস্তির বিষয়।

এদিকে, আগামী ৮ মাসের মধ্যেই করোনা ভাইরাসের টিকার ৩০০ মিলিয়ন ডোজ তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র প্রকল্পটির নাম দিয়েছে ‘অপারেশন ওয়ার্প স্পিড’।

টিকা আবিষ্কারের পর তা মানবদেহে প্রয়োগের উপযুক্ত করতে যেখানে পাঁচ বছরের মতো সময় লাগে, সেখানে এই মহামারি রুখতে বিজ্ঞানীরা ১২ থেকে ১৮ মাস সময় চাচ্ছেন। কিন্তু দিন দিন আক্রান্ত সংখ্যা লাগামহীনভাবে বেড়ে চলায় উদ্বিগ্ন ট্রাম্প প্রশাসন সেটাকে আট মাসের মধ্যেই নামিয়ে এনেছে। এ জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয়ও করছে দেশটি। অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে বলছেন, এটি সফল না হলে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তবে এই ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া এখন আর কোনো পথও নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

করোনা আক্রান্তদের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে: গবেষণা

আপডেট সময় ১২:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। তাদের গবেষণার কমতিও নেই এ জন্য। এরই মধ্যে গবেষণায় বের করে এনেছে একটি স্বস্তির খবর। মার্কিন গবেষকরা বলছেন, করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের বেশির ভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে।

অর্থাৎ একবার সেরে উঠলে আরেকবার আক্রান্ত না হওয়ার একটা সুযোগ আছে। তবে এই অ্যান্টিবডি তাদের ইউমিনিটি দিচ্ছে কিনা, সে খবর এখনো বলেনি। এটি পেতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলছেন এ বিজ্ঞানীরা।

মঙ্গলবার (০৫ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জনাথন ভ্যানথাম বলেছেন, কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠা রোগীদের পরীক্ষা করে পাওয়া গেছে, বেশির ভাগের শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। এ হিসেবে বলা চলে, অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে।

কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় এখনো কোনো ওষুধ বা টিকা-প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যে গাইডলাইন আছে, সেগুলো মেনে চলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই আপাতত। এ ক্ষেত্রে আক্রান্তদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া অনেকটা স্বস্তির বিষয়।

এদিকে, আগামী ৮ মাসের মধ্যেই করোনা ভাইরাসের টিকার ৩০০ মিলিয়ন ডোজ তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র প্রকল্পটির নাম দিয়েছে ‘অপারেশন ওয়ার্প স্পিড’।

টিকা আবিষ্কারের পর তা মানবদেহে প্রয়োগের উপযুক্ত করতে যেখানে পাঁচ বছরের মতো সময় লাগে, সেখানে এই মহামারি রুখতে বিজ্ঞানীরা ১২ থেকে ১৮ মাস সময় চাচ্ছেন। কিন্তু দিন দিন আক্রান্ত সংখ্যা লাগামহীনভাবে বেড়ে চলায় উদ্বিগ্ন ট্রাম্প প্রশাসন সেটাকে আট মাসের মধ্যেই নামিয়ে এনেছে। এ জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয়ও করছে দেশটি। অপারেশন ওয়ার্প স্পিডের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে বলছেন, এটি সফল না হলে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তবে এই ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া এখন আর কোনো পথও নেই।