ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবি, নিখোঁজ ১৩ নতুন দায়িত্ব পেলেন ফজলুর রহমান জুলাই সনদের আলোকে সংস্কারগুলো এগিয়ে নেব: আইনমন্ত্রী গণভোটের রায় অস্বীকার করা মানে জনগণকে অপমান করা: জামায়াত আমির কেশম দ্বীপে হামলার ‘মূল্য দিতে হবে’ যুক্তরাষ্ট্রকে:গালিবাফের হুঁশিয়ারি ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না শেখ হাসিনা: সংসদীয় কমিটিকে মোদি সরকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী-সারজিসের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনে আইফোন চুরির অভিযোগ শিল্প বাঁচাতে চাই সুষ্ঠু জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নতুন দায়িত্বে ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি নেপালে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও কারফিউ জারি, প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহের শান্তির বার্তা

মেয়াদ শেষেও সিম সচল থাকবে গ্রামীণফোনে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মহামারির সঙ্কটের কারণে দেশজুড়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে মানুষ, ব্যাহত হচ্ছে প্রতিদিনকার জীবনযাপন। এ সঙ্কট উত্তরণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে গ্রামীণফোন।

নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব ও পরিবর্তিত জীবনধারায় গ্রাহকদের প্রয়োজন নিয়েও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার (২ মে) অপারেটরটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, যোগাযোগ নিরবিচ্ছন্ন রাখতে যেসব গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট সংযোগের মেয়াদ ২০ এপ্রিলে শেষ হয়েছে বা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষ হবে তাদের সংযোগ কমপক্ষে ৩১ মে পর্যন্ত সচল রাখবে গ্রামীণফোন। অনিশ্চয়তার এ সময়ে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি দরকার নিরবচ্ছিন্ন সেবা, তাই সংযোগের মেয়াদ বাড়বে স্বয়ংক্রিয়ভাবে, এজন্য গ্রাহকদের কিছুই করতে হবে না।

এর ফলে গ্রামীণফোন গ্রাহকদের ইনকামিং ও আডটগোয়িং কলসহ অন্যান্য সেবা সক্রিয় থাকবে এবং গ্রাহকরা তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখতে পারবেন।

কোভিড-১৯ সঙ্কটে টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরি সেবাখাত হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে, চলমান কার্যত লকডাউনের কারণে দেশজুড়ে কিছু রিচার্জ এজেন্ট পয়েন্ট তাদের সম্পূর্ণ সেবাদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না। ব্যালেন্স রিচার্জে অসুবিধা দূর করতে ডিজিটাল সেবার পাশাপাশি ব্যালেন্স ট্রান্সফার (গ্রামীণফোন থেকে গ্রামীণফোন) ইতোমধ্যে ফ্রি করে দিয়েছে গ্রামীণফোন।

লকডাউন শুরু হবার পর থেকে হোম অফিস ও পারস্পরিক যোগাযাগে ইন্টারনেট ব্যবহার হচ্ছে। গ্রাহকদের পরিবর্তিত জীবনধারা ও নতুন সব প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রামীণফোন ইন্টারনেট অফারে ১০০ শতাংশ বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রামীণফোন ৩০ দিনের মেয়াদে একইদামে আগের ৮ জিবির অফারে এখন ডাবল অর্থ্যাৎ ১৬ জিবি ইন্টারনেট দিচ্ছে।

এছাড়াও, প্রতিষ্ঠানটির ৪৮ পয়সা প্রতি মিনিটের একটি জনপ্রিয় অফারের মেয়াদ বাড়িয়েছে। এর আগে, এ প্যাকেজের মেয়াদ ছিল তিন দিন, এখন মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয়েছে ছয় দিন।

পাশাপাশি, পোস্টপেইড গ্রাহকদের জন্য বিল পরিশোধের মেয়াদ বাড়িয়ে ১৫ দিন থেকে ২৫ দিন করা হয়েছে।

সেবা সংক্রান্ত এসব উদ্যোগ ছাড়াও গ্রামীণফোন কোভিড-১৯ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতেও নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মানুষের মধ্যে নিরাপদ শারীরিক দূরত্বের বিষয়ে উৎসাহিত করতে প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্ক বারের কাছে ‘স্টে হোম’ বার্তা নিয়ে এসেছে। বাসায় থেকে কর্মদক্ষতা বাড়াতে গ্রামীণফোনের আইসিটি বিজনেস টিম নিয়ে এসেছে অডিও কনফারেন্সিং ও স্মার্ট কানেক্ট সল্যুশন।

এছাড়াও দেশজুড়ে স্বাস্থ্যসেবাদাতাদের সহায়তায় গ্রামীণফোন ৫০ হাজার ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও ১০ হাজার কোভিড টেস্ট কিট দিয়েছে।

পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটি ব্র্যাকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নিয়ে এসেছে ‘ডাকছে আমার দেশ’ উদ্যোগ। এ উদ্যোগের অধীনে এক লাখ পরিবারকে জরুরি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেয়াদ শেষেও সিম সচল থাকবে গ্রামীণফোনে

আপডেট সময় ০৯:৪০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মহামারির সঙ্কটের কারণে দেশজুড়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে মানুষ, ব্যাহত হচ্ছে প্রতিদিনকার জীবনযাপন। এ সঙ্কট উত্তরণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে গ্রামীণফোন।

নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব ও পরিবর্তিত জীবনধারায় গ্রাহকদের প্রয়োজন নিয়েও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

শনিবার (২ মে) অপারেটরটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, যোগাযোগ নিরবিচ্ছন্ন রাখতে যেসব গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট সংযোগের মেয়াদ ২০ এপ্রিলে শেষ হয়েছে বা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষ হবে তাদের সংযোগ কমপক্ষে ৩১ মে পর্যন্ত সচল রাখবে গ্রামীণফোন। অনিশ্চয়তার এ সময়ে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি দরকার নিরবচ্ছিন্ন সেবা, তাই সংযোগের মেয়াদ বাড়বে স্বয়ংক্রিয়ভাবে, এজন্য গ্রাহকদের কিছুই করতে হবে না।

এর ফলে গ্রামীণফোন গ্রাহকদের ইনকামিং ও আডটগোয়িং কলসহ অন্যান্য সেবা সক্রিয় থাকবে এবং গ্রাহকরা তাদের প্রিয়জনদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখতে পারবেন।

কোভিড-১৯ সঙ্কটে টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরি সেবাখাত হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে, চলমান কার্যত লকডাউনের কারণে দেশজুড়ে কিছু রিচার্জ এজেন্ট পয়েন্ট তাদের সম্পূর্ণ সেবাদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না। ব্যালেন্স রিচার্জে অসুবিধা দূর করতে ডিজিটাল সেবার পাশাপাশি ব্যালেন্স ট্রান্সফার (গ্রামীণফোন থেকে গ্রামীণফোন) ইতোমধ্যে ফ্রি করে দিয়েছে গ্রামীণফোন।

লকডাউন শুরু হবার পর থেকে হোম অফিস ও পারস্পরিক যোগাযাগে ইন্টারনেট ব্যবহার হচ্ছে। গ্রাহকদের পরিবর্তিত জীবনধারা ও নতুন সব প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রামীণফোন ইন্টারনেট অফারে ১০০ শতাংশ বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রামীণফোন ৩০ দিনের মেয়াদে একইদামে আগের ৮ জিবির অফারে এখন ডাবল অর্থ্যাৎ ১৬ জিবি ইন্টারনেট দিচ্ছে।

এছাড়াও, প্রতিষ্ঠানটির ৪৮ পয়সা প্রতি মিনিটের একটি জনপ্রিয় অফারের মেয়াদ বাড়িয়েছে। এর আগে, এ প্যাকেজের মেয়াদ ছিল তিন দিন, এখন মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয়েছে ছয় দিন।

পাশাপাশি, পোস্টপেইড গ্রাহকদের জন্য বিল পরিশোধের মেয়াদ বাড়িয়ে ১৫ দিন থেকে ২৫ দিন করা হয়েছে।

সেবা সংক্রান্ত এসব উদ্যোগ ছাড়াও গ্রামীণফোন কোভিড-১৯ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতেও নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মানুষের মধ্যে নিরাপদ শারীরিক দূরত্বের বিষয়ে উৎসাহিত করতে প্রতিষ্ঠানটি নেটওয়ার্ক বারের কাছে ‘স্টে হোম’ বার্তা নিয়ে এসেছে। বাসায় থেকে কর্মদক্ষতা বাড়াতে গ্রামীণফোনের আইসিটি বিজনেস টিম নিয়ে এসেছে অডিও কনফারেন্সিং ও স্মার্ট কানেক্ট সল্যুশন।

এছাড়াও দেশজুড়ে স্বাস্থ্যসেবাদাতাদের সহায়তায় গ্রামীণফোন ৫০ হাজার ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও ১০ হাজার কোভিড টেস্ট কিট দিয়েছে।

পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটি ব্র্যাকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নিয়ে এসেছে ‘ডাকছে আমার দেশ’ উদ্যোগ। এ উদ্যোগের অধীনে এক লাখ পরিবারকে জরুরি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।